বায়োসেন্সর জীবনদায়ী প্রযুক্তি

বায়োসেন্সর হচ্ছে এক ধরনের অ্যানালাইটিক্যাল ডিভাইস বা বিল্লেশ্নধর্মী যন্ত্র। এই যন্ত্রে রয়েছে একটি জৈবিক উপাদান। আর এর সাথে রয়েছে একটি পিজিকোডিটেক্টর। এই যন্ত্র চিহ্নিত ধরতে পারে স্পর্শকাতর সব জৈব উপাদান যা জৈব পদার্থের (যেমন- এনজাইম, অ্যান্টিবডি, কোষ অঙ্গাণু, হরমোন, নিউক্লিক এসিড অথবা সম্পুর্ণ কোষ) স্থিতিশীল আস্তরণের অন্তরঙ্গ সংস্পর্শে রুপান্তরক (transducer- একটি ভৌত উপাদান) নিয়ে গঠিত, যেখানে রুপান্তরক জৈব সংকেত (Biological signal) বিশ্লেষণ করে উহাকে বৈদ্যুতিক সংকেত ( Electrical signal) পরিবর্তন করে। একটি সেন্সর হতে পারে একটি কার্বন ইলেকট্রোড (a signal carbon electrode), একটি আয়ন সংবেদী ইলেকট্রোড (an ion-sensitive electrode), অক্সিজেন ইলেকট্রোড, একটি আলোক কোষ (a photocell) অথবা একটি থার্মিস্টার (Thermistor)। একটি বায়োসেন্সর রিডার ডিভাইসে থাকে ইলেকট্রনিকস বা সিগন্যাল প্রসেসর। এগুলোই প্রাথমিকভাবে পরীক্ষার ফলাফল ব্যবহাকারী বান্ধর উপায়ে দিয়ে থাকে। সুপরিচিত একটি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জমজ সম্পর্কে কিছু কথা

আমাদের পৃথিবীটা অনেক বৈচিত্র্যপূর্ণ, এখানে বিভিন্ন প্রকার বিচিত্র ঘটনার যেন অভাব নেই। ঠিক তেমনই একটা বিচিত্র কিন্তু প্রাকৃতিক ঘটনা হল যমজ শিশুর জন্ম। বিচিত্র বলার কারণ এই যে, দুটি শিশু একই সাথে জন্ম নেবে যারা একই রকম দেখতে হবে, একই রকম সুরে কথা বলবে, একে অন্যের পুরোপুরি ক্লোন হবে, এটা আসলেই অনেক মজার একটা ব্যাপার। তাছাড়া বিজ্ঞানীদের কাছেও যমজ শিশু খুব জনপ্রিয় এবং আকর্ষণীয় একটা বিষয় – এ নিয়ে গবেষণার যেন শেষ নেই। যমজ শিশুর জন্ম একটা প্রাকৃতিক ঘটনা, প্রকৃতিতে সবসময়ই সব প্রাণীর ক্ষেত্রেই এটা ঘটতে দেখা যায়। মানুষের ক্ষেত্রেও এর ব্যতিক্রম নয়, তাই ভাবলাম এটা নিয়ে দু-চার কথা লিখলে কেমন হয়! অনেকেই হয়তো যমজ শিশু সম্পর্কে জানেন, অনেকেই হয়তো জানেননা অথবা আমার মতো অল্প-স্বল্প জানা পণ্ডিত ব্যাকটি, তবুও সবার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ডিএনএ সম্পর্কিত কিছু কথা

ডি এন এ ( Deoxyribonucleic acid) মূলত অক্সিজেন, কারবন, নাইট্রোজেন, এবং হাইড্রোজেন এর দ্বারা গঠিত মাইক্রোমলিকিউল। এটি একটি নিউক্লিক এসিড যার মাঝে বংশ বিস্তার এবং জীবের বেড়ে ওঠা এবং তার সম্পর্কে যাবতীয় সকল তথ্য (জেনেটিক  ইনফরমেশন) এনকোডেড থাকে। এর গঠন সাধারণত এর বেস পেয়ার মলিকিউলের চেইন হয়ে থাকে । যখন বাবা মায়ের ডিম্বাণু এবং শুক্রাণুর সংমিশ্রণ হয় , তখন দুটোর মিশ্রণে বাচ্চার প্রথম ডি এন এ তৈরি হয়, যা থেকে ধীরে ধীরে কোষ বিভাজনের সময় আরও ডি এন এ তৈরি হতে থাকে, ডি এন এ যে কোন সেল এর নিউক্লিয়াস এর মাঝে কন্ডেন্সেড এবং সামান্য পরিমাণে মাইটোকন্ড্রিয়া এবং ক্লোরোপ্লাস্ট এর মাঝে থাকে। যে কেন জীবের প্রায় সকল ডি এন এ একি হয়ে থাকে। যেমন যেকোনো পদার্থের সব এটম এক হয়ে…
বিস্তারিত পড়ুন ...