টেকটনিক সক্রিয়তাঃ যার জন্য সবুজ আজকের পৃথিবী

ভূমিকম্প! শব্দটি শুনলেই চট করে কিছুদিন আগে ঘটে যাওয়া নেপালের বিভীষিকার কথা মনে পরে যায়। আমরা যদি আরেকটু অতীতের কথা স্মরণ করি তাহলে ২০১২ সালে ঘটে যাওয়া জাপানের সেই ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প আর সুনামির দৃশ্য চোখের সামনে ভেসে উঠে। কিন্তু ভূমিকম্প কি সুধুই বিভীষিকার আর ধ্বংসের কথা মনে করিয়ে দেয়? আসলেই তাই। তবে, এই ধ্বংস আর পরিবর্তনের কারনেই আজকের এই সুন্দর পৃথিবী। এই ভূমিকম্প আর টেকটনিক সঞ্চালনের কারনেই পৃথিবী এখন সবুজ, এখানে রয়েছে নদি, খাল সমুদ্র আর এতে আছে পানির নির্মল প্রবাহ। আছে আমাদের বায়ুমণ্ডল আর জীববৈচিত্র! এই ভূমিকম্পই আমাদের গ্রহকে উষ্ণ রাখছে আর মূল চালিকা শক্তি হিসেবে চালাচ্ছে আমাদের পুরো পৃথিবীকে। আজ যদি পৃথিবীতে এই টেকটনিক সক্রিয়তা না থাকত যদি কোন ভূমিকম্প সংগঠিত না হত তাহলে আমরা কখনই পৃথিবীতে জীবন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

তুলোর মেঘ ও বঙ্গীয় ব-দ্বীপের গল্প

দিনের নীল আকাশে তাকালেই আমরা দেখতে পাই সুন্দর সুন্দর তুলোর মত মেঘগুলো আকাশে চমৎকারভাবে উড়ে বেড়াচ্ছে। রাতের আকাশেও পূর্ণিমার সময় এমনটা দেখা যায়। মেঘগুলো দেখে আমাদের অনেকের দারুণ লাগে। সেগুলো কখনো বিশাল আকৃতিতে থাকে আবার কখনো একেবারেও কুয়াশার মত হালকা যেন আকাশে উড়ে বেড়ানো তুলোর পাল। কিন্তু কখনো কি আমরা ভেবে দেখেছি যে এই সব তুলোর মত মেঘের পালের কারণেই আজকের এই বাংলাদেশের সৃষ্টি! অনেকের হয়তো এখনই এটা পড়ে চক্ষু চড়কগাছ হয়েছে। কিন্তু আমি মোটেও মিথ্যে বলছি না। এসব মেঘের লক্ষ লক্ষ বছরের বর্ষণে এই বঙ্গ-দেশ বা বঙ্গীয় ব-দ্বীপ। আর কথা না বাড়িয়ে চলুন গল্প করতে করতে সেই সৃষ্টির ইতিহাসটা জেনে আসা যাক। বহু বছর আগেকার কথা। বাংলাদেশের এই জায়গাটায় ছিল কেবলই সমুদ্র। টেকটনিক সঞ্চালন কিছুটা স্থিতিশীলতা পেয়েছে। ভারত আর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

মহাশক্তিশালী থরের সেই হাতুড়ি!

মার্ভেল ইউনিভার্সের মুভিগুলো কে কে দেখেন? এই কথা জিজ্ঞেস করলে সম্ভবত কেউ আর 'না' শব্দটি উচ্চারণ করবে না। অনেকেই আছেন আবার মার্ভেল ইউনিভার্সের কথা বললে একেবারেই পাগল! আর হবেনই না বা কেন? দারুণ দারুণ সব সুপার হিরো আর বিজ্ঞানের চমৎকার ব্যাবহার ছবিগুলোকে যেন আরো বেশি জনপ্রিয়তা পাইয়ে দিয়েছে। তো যাই হোক, আজ আমরা মার্ভেল ইউনিভার্সের এক সুপার হিরোর কথা বলব। যার কথা বলব সে আমার সবথেকে প্রিয়। অনেকেই হয়ত আয়রন ম্যান বা হাল্কের কথা মনে করবেন। আসলে সেটা না। আজ আমরা মহাশক্তিশালী (কমিকস অনুযায়ী) থরের গুণগান গাইব। আসলে মূলত থর না, আমরা কথা বলব থরের সেই বিখ্যাত হাতুড়ি "মিজলনি" নিয়ে।   নর্স মিথোলজি মতে নর্সের গড ছেলের উপর খুশি হয়ে তার ছেলেকে একটা হাতুড়ি উপহার দেয়। এই হাতুড়ি তার ছেলে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

