আমাদের বিজ্ঞান বইঃ তবুও স্বপ্ন দেখি

ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতে ফোর্বস এর একটা আর্টিকেল পেয়ে গেলাম আজ, বিষয় – Dangerous Education in Developing Countries বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিপজ্জনক শিক্ষা। ওরা উন্নয়নশীল/দরিদ্র ২০ টা দেশের স্কুলের শিক্ষা ব্যাবস্থা এর উপর সার্ভে করেছিল একটা। তার একটা জিস্ট সেখানে দিয়েছে। সেখান থেকে কিছুটা অনুবাদ করছি। বিপজ্জনক শিক্ষার তালিকা তৈরি করা হলে যেটি সবার উপরে স্থান করে নিবে, সেই শিক্ষাটি হল, “শিক্ষকরা সব কিছুই জানেন”- এ ধারণাটা শিক্ষার্থীর মনে জাগিয়ে তোলা। শিশুরা মনে করে, শিক্ষকরা খুবই জ্ঞানী এবং তাঁরা মারাত্মক ক্ষমতাধর। এ ধারণার কারণে অনেকেই বিতর্কিত বিষয়গুলো যাচাই করে দেখার মানসিকতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে। বিপজ্জনক শিক্ষার দ্বিতীয় পাঠটা সম্ভবত এই যে একটা সময়ে শিক্ষার্থী মনে মনে ধরেই নেয়- “স্কুলের পড়া শেষ জীবনের শেখার পালাও শেষ”। এর ক্ষতিকারক প্রভাব হলো, এ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জ্বর কেন হয়?

বেশ তো আছেন! খেলাধুলা, লাফ-ঝাঁপ সব চলছে! কিন্তু, হঠাৎ একদিন দেখা গেল, গা গরম, মাথাটাও একটু ব্যাথা ব্যাথা করছে। সবাই বলল, আপনার জ্বর হয়েছে! অর্থাৎ, আপনার দেহের তাপমাত্রা যেখানে থাকা উচিত ৯৭ থেকে ৯৮.৪ ডিগ্রী ফারেনহাইট, তার থেকে বেড়ে গেছে। থার্মোমিটার ও একই কথা জানালো। বুঝলাম, আপনার দেহের তাপমাত্রা বেড়ে গেছে, আপনার জ্বর হয়েছে। এখন প্রশ্ন হল, এই জ্বর কেন হয়??? জ্বর মানে হল, দেহের তাপমাত্রা স্বাভাবিকের চেয়ে বেরে যাওয়া। আর দেহের তাপমাত্রা বৃদ্ধি মানে হল, দেহে পাইরোজেন(Pyrogens) উৎপন্ন হয়েছে। আবার প্রশ্ন, পাইরোজেন কি? পাইরোজেনকে বলা হয় Thermostavle Bacterial Toxin, মানে তাপজীবাণুঘটিত বিষ। এই বিষ শরীরের যেসব কলকব্জাগুলো তাপমাত্রা স্বাভাবিক রাখে তাদের বিকল করে দেয়, আর অমনি আমাদের পাইরেকশিয়া দেখা দেয়। রোগ নিরুপিত হবার আগ পর্যন্ত জ্বরকে ডাক্তারী ভাষায় বলা…
বিস্তারিত পড়ুন ...