ভূমিকম্প! শব্দটি শুনলেই চট করে কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া নেপালের বিভীষিকার কথা মনে পরে যায়। আমরা যদি আরেকটু অতীতের কথা স্মরণ করি তাহলে ২০১২ সালে ঘটে যাওয়া জাপানের সেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প আর সুনামির দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠে। কিন্তু ভূমিকম্প কি সুধুই বিভীষিকার আর ধ্বংসের কথা মনে করিয়ে দেয়? আসলেই তাই। তবে, এই ধ্বংস আর পরিবর্তনের কারনেই আজকের এই সুন্দর পৃথিবী। এই ভূমিকম্প আর টেকটনিক সঞ্চালনের কারনেই পৃথিবী এখন সবুজ, এখানে রয়েছে নদি, খাল সমুদ্র আর এতে আছে পানির নির্মল প্রবাহ। আছে আমাদের বায়ুমণ্ডল আর জীববৈচিত্র! এই ভূমিকম্পই আমাদের গ্রহকে উষ্ণ রাখছে আর মূল চালিকা শক্তি হিসেবে চালাচ্ছে আমাদের পুরো পৃথিবীকে। আজ যদি পৃথিবীতে এই টেকটনিক সক্রিয়তা না থাকত যদি কোন ভূমিকম্প সংগঠিত না হত তাহলে আমরা কখনই পৃথিবীতে জীবন আর সবুজ গাছপালা দেখতে পেতাম না। পৃথিবী হত চাঁদের মতই একটি মৃত গ্রহ মাত্র আর এখানে থাকত না কোন পাহাড় পর্বত যারা নিয়ন্ত্রণ করে বাস্তুতন্ত্রকে।
তো, আজ আমরা এই টেকটনিক সক্রিয়তা নিয়ে, এর কারন এবং প্রকৃতি নিয়ে

টেকটনিক চলাচল
গল্প করব। জানব একেবারে শুরু থেকে যখন সবকিছু ছিল ভয়ংকর উত্তপ্ত আর গলিত; যার তাপমাত্রা সূর্যের পৃষ্ঠের চেয়েও বহু বহু গুন বেশি! তাহলে আসুন শুরু করি আমাদের সেই প্রাচীন মহাযাত্রা…ঘুরে আসি সাড়ে চার বিলিয়ন বছর আগে থেকে!
শুরু যখন থেকে শুরুঃ আমরা এখন আছি ৪.৫ বিলিয়ন বছর আগে; যখন সৃষ্টি হচ্ছিল আমাদের পৃথিবী। বিগব্যাং এর প্রায় ৯.৩ বিলিয়ন বছর পরে আমাদের এই সৌরজগৎ সৃষ্টির মহাযজ্ঞ শুরু হয়। বিগব্যাং সংগঠিত হবার বহু বছর পরে মহাজাগতিক ধুলিকণা থেকে আমাদের এই সৌরজগৎ গঠনের প্রক্রিয়া আরম্ভ হতে থাকে। তার অনেক পরে আমাদের পৃথিবী তৈরি হয়। সৌরজগতে প্রায় একেবারে প্রথমদিকে ২২ টি গ্রহ ছিল। কিন্তু সেগুলো ছিল আকারে ছোট ছোট। তখন এরা সূর্যকে কেন্দ্র করে ঘোরার সময় এক অন্যকে ধাক্কা দেয় এবং শুরু হয় বিশাল সংঘর্ষ। ধীরে ধীরে শান্ত হতে থাকে আমাদের বাসস্থান। কিন্তু তখনো ছোট ছোট সংঘর্ষ ঘটতেই থাকে। এভাবে বহু বছর পরে একেবারেই শান্ত হয়ে যায় আমাদের এই সৌরজগৎ। এই যে সংঘর্ষগুলো যে হল এর মাধ্যমে গ্রহগুলো আকার পেয়েছে। কিন্তু ঠিক তখনই গ্রহগুলোর মধ্যে জমা হয়েছিল প্রচুর শক্তি যা আজো রয়েছে।
একবার আপনার দুই হাত একটা অন্যটা দিয়ে ঘষে দেখুন তো কি হয়? নিশ্চই দেখতে পেয়েছেন যে হাত গরম হয়ে উঠেছে। তাহলে বুঝুন এই সামান্য ঘষাতেই যদি হাত গরম হয়ে উঠতে পারে তাহলে ঐ সময়কার বিশাল বিশাল সংঘর্ষে কি পরিমাণ শক্তি লুকিয়ে ছিল। আর ঐসব শক্তি আটকে গেছে গ্রহগুলোর কেন্দ্রে। এখন কথা হল যে, কেন ঐ শক্তি আটকে গেল? তাহলে বলি শুনুন…
যখন গ্রহগুলোর একটা অংশের উপর অন্য অংশ এসে পরে তখন উভয়ে মিলে একটা বড় খন্ডে পরিণত হয়। এবং প্রচন্ড উত্তাপে উভয় গলে গিয়ে নতুন রূপ পায়। এভাবে অনেক গুলো অংশ পরতে পরতে সবগুলো মিলে এক বিশাল গ্রহ তৈরি করেছিল। তখন সমস্ত গ্রহই প্রচণ্ড উত্তাপে প্রায় গলিত অবস্থায় ছিল এবং কেন্দ্রে প্রচন্ড মহাকর্ষ বল ও চাপের কারনে পদার্থগুলো ছিল আরো বেশি উত্তপ্ত আর প্রায় কঠিন। এই অবস্থায় গ্রহগুলোর উপরের আচ্ছাদন শক্তি মুক্ত করে ধীরে ধীরে ঠাণ্ডা হয়ে কঠিন রূপ ধারন করে কিন্তু ভেতরে বা কেন্দ্রের দিকের গলিত পদার্থ বা ম্যাগমা উপরের কঠিন আচ্ছাদনের ভিতরে আটকা পরে যায়। এভাবেই

