গ্রীনহাউজ গ্যাস যেভাবে তাপ ধরে রাখে

গ্রীনহাউজ গ্যাস যেভাবে তাপ ধরে রাখে
গ্রীনহাউজ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে এমন একটি প্রক্রিয়া যার দ্বারা ভূ্‌-পৃষ্ঠ হতে বিকীর্ণ তাপ বায়ুমণ্ডলীয় গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে পুনরায় বায়ুমন্ডলের অভ্যন্তরে বিকিরিত হয়। এই বিকীর্ণ তাপ বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে ফিরে এসে ভূ-পৃষ্ঠের তথা বায়ুমন্ডলের গড় তাপমাত্রাকে বাড়িয়ে দেয়। মূলত সৌর বিকিরণ দৃশ্যমান আলোর তরঙ্গদৈর্ঘ্যে বায়ুমন্ডলের মধ্য দিয়ে অতিক্রম করে ভূ-পৃষ্ঠকে উত্তপ্ত করে এবং ভূ-পৃষ্ঠ পরবর্তীকালে এই শক্তি নিম্ন তরঙ্গদৈর্ঘ্যে অবলোহিত রশ্মি আকারে নির্গত করে। এই অবলোহিত রশ্মি বায়ুমন্ডলস্ত গ্রীনহাউজ গ্যাসসমূহ দ্বারা শোষিত হয়ে অনেক বেশি শক্তি আকারে ভূ-পৃষ্ঠে ও বায়ুমন্ডলের নিম্নস্তরে পুনঃবিকিরিত হয়। শীত প্রধান দেশগুলোতে সাধারণত কাচ নির্মিত গ্রীনহাউজ তৈরি করে উদ্ভিদ উৎপাদন করার পদ্ধতি অনুসরণ এই প্রক্রিয়ার নামকরণ করা হয়। একটি গ্রীনহাউজে সৌর বিকিরণ কাচের মধ্য দিয়ে গমন করে গ্রীনহাউজটিকে উত্তপ্ত রাখে,এখানে মৌলিক পার্থক্য হচ্ছে গ্রীনহাউজটি বাতাসের প্রবাহ হ্রাস…
বিস্তারিত পড়ুন ...

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি
কোন দম্পতির ক্ষেত্রে যখন স্ত্রী গর্ভবতী হয় তখন ঐ দম্পতিকে দেখলে সকলের একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো “ছেলে হবে নাকি মেয়ে?”। এই প্রশ্নের কারণ হলো, সামাজিক জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা বলতে পারি যে ছেলে বা মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা ৫০/৫০। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে মেয়ে বা ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা কেনই বা ৫০/৫০ হলো? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতিতে। আমাদের এই প্রাণিজগতে নানা বৈচিত্রের জনন প্রক্রিয়া ও জীবনচক্র লক্ষ করা যায়। কোন প্রাণী অযৌন জনন, কোনটা যৌন জনন, কোনটা আবার যৌন অযৌন উভয় প্রক্রিয়ার মাধ্যমে প্রজনন সম্পন্ন করে । যৌন জননের ক্ষেত্রে মাইয়োসিস বিভাজনের মাধ্যমে ডিপ্লয়েড (2n) প্রাণিদেহ থেকে হ্যাপ্লয়েড (n) জনন কোষ সৃষ্টি হয়। দুটি হ্যাপ্লয়েড (n) জনন কোষের মিলনের ফলে সৃষ্ট জাইগোট (2n) থেকে নতুন প্রাণীর বিকাশ ঘটে। সচল…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আমার অভিজ্ঞতা কিডনি রোগের জন্য দায়ী অনিয়মসমূহ এবং আপনার করণীয়

আমার অভিজ্ঞতা কিডনি রোগের জন্য দায়ী অনিয়মসমূহ এবং আপনার করণীয়
আমার কিডনি রোগ ধরা পড়ে ২০১৫ সালে। এর আগে আমি বুঝতেই পারিনি এত বড় একটি রোগ আমার শরীরে বাসা করেছে। কিডনি বিকল হওয়ার জন্য আমাদের কিছু অনিয়ম দায়ী। তাই এই অনিয়মগুলো জানা জুরুরী। কিডনি নষ্টের ১০টি অনিয়ম: ১. প্রস্রাব আটকে ২. পর্যাপ্ত পানি না খাওয়া ৩. অতিরিক্ত লবণ খাওয়া ৪. যেকোনো সংক্রমণের দ্রুত চিকিৎসা না করা ৫. মাংস বেশি খাওয়া ৬. প্রয়োজনের তুলনায় কম খাওয়া ৭. অপরিমিত ব্যথার ওষুধ সেবন ৮, ওষুধ সেবনে অনিয়ম ৯. অতিরিক্ত মদ খাওয়া ১০. পর্যাপ্ত বিশ্রাম না নেওয়া এই অনিয়মগুলো না করার মাধ্যমে অধিকাংশ কিডনি রোগ প্রতিরোধ করা যায়। আমি আমার জীবন থেকে দেখাবো উপরের কোন কোন অনিয়মটি আমার মধ্যে ছিল। অনিয়মগুলোর সাথে সাথে প্রকৃত নিয়ম কি সেটা নিয়েও আলোচনা করব। অনিয়ম ১। প্রস্রাব আটকে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

