কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে জ্বালানী

একবিংশ শতাব্দীতে পৃথিবীর প্রধান কয়েকটি সংকটের একটা হল বৈশ্বিক উষ্ণতা। যার জন্য মূলত দায়ী করা হয় কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাসকে। নগরায়নের ফলে বিশ্বজুড়ে কলকারখানার সংখ্যা বাড়ার সাথে সাথে সেসব কারখানা থেকে বর্জ্য হিসেবে নির্গত গ্যাসের পরিমান ও বেড়ে চলেছে দিনে দিনে। গত বছরই তেল ও কয়লার মতন জ্বীবাশ্ম জ্বালানী পুড়িয়ে বিশ্বে ৩৮.২ বিলিয়ন টন কার্বন ডাই অক্সাইড গ্যাস উৎপন্ন করা হয়েছে। এর পরিমান যে প্রতি বছর বছর বাড়বে তাতে কোন সন্দেহ নাই। চিত্র ১ : কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে ইথানল প্রস্তুত প্রণালী তাই অনেক বছর ধরেই বিজ্ঞানীরা চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিলেন কার্বন ডাই অক্সাইড থেকে একটা যুগোপযোগি জ্বালানী বানানোর, যার ফলে এই গ্রীন হাউস গ্যাসটা পৃথিবীর তাপমাত্রা বাড়ানোর পরিবর্তে নিজেই ব্যবহার হতে পারে জ্বালানী হিসেবে। সেই উদ্দেশ্যেই আমেরিকার ওক রিজ ন্যাশনাল…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আইনস্টাইনের ভুল

মহাজ্ঞানীর অক্ষমতা মানুষ মাত্রই ভুল করে। সেই ভুল করাদের মধ্যে আছে প্রাইমারী ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চের অমনোযোগী ছাত্র থেকে সর্বকালের সেরা মেধাবী পর্যন্ত। ইতিহাসের অসীম মেধাবী বলতে আমরা এক একজন সফল বিজ্ঞানীকে বুঝে থাকলেও এই বিজ্ঞানীরাই তাদের এক একটা সূত্র আবিষ্কার করতে শুধু পরিশ্রমই করেন নি সেটা প্রমানের পথে করেছেন অসংখ্য ভুল। আবিষ্কারক হিসেবে টমাস আলভা এডিসন বানিয়েছেন অনেক অনেক যন্ত্র, কিন্তু বৈদ্যুতিক বাতির একটা কার্যকর সংস্করন বানাবার জন্য তিনি প্রায় এক হাজার বার চেষ্টা করে তবেই  সফল হয়েছিলেন। সফল হওয়ার পর উনাকে যখন প্রশ্ন করা হয় এই হাজার বারের ব্যর্থতার জন্য, উনি অবাক হয়ে বলেছিলেন , “কৈ আমি তো ব্যর্থ হয়নি । বরং ইলেক্ট্রিক বাল্ব কিভাবে বানানো যায়না তার ৯৯৯ টা কায়দা হাতেনাতে দেখিয়েছি।“ আবার বিজ্ঞানী আইন্সটাইনেরও ভুলের সংখ্যা কম…
বিস্তারিত পড়ুন ...