টেকটনিক চলাচলের ধরণ
এখনো পৃথিবীসহ প্রায় সকল গ্রহের কেন্দ্রেই এই গলিত আর প্রচণ্ড উত্তপ্ত লাভা বিরাজ করছে। এই হল মোটামুটি আমাদের পৃথিবীর গল্প।
টেকটনিক এর টানাপোড়নঃ এবারে টেকটনিকের গল্প বলব। কি এই টেকটনিক? এই প্রশ্নের এক কথায় উত্তর হলঃ পৃথিবীর উপরের পৃষ্ঠ কয়েকটি ভাগে বিভক্ত। এর প্রত্যেক ভাগকে টেকটনিক বলা হয়। এবারে চলুন মূল গল্পে- পৃথিবী গঠিত হবার সময়ে আমরা জেনেছি যে অনেক চড়াই উতরাই পার হতে হয়েছে একে। তখন পৃথিবীর উপরের পৃষ্ঠ অনেকগুলো বিশাল ভাগে বিভক্ত হয়ে যায়; ঠিক যেন ছোটবেলায় আমাদের খেলা ‘ডিয়ার’ ফুটবলের উপরের ভাগের মত। এসব বড় বড় খন্ড একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে আছে আর এদের মধ্যে চলছে অবিরাম ঘর্ষণ। এভাবে পৃথিবীর উপরের আচ্ছাদনকে পুরো আটটি বড় খন্ডে চিহ্নিত করা হয়েছে। এচাড়াও আরো আছে ছোট ছোট অনেক টেকটনিক পাত।
প্রধান টেকটনিক পাতগুলো হলঃ আফ্রিকার পাত, এন্টার্কটিকার পাত, ইন্দো-অস্ট্রেলীয় পাত, ভারতীয় পাত, অস্ট্রেলীয় পাত, ইউরেশীয় পাত, উত্তর আমেরিকার পাত, দক্ষিণ আমেরিকার পাত, প্রশান্ত মহাসাগরীয় পাত।
অপ্রধান বা ছোট টেকটনিক পাতের সংখ্যা কয়েক ডজন হলের প্রধান সাতটি হলঃ আরব্য পাত, ক্যারিবীয় পাত, জুয়ান দে ফুকা পাত, কোকাস পাত, নাজকা পাত, ফিলিপিনীয় পাত, স্কোশিয়া পাত।
এইসকল পাতগুলো একে অপরের সাথে যুক্ত হয়ে পুরো পৃথিবীকে আচ্ছাদন করে রেখেছে। এইসব পাত কিন্তু এক যায়াগায় স্থির হয়ে নেই। বরং এরা সঞ্চারনশীল! আর এদের এই সঞ্চালনের জন্যই পৃথিবী আকৃতি পাচ্ছে, ভূকম্পণ হচ্ছে, নদি খাত আর সমুদ্র সৃষ্টি হচ্ছে, মহাদেশের অবস্থানের পরিবর্তন হচ্ছে। তবে এদের গতি খুবই কম। বছরে মাত্র ৫-১০ সে.মি।
ভূমিকম্প আর পাহাড়, নদী সৃষ্টির কারনঃ আগেই বলা হয়েছে যে, পৃথিবীর টেকটনিক পাতগুলো স্থির নেই। এরা গতিশীল এবং এরা সরে যাচ্ছে। টেকটনিক গতিকে মূলত দুই ভাগে ভাগ করা যায়। যথাঃ ১) একে অপরেরদিকে ২) পাশাপাশি ৩) বিপরীত দিকে।
১) একে অপরেরদিকে মুখোমুখিঃ টেকটনিক প্লেটের এধরণের সঞ্চালনে ভূপৃষ্ঠে সবথেকে বেশি পরিবর্তন সাধিত হয়। যখন দুইটি প্লেট একে অপরেরদিকে কাছাকাছি আসে তখন বিশাল ধরনের সংঘর্ষ শুরু হয়। প্লেট দুইটি পরস্পরেরদিকে প্রচণ্ড শক্তিতে ধাক্কা মারতে থাকে এবং সেখানে বিপুল পরিমানে শক্তি জমা হয়। একসময় হঠাত করে একটি প্লেট উপরে এবং অন্য প্লেটটি নিচের দিকে সরে যায় যার ফলে জমা হওয়া শক্তি নির্গত হয়। নিচের দিকের প্লেটটি ম্যাগমা সাগরে ডুবে যায় আর উপরে উঠে যাওয়া প্লেটটি সৃষ্টি করে পাহাড়ের। এভাবেই পৃথিবীর সকল পাহাড়-পর্বতমালার সৃষ্টি হয়েছে। এমনকি হিমালয়ও।
