সাম্প্রতিক জিকা ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব এবং সম্ভাব্য বিপদ

এবোলা ভাইরাসের বাতাস ঘুরতে না ঘুরতেই নতুন এক ভাইরাসের আবির্ভাব, জিকা ভাইরাস (ZIKV)। নতুন করে আবির্ভাব ঠিক নয় বরং প্রাদুর্ভাব বেড়েছে হটাৎ করেই। সাম্প্রতিক সময়ে এই ভাইরাস আলোচনার শীর্ষে কারন জিকা ভাইরাস আক্রমনের এক ভয়ঙ্কর দিক উন্মোচিত হয়েছে। সর্বপ্রথম ১৯৪৭ সালে উগান্ডায় অবস্থিত জিকা বনে রেসাস বানরদের মধ্যে এই ভাইরাস দেখা যায় (বনের নামেই নামকরণ)। এই সূত্রধরে কয়েক বছর বাদে ১৯৫২ সালে উগান্ডার মানুষের মধ্যেও এটি ধরা পড়ে। এরপর বিভিন্ন সময় এটাকে আফ্রিকা, আমেরিকা এবং এশিয়াতে দেখা যায় কিন্তু ততটা বিপজ্জনক নয় বলে অতটা ভাবা হয়নি। হঠাত করেই ২০১৪ সালের দিকে এটা প্রশান্ত মহাসাগর হয়ে ফ্রেঞ্চ পলিনেশিয়াতে ছড়িয়ে পড়ে, সেখান থেকেই পরবর্তিতে ইস্টার আইল্যান্ড এবং ২০১৫ সালে মেক্সিকোসহ আমেরিকার বিভিন্নাঞ্চলে প্যান্ডেমিক আকার ধারন করে। অতি সম্প্রতি (মে ২০১৫) ব্রাজিলে এর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কোষীয় বিবর্তনে এন্ডোসিম্বায়োসিস

কোষ জীবদেহের একটা অপরিহার্য উপাদান এবং জীবদেহ গঠনের ক্ষুদ্রতম একক। বর্তমান পৃথিবীর সকল জীবই এক প্রকার কোষ থেকে বিবর্তন (Evolution) প্রক্রিয়ায় আজকের অবস্থায় এসে পৌঁছেছে। এজন্য পৃথিবীর সকল প্রাণী বা উদ্ভিদ কোষ দ্বারা গঠিত। যদিও উদ্ভিদ বা প্রাণীর ক্ষেত্রে এই কোষের প্রকৃতি ভিন্ন আবার এককোষী এবং বহুকোষী প্রাণীদের ক্ষেত্রেও কোষের গঠন ভিন্ন। তাহলে এখানে প্রশ্ন থাকে যে যদি এক ধরনের কোষ থেকেই পৃথিবীর সকল জীবের উদ্ভব হয় তাহলে জীবের ধরনভেদে কোষের এই ভিন্নতা কেন! সত্যি বলতে এইসব প্রশ্নের অতি উত্তম ব্যাখ্যা থাকলেও সেটা দিতে গেলে আমাকে বেশ কয়েকটি বই লিখে ফেলতে হবে যা আপাতত করা যাচ্ছেনা। এই লেখাতে আমি কোষীয় বিবর্তনের একটা অতি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ নিয়ে আলোচনা করবো, অর্থাৎ একটা সাধারন আদিকোষ থেকে কিভাবে অপেক্ষাকৃত জটিল কোষের উদ্ভব হলো সেটা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জীন থেরাপি – চিকিৎসা বিজ্ঞানের শেষ অধ্যায়

কাউকে যদি জিজ্ঞাসা করা হয় যে তার কাছে সবথেকে মূল্যবান জিনিস কি, সে যদি নিতান্তই বোকা না হয়ে থাকে তাহলে বলবে যে তার “জীবন”। এটাই মনে হয় জীবনের সবথেকে গুরুত্বপূর্ণ সংজ্ঞা। সৃষ্টির শুরু থেকেই মানুষ ভেবে এসেছে যে কিভাবে সে এই প্রকৃতিতে বেশি দিন টিকে থাকবে, ভালভাবে টিকে থাকবে, বেশি দিন বেঁচে থাকবে। শুধু মানুষই নয়, আসলে এটাই যেন প্রতিটা জীবের চিরন্তন আশা-আকাঙ্ক্ষা। এর প্রধান কারণ সম্ভবত, আপাত দৃষ্টিতে প্রকৃতি কাওকেই অফুরন্ত সময় দেয়নি বেঁচে থাকার জন্য। তাতে আবার বিভিন্ন প্রকার রোগ-বালাই প্রকৃতির এই কাজটা আরও সহজ করে দিচ্ছে যেন দিন কে দিন। যত দিন যাচ্ছে, ততই বিভিন্ন প্রকার রোগের উদ্ভব হচ্ছে এবং সবথেকে কঠিন সত্য হচ্ছে রোগগুলো আরও কঠিনতর হচ্ছে। ভাবটা এমন যেন, রোগেরও যেন ঘিলু (Brain) জিনিসটা আছে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্লোনিং – জৈবপ্রযুক্তির এক অভিনব শিল্প

ক্লোন এবং ক্লোনিং কি? আমরা যারা বায়োলজিতে পড়ি অথবা যারা হলিউড প্রেমী তারা হয়তো সবাই কম বেশি ক্লোনিং অথবা ক্লোন শব্দ গুলোর সাথে পরিচিত, তবুও সবার জানার জন্য বলছি, “ক্লোন” শব্দের অর্থ “অনুরূপ প্রতিলিপি” আর ক্লোনিং হলো ক্লোন তৈরির প্রক্রিয়া। একটু ভাল করে বললে, ক্লোনিং হলো অতি অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটা প্রাণীর ক্রোমোজোম বা ডিএনএ (কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের জৈব অ্যাসিড যা একটি জীবের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে –জন্ম, মৃত্যু, চেহারা, আকার-আকৃতি, আচার ব্যবহার, বেড়ে উঠা ইত্যাদি) ব্যবহার করে হুবহু সেই প্রাণীর অনুরূপ আরেকটি প্রাণী করা হয় – যা জেনেটিক এবং ফিনোটাইপিক উভয় দিক থেকেই অনুরূপ হবে।  সোজা কথায় ক্লোনিং হল কোন জিনগত ভাবে কোন কিছুর হুবহু প্রতিলিপি তৈরি করা। বিভিন্ন প্রকার ক্লোনিং…
বিস্তারিত পড়ুন ...