প্রযুক্তির দিন দিন উন্নতি ঘটে চলেছে।আই.বি.এম তো ঘোসনা দিয়েছে পাঁচ বছরের মধ্যেই আমরা মোবাইল বা কম্পিউটার স্ক্রিন এর মাধ্যমে দূরের জিনিস ধরতে পারব।এই ভবিষ্যত বাণীটা ঠিক হওয়ার দিকে আমরা একধাপ কিন্তু এগিয়ে গেছি।বিজ্ঞানিরা যন্ত্রের মধ্যে বিভিন্ন বস্তুর স্পর্শ অনূভুতি জাগাতে সক্ষম হয়েছেন। এখানে যন্ত্রটি হল এক ধরনের মানুষের মত রোবট।ইউনিভার্সিটি অফ সাউর্দান ক্যালিফোর্নিয়া ভাইটারভি স্কুল অফ ইঞ্জিনিয়ারিং এর বিজ্ঞানিরা এমনই একটি রোবর্ট তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন এবং এ সম্বন্ধে একটি লিখা প্রকাশ করেছেন।তারা এই রোবটটির হাতে এক ধরনে বিশেষ সেন্সর ব্যবহার করেছেন।এই সেন্সর এর গঠন অনেকটা মানুষের আঙলের মত।এর উপরে বিশেষ ভাবে গঠিত চামড়া থাকে এবং তাতে তরল পদার্থের একটি স্তর ও থাকে। চামড়াতে একধরনের বিশেষ খাঁজ কাটা অংশ থাকে,অনেকটা আঙলের রেখার মত।রোবটিক আঙলটি যখন কোন বস্তুর উপর দিয়ে নেয়া হয়,তখন চাপের তফাত,উচু নিচু ইত্যাদির কারনে সেন্সরটি ভায়ব্রেশন উৎপন্ন করে।এই ভায়ব্রেশন আঙলের মাঝখানে থাকা হাড়ের মত হাইড্রোফোনের কাছে পাঠানো হয়।সেখান থেকে ভায়ব্রেশন নিয়ে,রোবটটির কম্পিউটার তা পূর্বে অভিজ্ঞতা থেকে সঞ্চিত রাখা ভায়ব্রেশন এর সাথে তুলনা করে বস্তুটি চিহ্নিত করে।এখন এ আবিস্কারটি করার জন্য বিজ্ঞানিদের সবচেয়ে বড় যে সমস্যাটি হয়েছে তা হল একটি নতুন এলগরিদম আবিস্কার করা।মানুষ কোন বস্তু স্পর্শের সাহায্যে চিনার জন্য কিছু বিশেষ উপায় অবলম্বন করে।এ উপায়গুলো মানুষ তার পূর্ব অভিজ্ঞতা থেকে শিখে।এত দিন রোবটকে এসব উপায় শিখানোর কোন উপায় ছিলনা।তবে অবশেষে বিজ্ঞানিরা বিশেষ এলগরিদম আবিস্কার করেছেন যার সাহায্যে রোবট এসব উপায় ব্যবহার করবে।বিজ্ঞানিরা তাদের উদ্ভাবিত রোবটকে মোট ১১৭টি বস্তু সম্বন্ধে জ্ঞান দিয়ে পরিক্ষা করেছেন।তাদের রোবটটি মোটামুটি ৯৫.৫% সময় ঠিকভাবে বস্তুগুলো আলাদা করতে পেরেছে,যখনই তাকে একসাথে কয়েকটি বস্তু দেয়া হয়েছিল।মজার বেপার হল রোবটটি এমন কিছু ক্ষেত্র ধোঁকা খেয়েছে,যেগুলোও বস্তুগুলো খুবই কাছাকাছি।এত কাছাকাছি ধরনের বস্তু মানুষ সাধারনত স্পর্শের সাহায্যা আলাদা করতে পারেনা।অর্থাৎ এদের স্পর্শ অনূভুতি আমাদের চেয়েও ভাল।পোস্টটি নেয়া হয়েছে এখান থেকে।

মন্তব্যসমূহ

  1. আরাফাত রহমান Reply

    বিজ্ঞান ব্লগে স্বাগতম। পোস্টটি ভালো। কিন্তু খুব ছোট হয়ে গেছে। আরেকটু ডিটেইলে লিখতে পারতেন। সংশ্লিষ্ট ছবি থাকলে আরো ভালো লাগতো।

আপনার মতামত