২) একে অপরেরদিকে পাশাপাশিঃ এভাবে টেকটনিক প্লেটের সঞ্চালনে তেমন কিছুই হয় না কেবল দুইটি ভূপৃষ্ঠের স্থান পরস্পর থেকে দূরে সরে যায়। এছাড়া আর কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন হয় না।
৩) একে অপরের বিপরীতদিকে যখন সরে যায়ঃ দুইটি টেকটনিক প্লেট যখন পরস্পর বিপরীতদিকে সরে যায় তখন সেখানের ভূখন্ড নতুন এক রূপ পায়। প্লেট দুটি দুইদিকে সরে গেলে স্বাভাবিক ভাবেই সেখানে ফাকা যায়গা সৃষ্টি হবার কথা। এবং সেখানে সামান্য ফাকা যায়গার সৃষ্টি হয়ে যায় আর ঐ স্থানেই তৈরি হয় আগ্নেয়গিরি; আগ্নেয়গিরি হল এক ধরনের পাহাড় যার মধ্য দিয়ে পৃথিবীর অভ্যন্তরের ম্যাগমা বাইরের সাথে উন্মুক্ত হতে পারে। ফলে পাহাড়ের মধ্য দিয়ে ম্যাগমা নির্গত হয়। মাঝে মধ্যেই লাভা ঠাণ্ডা হয়ে জমে গিয়ে আগ্নেয়গিরির মুখ বন্ধ হয়ে যায় এবং লাভা বিস্ফোরন ঘটে যার ফলে ভূমিকম্প সংঠিত হয় এবং পাশাপাশি আগমন ঘটে সুনামির যদি সেই আগ্নেয়গিরির অবস্থান হয় সমুদ্রপৃষ্ঠে।
একয়েকভাবেই সাধারণত টেকটনিক সঞ্চালনের ফলে ভূমিকম্প সংগঠিত হয়ে থাকে।
প্রাণ, সবুজ পৃথিবী ও টেকটনিকঃ আমরা উপরের আলোচনায় দেখেছি যে টেকটনিক সক্রিয়তা কিভাবে পাহাড় পর্বতের সৃষ্টি করেছে এবং কিভাবে আমাদেরকে উষ্ণ রাখছে। একবার ভেবে দেখুনতো যদি পৃথিবীতে কোন পাহাড় না থাকত তখন কি হত? একভাবে দেখতেগেলে পাহাড়-পর্বতগুলোই পৃথিবীর বাস্তুতন্ত্রকে সবথেকে বেশি নিয়ন্ত্রণ করে। যদি পাহাড়া না থাকত তাহলে তৈরি হতনা কোন নদী-নালা যার ফলে সমতল ভূমিতে প্রায় পানিরধারা পাওয়াই যেতনা। ফলে বিবর্তন হত অন্যরকম। সমতল ভূমির মিঠা পানির একমাত্র উৎস হল নদী। যদিও বৃষ্টির পানিতে হ্রদের মত কিছু তৈরি হত তবুও প্রয়োজনীয় পানি আহরনের জন্য সেগুলো অপ্রতুল হত। এতে জীব বৈচিত্র সঠিকভাবে বিকশিত হত না। আবার দেখতে পাই যে সূর্যের আলোর পাশাপাশি টেকটনিক সক্রিয়তার কারনে পৃথিবীর কোথাও কোথাও হটস্পটের সৃষ্টি হয়। এসব হটস্পটে পানি থাকলে সেগুলো হয় উষ্ণ ও রাসায়নিক সমৃদ্ধ। ডারউইনের ‘গরম পুকুর’ তত্ত্ব মতে প্রানের শুরু হওয়ার সম্ভাবনা এধরণের হটস্পটেই হওয়ার কথা ছিল। সুতরাং আমরা দেখতে পাই যে, যদি টেকটনিকের সক্রিয়তা পৃথিবীতে না থেকে স্থির হত তাহলে পৃথিবীতে আদৌ কোন প্রাণের সঞ্চার হত না আর হলেও সেটার বৈচিত্র পেত না অর্থাৎ উন্নত জাতিতে রূপান্তরিত হওয়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকত।
