অনুজীবের সুলতানি আমল (পর্ব এক)

সে অনেকদিন আগের কথা। আমাদের পৃথিবী নামের গ্রহটি তখনও টগবগে তরুণ। ক্যালেন্ডারের পাতা ধরে পিছিয়ে গেলে আমরা আজ সাড়ে চার বিলিয়ন বছর আগের গল্প বলছি। সাড়ে চার বিলিয়ন মানে ৪,৫০০,০০০,০০০ বছর ! সবচেয়ে পুরানো যে ক্রিস্টালটি পাওয়া গিয়েছে অদ্যবধি তার বয়স কম করে হলেও ৪.৩ বিলিয়ন বছর যা হচ্ছে আসলে এক ধরনের জিরকন ক্রিস্টাল (ZrSiO4 )। শুরুর সময়টায় পৃথিবী অত্যন্ত উত্তপ্ত ছিল আর প্রায়শই নানা গ্রহানু এসে আঘাত করত একে। ধীরে ধীরে এক সময় পৃথিবী ঠান্ডা আর সুস্থির হতে থাকে, আর প্রাণ সঞ্চারের উপযুক্ত পরিবেশ তৈরী হতে থাকে।   আজ হতে প্রায় ৩.৮ বিলিয়ন বছর আগে প্রথম আদিকোষীয় প্রাণের প্রমান পাওয়া যায় যা কিনা ছিল মূলত ব্যাকটেরিয়া আর আর্কিয়া। বলে রাখা ভালো তখনও কিন্তু পৃথিবীতে তেমন অক্সিজেনের উপস্থিতি ছিল না।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্রিস্পার- জীন থেরাপির আশির্বাদ নাকি মানবতার নতুন শত্রু?

এক্স ম্যান মুভি দেখেনি এমন মানুষ খুব কমই! কেমন হত যদি পর্দার সেই এক্স ম্যানরা আমাদের বাস্তব জগতে এসে ঘুরে বেড়াত!! সেই মিউটেন্ট ম্যান তৈরি হওয়া মনে হয় আর খুব দূরে না  !! !! !! সেপ্টেম্বর ১৪, ১৯৯০ মানব ইতিহাসের এক নতুন অভ্যুদয় বললে ভুল হবে না দিনটিকে। Ashi DeSilva নামে এক রোগী সর্বপ্রথম ADA-SCID রোগ থেকে মুক্তি লাভ করেন। এই রোগটি মূলত দেহে এডেনোসাইন ডিএমিনেজ নামক এনজাইমের অভাবে হয়ে থাকে যার ফলশ্রুতিতে দেহের রোগ প্রতিরোধ ব্যাবস্থা ক্ষতিগ্রস্থ হয়। Ashi DeSilva –র চিকিৎসা হয়েছিল জীন থেরাপির মাধ্যমেই। তারই পদাংক অনুসরণ করে ১৯৯৬ সালে প্রথম ভ্রুণ কোষে জীন থেরাপী প্রয়োগ করা হয়। জুলাই ২১, ১৯৯৭ তারিখে একটি শিশু জন্ম গ্রহণ করে যার ভ্রূণের কোষে একজন দাতার ডিম্বাণু প্রবেশ করানো হয়েছিল(মাইটোকন্ড্রিয়া সহ)…
বিস্তারিত পড়ুন ...

সিদ্ধান্তের ইতিবৃত্তঃ মস্তিষ্কের গোলোকধাঁধায়

দুপুরে ভাত খেতে গিয়ে আপনি হঠাৎ খেয়াল করলেন একটা পোকা আপনার প্লেটের চারপাশে ভনভন করছে। পোকাটির গায়ের রঙ এবং গতি উভয়ই আপনার প্রতিক্রিয়া নির্ধারন করতে পারে, পোকাটিকে আপনি মারবেন নাকি প্লেট ছেড়ে লাফ দিয়ে উঠে পরবেন! এখন যদি পোকাটি কালো আর হলুদ রংয়ের হয় আপনি বুঝে নিবেন যে এটা একটা মৌমাছি হতে পারে। মৌমাছি যেহেতু কামড় দিতে পারে আপনি প্রতিবর্তী ক্রিয়ার কারণে তাই হয়তো লাফ দিয়ে সরে দাঁড়াবেন অথবা হয়তো আপনি পোকার ভনভনানিতে বিরক্ত হয়ে ফু দিয়ে কিংবা কিছু দিয়ে বাড়ি দিয়ে পোকাটি দূরে সরাবেন। আপনি রঙ এবং গতি উভয় সম্পর্কেই সঠিক এবং একই ধারনা পাওয়া সত্ত্বেও পরিস্থিতির ভিন্নতায় আপনার প্রতিবর্তী ক্রিয়াও ভিন্ন হয়ে গেলো। আমাদের মস্তিষ্ক এমন প্রাসংগিক সিদ্ধান্ত নিতে মাত্র একটা হৃদস্পন্দনের সময় ব্যায় করে। রহস্য এখানেই! কিভাবে?…
বিস্তারিত পড়ুন ...

সময় সুড়ঙ্গের নতুন দ্বার

অসম্ভব কে সম্ভব করাই নাকি অনন্ত জলিলের কাজ। কিন্তু এইবার সেই অসম্ভব কেই সম্ভব করে দিলেন দুই বিজ্ঞানি Tippett (astrophysicist) এবং Tsang (Theoretical physicist)। Doctop Who প্রোগ্রাম টি যারা দেখেছে তারা হয়্ত জানেন যে প্রোগ্রামটি তে একটা টাইম মেশিন তৈরি করে Doctor যিনি কিনা আসলে অন্য এক গ্রহ Gallifreyan এর বাসিন্দা, Gallifreyander কে সময়ের প্রভু বলা যায়. তাদের technology আমাদের চাইতে অনেক এগিয়ে থাকে। Doctor TARDIS নামের একটা টাইম মেশিনে করে সময়ের মাঝে ছুটে বেড়াতেন. কেউ যদি এখন Britain এ গিয়ে খোঁজ করে Doctorএর টাইম মেশিন দেখতে পাবেন যা কিনা একটা পুলিশ বক্স এর আদলে এখনো ঠাঁয় দাড়িয়ে আছে। Doctor Who এর টাইম মেশিন বা বাস্তবিক এ সমভব বলে ইংগিত দিলেন এই দুই বিজ্ঞানি তাদের সম্প্রতি প্রকাশিত গবেষনা পত্রে। তাদের…
বিস্তারিত পড়ুন ...