একটি মানুষ আর একটি বাহিনী (আবদুল্লাহ আল-মুতী)

একটি মানুষ আর একটি বাহিনী (আবদুল্লাহ আল-মুতী)
একটি মানুষ। তাও তার বয়স হয়েছে সত্তুর বছরের ওপরে। কতটুকুই-বা শক্তি তার গায়ে। তবু এই মানুষটি লড়ছে এক বিরাট সৈন্যবাহিনীর বিরুদ্ধে। নাস্তানাবুদ করে দিচ্ছে বিশাল বাহিনীকে। যে-সে বাহিনী নয়। সেকালের দুনিয়ার সবচেয়ে দুর্ধর্ষ রোমের সৈন্য তারা। আরও আশ্চর্য, এই মানুষটি কিন্তু সেনাপতি নয়। যুদ্ধবিদ্যাই শেখেনি সে কোনোদিন। তবু তিন বছর ধরে লড়াই করে ঠেকিয়ে রেখেছে প্রবল পরাক্রমশালী রোমান বাহিনীকে। বুদ্ধির জোরে রক্ষা করেছে তার দেশের আজাদি। এই লোকটির নাম আর্কিমিডিস। পুরনো দিনের দুনিয়ার সবচেয়ে নামজাদা বিজ্ঞানী। আজ থেকে সোয়া দু'হাজার বছর আগে বিজ্ঞানকে তিনি কাজে লাগিয়েছিলেন মানুষের, দেশের নানা সমস্যার সমাধানের জন্যে। সেকালে পণ্ডিত আর বিজ্ঞানী বলতে বোঝাত এমন সব লোককে যারা শুধু ভালো ভালো তত্ত্বকথার আলোচনা করেন। কিন্তু আর্কিমিডিস উলটে দিয়েছিলেন সে নিয়ম। তিনি দেখিয়েছিলেন বিজ্ঞানের তত্ত্বকে কী করে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কোয়াটারনিয়ন – সংখ্যার এক অন্যভুবন

ঘড়ির ঘণ্টার কাটা ঘুরানোর কথা চিন্তা করুন। গণিতবিদেরা অনেক আগে থেকেই জানেন কিভাবে এধরনের ঘূর্ণনকে সাধারণ গুণন দিয়ে ব্যাখ্যা করা যায়। খুব সহজ, যে সংখ্যা দিয়ে কাটার অবস্থান প্রকাশ করা হল, সেটাকে আরেকটা ধ্রুবক সংখ্যা দিয়ে গুণ করলে ঘুরে যাবে অবস্থান। এ ঘুর্ণন তো ছিল একটা তলে, মানে দ্বিমাত্রিক ঘুর্ণন। তাহলে এরকম সহজ উপায় দিয়ে কি ত্রিমাত্রিক ঘুর্ণনকেও ব্যাখ্যা করা যায়? এই সমস্যাটাই এক দশকের বেশি ভাবিয়েছে উইলিয়াম হ্যামিল্টনকে। তিনি ছিলেন ১৯ শতকের অন্যতম এক গণিতবিদ। সমাধান করতে গিয়ে তিনি পেলেন চার মাত্রিক এক নতুন সংখ্যা পদ্ধতি, যা সূচনা করেছে আধুনিক বীজগণিতের। 7969
বিস্তারিত পড়ুন ...