পৃথিবীর ইতিহাসঃ যেহেতু পৃথিবী পৃষ্ঠের টেকটনিক প্লেটগুলো স্থির নেই বরং গতিশীল তাই পৃথিবী পৃষ্ঠের আকারও পরিবর্তিত হওয়ার কথা। আর সেটা হচ্ছেও। বিভিন্ন পরীক্ষার মাধ্যমে এই পরিবর্তনের তত্ত্ব আজ প্রতিষ্ঠিত। বর্তমানে উন্নতমানের রেডারের সাহায্যে এই পরিবর্তন অত্যন্ত সূক্ষভাবে মাপা যাচ্ছে। আমরা এখানে আজ থেকে ৬০০ মিলিয়ন বছর আগে থেকে ১০০ মিলিয়ন বছর পরের পৃথিবীর দিকে আলোকপাত করব। এখানে হয়ত অনেকে বলতে পারেন যে, “পৃথিবী যে ভাবেই পরিবর্তিত হয়েছে তার প্রমান কিভাবে করা হল?” আসলে পুরোপুরি এমনভাবেই যে পরিবর্তিত হয়েছে তা কিন্তু নয় বরং এভাবেই পরিবর্তীত হওয়ার সম্ভাবনা অনেক অনেক বেশি আর এটা প্রমান হয়েছে দুই প্লেটের ভূমিতে প্রাপ ফসিলের পরীক্ষণের মাধ্যমে। আজ থেকে বিলিয়ন বছর আগে সবগুলো প্লেট একসাথে ছিল। এরকম একসাথে থাকলে তাকে বলা হয় সুপারকন্টিনেন্টাল। ঐ সুপার কন্টিনেন্টাল বিভিন্ন খন্ডে ভাগ হয়ে যায় এবং প্রায় ২১ হাজার মিলিয়ন বছর আগে সেটা আবার একত্রিত হয় এবং পুনরায় খন্ডিত হয়ে ৬০০ মিলিয়ন বছর আগে একত্রিত হয় এবং নামকরন করা হয় ‘প্যানজাই’। এই ‘প্যানজাই’ পুনরায় ভাগ হয়ে ‘লাউরেশিয়া’ ও ‘গন্ডায়ানা’ নামক প্লেটে বিভক্ত হয়। এই ‘লাউরেশিয়া’ পরবর্তিতে তৈরি করে ‘উত্তর অ্যামেরিকা’ ও ‘ইউরেশিয়া’ এবং ‘গন্ডায়ানা’ খণ্ডিত হয়ে বাকি প্লেটগুলোর সৃষ্টি করে।
এইভাবেই পরিবর্তন হয়ে আজকের পৃথিবী রূপ পেয়েছে এবং আবার সে পরিবর্তীত হয়ে নতুন রূপ পাবে যেখানে আমাদের দেশ বাংলাদেশের কোন অস্তিত্বই থাকবে না। যদিও বাংলাদেশের পানির নিচে তলিয়ে যাওয়া অবশ্যম্ভাবী তবুও প্রাকৃতিকভাবে সেটা শুরু হতে আরো অনেক সময় বাকি ছিল। কিন্তু আমরা বোকা জাতি কৃত্রিমতাকে বাড়িয়ে সেটা এখনই শুরু করে দিয়েছি। যদি না আমরা এ অবস্থা থেকে সরে আসি তাহলে আমাদের ভবিষ্যত কিন্তু চরম দূর্যোগময় হবে। আজ যেমন রোহিঙ্গাদের তাদের বিপদের সময় কেউ কোথাউ যায়গা দিচ্ছে না, ঠিক তেমনি আমাদের চরম বিপদের সময়েও কেউ আমাদের কোথাউ যায়গা দিবে না। তাই সময় থাকতে এখনই হাল না ধরলে পরে সেই হালই খুজে পাওয়া দুষ্কর হয়ে দাঁড়াবে আমাদের জন্য।