শুরুর কথাঃ বড় বিষয় ছোট গল্প

গল্প বলতে আর শুনতে কার না ভাল লাগে। আর সে গল্প যদি হয় নিজেদের তাহলে তো কোন কথাই নেই। তাহলে চলুন শোনা যাক আমাদের নিজেদের গল্প। একটা বিখ্যাত উক্তি আছে যে, "আমরা সবাই নক্ষত্রের সন্তান"। তাহলে বলা চলে যে আমাদের গল্প মানেই হল নক্ষত্রের গল্প, আমাদের মহাবিশ্বের গল্প। আজ গল্প বলব আমাদের চারপাশের, গল্প বলব আমাদের আবির্ভাব আর সৃষ্টি নিয়ে; আমাদের উদ্ভব নিয়ে। কেমন ছিল শুরুটা? কি ছিল সেখানে? এর আগেই বা কি ছিল আর কিই বা থাকবে এর পরে? এসব প্রশ্নের উত্তর দেয়ার একটা ক্ষুদ্র প্রয়াস; যদিও বেশিরভাগ প্রশ্নের উত্তর এখনো আমাদের আধুনিক বিজ্ঞানের কাছে অজানা! তবুও আপাতত যা জেনেছি তার মধ্যেই আমাদের গল্প সীমাবদ্ধ থাকবে। চলুন শুরু করি বিগ ব্যাং থেকে। এর আগের কথা বলার কিছুই নেই কারন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

মিউটেশনঃ কল্পনা, এক্স-ম্যানের সম্ভাব্যাতা ও বাস্তবতা।

পৃথিবীর সব মানুষই কি একরকম? না, বলতে গেলে কেউই কারো মত নয়। শুধু মানুষের ক্ষেত্রে নয় অন্যান্য প্রাণীদের ক্ষেত্রেও একই কথা প্রযোজ্য। যদিও প্রাণীর ক্ষেত্রে আমরা পার্থক্যটুকু তেমন একটা ধরতে পারি না। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে এই বৈচিত্রটুকু আমরা ঠিকই বুঝতে পারি। আমরা দেখি যে, আমাদের চারপাশের মানুষের আচার-আচরণ, চেহারায় একজনের সাথে অন্যজনের প্রায় মিল নেই। অর্থাৎ মানুষের মধ্যে পার্থক্য বিদ্যমান। কিন্তু প্রশ্ন হলো কেন মানুষের বা অন্যান্য প্রজাতির মধ্যে পার্থক্য দেখা দেয়? অনেকেই অবাক হয়ে বলবেন যে, এ আবার কেমন কথা হলো? একজনের সাথে অন্যজনের মিল কেন থাকবে বরং মিল থাকাটাই তো আশ্চর্য! আসলে ব্যাপারটা সেরকম না। আমরা জানি যে মানুষ সহ অন্যান্য সকল প্রাণী একটি মাত্র ক্ষুদ্র কোষ জাইগোট থেকে বিভাজনের মাধ্যমে পরিণত জীবে রূপ নেয়। এই জাইগোট হল ডিপ্লয়েড অর্থাৎ দুইটা একক…
বিস্তারিত পড়ুন ...

প্রকৃতির গোপন মাত্রাঃ ফ্রাক্টাল রহস্য

প্রকৃতি রহস্য করতে ভালোবাসে। কিন্তু তার সেই রহস্য আমাদের কাছে মাঝে মধ্যেই জটিল মনে হয়। কিন্তু যখন আমরা একটু গভীর ভাবে দেখি তখন বুঝতে পারি যে প্রকৃতি রহস্য পছন্দ করলেও জটিলতায় মোটেও পছন্দ করে না। তার সব কিছুই অনেক সরল-সোজা। তাই বিজ্ঞানীরাও প্রকৃতির সবকিছুকে একটা সহজ তত্ত্ব দিয়ে প্রকাশ করার জন্য খোঁজ করছেন ‘সবকিছুর তত্ত্ব’ বা ‘The theory of everything’. যাই হোক, আজ আমরা আলোচনা করব প্রকৃতির সেই রহস্যময়তার ব্যাপারে কিন্তু সেটা অনেক সহজ রহস্য। আমরা মাঝে মাঝেই প্রকৃতিতে বিভিন্ন প্যাটার্ন খুজে পাই। এর মধ্যে কিছু বিখ্যাত হল গোল্ডেন রেশিও বা সোনালীঅনুপাত আর ফিবোনাক্কি রাশিমালা। এই দুটো বিষয়ই অনেক সহজ। আমাদের আশে পাশের অনেক কিছুতেই দেখা মিলে এই দুই রাশির। কিন্তু সবথেকে সহজ, রহস্যময়, অনন্য আর সুন্দররাশি হল ‘ফ্রাক্টাল’! ফ্রাক্টাল…
বিস্তারিত পড়ুন ...