কাকতালীয় ঘাতক

মানুষকে আক্রমণ করার জন্য অণুজীবরা বিবর্তিত হয়েছে বলে আমরা ভাবি। তবে আমরা হয়তো আদিকাল থেকে চলমান যুদ্ধে বেসামরিক হতাহত ছাড়া অন্য কিছু নই।   ১. এইচ জি ওয়েলসের ক্লাসিক দ্য ওয়ার অফ দ্যা ওয়ার্ল্ডস (১৮৯৮) উপন্যাসে মঙ্গল গ্রহের প্রাণী কর্তৃক ইংল্যান্ড আক্রমণের আখ্যান পাওযা যায়। উপন্যাসটি কোন চনমনে বীরত্বপূর্ণ বিজয় দিয়ে শেষ হয় না, বরং দৈবভাবে গল্পের শেষ হয়। ভিনগ্রহের প্রাণী  তাপীয়-রশ্মি ও কালো-ধোঁয়া দিয়ে মানুষকে আয়ত্বে আনতে চায়। কিন্তু জয়ের একেবারে কাছাকাছি এসে তারা মারা যায়। মানববিহীন ধ্বংসস্তুপের লন্ডনে তাদের যন্ত্রগুলো অচল হয়ে পড়ে। পাখিরা তাদের পচা দেহাবশেষ ঠোকর দিয়ে খায়। তাদের এই হঠাৎ-পতনের কারণ? ব্যাক্টেরিয়া। উপন্যাসের বেনামী কথক বলেন, 'মানুষের সকল ফন্দি ব্যর্থ হওয়ার পর, সবচেয়ে নিচু জীব দিয়ে (ভিনগ্রহবাসীরা) পরাস্ত হলো।' ওয়েলসের যুক্তি ছিলো সরল। মানুষের অনাক্রম্যতা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ত্বকের কোষ থেকে সন্তান উৎপাদন

বিজ্ঞান প্রতিনিয়তই এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ আমাদের বিজ্ঞানীরা বসে নেই। তারা নিত্যনতুন চিন্তা ভাবনা করে চলেছেন। তবে মাঝে মাঝে এমন কিছু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হয় যা আপনাকে থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করে। প্রত্যেক জীবেরই প্রজনন হয়। আর প্রাণীদের ক্ষেত্রে সেই প্রজনন ঘটে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মাধ্যমে। যৌন ক্রিয়ার সময় শুক্রাণু ও ডিম্বাণু মিলিত হয় এবং নিষেকের পর ভ্রূণ গঠিত হয়। সেই ভ্রূণ পরিণত হয়ে পূর্ণাঙ্গ শিশুতে পরিণত হয়। এটাই প্রাণীর স্বাভাবিক প্রজননের সরল একটি বর্ণনা। কিন্তু বিজ্ঞান তো এতটুকুতেই থেমে নেই। তারা মানবদেহের প্রজনন ক্রিয়া বোঝার জন্য অনরবত চেষ্টা করে যাচ্ছেন। তার ফলস্বরূপ ১৯৯৭ সালে আমরা পেয়েছি ‘ডলি’কে। ‘ডলি’ ভেড়ার কথা আমরা সবাই জানি। ‘ডলি’র মাধ্যমেই বিজ্ঞানীরা প্রথম কোন স্তন্যপায়ীকে ক্লোন করতে সক্ষম হয়েছিলেন। এর আগে ব্যাঙের ক্লোন করা হয়েছিলো। ‘ডলি’র ক্লোন করা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

নিপাহ ভাইরাস প্রাদুর্ভাবের আবহাওয়া-উৎপত্তি

বাস্তুসংস্থানের পরিবর্তন যেভাবে নতুন রোগ ছড়াতে পারে   কোন সংক্রামক রোগের হঠাৎ প্রাদুর্ভাবের কারণ খুঁজতে গেলে অনেকগুলো প্রশ্নের উদয় হয়। এদের মধ্যে সবচেয়ে কঠিন হলো "কেন?”। কেন তখন? কেন ঐখানে? এ প্রশ্নগুলোর উত্তর খোঁজা প্রায় অসম্ভব হতে পারে। এর কারণ শুধু এই নয় যে প্রশ্নগুলো অনেকটা অধিবিদ্যাধর্মী ও বোঝা কঠিন। বরং অণুজীব, পরিবেশ ও আক্রান্ত মানুষের মধ্যে আপাত-নগণ্য মিথষ্ক্রিয়াগুলো নির্ণয় করা শ্রমসাধ্য ও জটিল কাজ। তাই জনস্বাস্থ্য কর্মকর্তারা অসন্তুষ্ট জনগণের কাছে অসহায়ের মতো কাঁধ-ঝাঁকিয়ে ভগ্নহৃদয়ে স্বীকার করেন যে তারা এসব প্রশ্নের উত্তর "জানেন না আর হয়তোবা কখনোই জানতে পারবেন না";  এরপর অন্ধকারাচ্ছন্ন, ধোঁয়াটে বারে গিয়ে অক্ষমতার আক্ষেপ গ্লাসের পর গ্লাস ভর্তি এককোষী ছত্রাকের বিপাকীয় বর্জ্য-তরলে নিমজ্জিত করতে থাকেন। হলিউডের চলচিত্র কন্টাজিয়ন-এর (Contagion) শেষ দৃশ্যের কথা বলা যাক। কন্টাজিয়ন চলচিত্রটিতে MEV-1…
বিস্তারিত পড়ুন ...