ডার্ক ম্যাটার তৈরি হতে পারে মানবকোষের মত বড় অতিভারী কণা দিয়ে

সাধারণত যখন কোনো নতুন কণা আবিষ্কৃত হয় বা কণার অস্তিত্ব অনুমান করা হয়, সে কণাটি এত ক্ষুদ্র বিবেচনা করা হয় যে আকার কল্পনা করাই দুষ্কর হয়ে থাকে। সর্বশেষ গবেষণা ডার্ক ম্যাটারের সাথে কণার আকারের ধারণা বদলে দিয়েছে। গবেষকরা প্রস্তাব(hypothesis) করেছেন যে, ডার্ক ম্যাটার যে কণা দিয়ে তৈরি তা মানবকোষের এক তৃতীয়াংশ পরিমাণ ভরের হতে পারে। আর একই সাথে যথেষ্ট ঘন যেন ছোট ব্ল্যাক হোল তৈরী হয়ে যায়। উল্লেখ্য, ডার্ক ম্যাটার আমরা দেখতে পাই না, কিন্তু স্পষ্টত এর প্রমাণ রয়ে গেছে প্রকৃতিতে। যদিও ডার্ক ম্যাটার মহাবিশ্বের মোট পদার্থের প্রায় পাঁচ-ষষ্ঠাংশ তবুও সত্যিকার অর্থেই আমরা জানি না ডার্ক ম্যাটার কী? কী দিয়ে তৈরি? দেখতেই বা কেমন আর কিভাবে কাজ করে? পুরো বিষয়টা অন্ধকারে বলেই নাম ডার্ক ম্যাটার। এমন রহস্যজনক বৈশিষ্ট্য সত্ত্বেও বিজ্ঞানীরা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

হাইপেশিয়া

আলেকজান্দ্রিয়ার সর্বশেষ নামকরা যে গণিতবিদ ছিলেন তিনি একজন নারী! বেশ একটা অবাক করা তথ্য! কারণ যে সময়টার কথা বলছি তখন নারী শিক্ষার কল্পনা করার ব্যাপারটা সমাজ আর শাসনতন্ত্রের সাথে যায় না। নাম হাইপেশিয়া। জন্ম আনুমানিক ৩৭০খ্রিস্টাব্দ। বাবার নাম থিওন। হাইপেশিয়ার মায়ের কথা জানা যায় না। ইতিহাস হাইপেশিয়াকে হাইপেশিয়া হিসেবে গড়ে তুলতে তাঁর বাবার অবদানের জন্য থিওনকে ধরে রাখতে পেরেছে। হাইপেশিয়াকে বলা হয় প্রথম নারী গণিতবিদ যার ব্যাপারে ইতিহাসবিদগণ গভীরভাবে জানতে পেরেছেন। হাইপেশিয়ার বাবা ছিলেন আলেকজান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিতের অধ্যাপক এবং অবশ্যই একজন মুক্তমনা ব্যক্তিত্ব। পরবর্তীতে তিনি আলেকজান্দ্রিয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যক্ষ পদে আসীন হন। হাইপেশিয়া তাঁর বাবার ছায়ায় বেড়ে উঠেছিলেন একটা শিক্ষাসুলভ, প্রশ্নাতুর, কৌতূহলউদ্দীপক আর আবিষ্কারমুখর আবহাওয়ায়। সেই আবহাওয়ায় পড়ে তাঁর মাঝে জ্ঞানবিজ্ঞান, দর্শনচিন্তা, মুক্তবুদ্ধির চর্চাগুলো গড়ে উঠেছিল। চোখের সামনে ধরা দিতে লাগল যুক্তির অপার সৌন্দর্যের জগত। গণিত আর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

যে রাজপুত্র নন রাজার ছেলে

পুরো নাম ইয়োহান কার্ল ফ্রিডরিখ গাউস । জন্ম : ৩০ এপ্রিল ১৭৭৭, জার্মানির ব্রাউনশভিগে । সাধারণ এক পরিবারেই জন্ম হয় এই অসামান্য প্রতিভাবানের। অনেকের বিচারে সর্বকালের সেরা গনিতবিদও। গণিতে তাঁর প্রতিভা আর অবদানই তাঁকে করেছে ‘Prince of Mathematics’ ...   গাউসের প্রতিভা বেশ ছোটবেলাতেই আঁচ করা গিয়েছিল। মাত্র তিন বছর বয়সে ছোট্ট গাউস তাঁর বাবার হিসাবের খাতার ভুল ধরে ফেলেন! প্রখর বুদ্ধিমত্তা সম্পন্ন শিশুব্যক্তিত্বকে ইংরেজিতে বলে prodigy. গাউসও ছোটবেলায় দেখিয়ে দিয়েছিলেন তিনি কী জিনিস! গাউসের সম্পর্কে সর্বাধিক প্রচলিত গল্পটি এরকম : একদা তাঁর শিক্ষক গাউসকে ব্যস্ত রাখতে ১ থেকে ১০০ পর্যন্ত সংখ্যাগুলো যোগ করে ফল বের করতে বললেন। কিন্তু গাউস শিক্ষককে অবাক করে দেন প্রায় তাত্‍ক্ষণিকভাবে যোগফল বলে দিয়ে। ১+১০০ , ২+৯৯ ,৩+৯৮ ... এরকম ফর্মেটের ৫০টা ১০১ কল্পনা করে…
বিস্তারিত পড়ুন ...