লেখাটি পূর্বে প্রকাশিত হয়েছে ওমেগা প্রাইম‘র ওয়েবসাইট ও মাসিক বিজ্ঞান পত্রিকায়। 

 

লিখেছেন কামরুজ্জামান ইমন

মাধ্যমিক পরীক্ষা দিয়ে এখন মুক্ত সময় কাটাচ্ছি। বিজ্ঞান পড়তে ভালো লাগে তাই লিখতেও ভালো লাগে। পাশাপাশি কিশোরদের জন্য একটি বিজ্ঞান সাময়িকীর সম্পাদনা কাজে নিয়োযিত রয়েছি। :)

কামরুজ্জামান ইমন বিজ্ঞান ব্লগে সর্বমোট 6 টি পোস্ট করেছেন।

লেখকের সবগুলো পোস্ট দেখুন

মন্তব্যসমূহ

  1. আরাফাত রহমান Reply

    খুবই সুন্দর লেখা, যদিও অনেক দিন পরে পড়লাম। প্লেটের অনুবাদ পাত করাটা ভালো লেগেছে। বিশেষ করে টেকটনিক মুভমেন্টের সাথে সবুজ পৃথিবীতে প্রাণের যে সম্পর্ক রয়েছে — এই দৃষ্টিকোণটা চমৎকার। একটাই অনুরোধ থাকবে পরবর্তীতে বানানের ক্ষেত্রে আরো সতর্ক হওযার — প্রয়োজনে অভ্র স্পেল চেকারের সহায়তা নিয়ো। হ্যাপি ব্লগিং!

আপনার মতামত