চিকিৎসাবিজ্ঞানের বহুল আলোচিত দশ

রফিকুল ইসলাম   রক্ষক কোষ তৈরিতে ক্লোনিং বিজ্ঞানীদের আবিষ্কৃত এই ক্লোনিং মানব ক্লোনিং না হলেও অনেকটা কাছাকাছি। এটি ক্লোনিং প্রাণী ডলি তৈরির সাথে সম্পরক্রিত। কোন দৈহিক কোষ গ্রহণ করে তার ডি.এন.এর পরিবর্তন ঘটিয়ে এটি সম্ভব হয়েছিল। আর এই পদ্ধতির নাম সোমাটিক সেল নিউক্লিয়ার ট্র্যান্সফার। এ বছর অক্টোবর মাসে নিউইয়র্ক স্তেম(stem) ফাউনডেশনের  বিজ্ঞানীরা এমন একটি মানব ক্লোন মডেল উন্মোচন করেছেন। যা মূলত স্তেম(stem) সেল হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। এটি দাতার সাথে সম্পর্ক না রেখেও স্কাইনকর্ড ও পেশির চিকিৎসায় সফলতা আনবে। ম্যালেরিয়া রোগের টিকা এডিস মশার কামড়ে সৃষ্ট ম্যালেরিয়া একটি মারাত্মক রোগ। প্রতি বছর এই রোগে আক্রান্ত হচ্ছে লক্ষ লক্ষ মানুষ। আশার বানী হচ্ছে বিজ্ঞানীরা সম্প্রতি এই রোগের টিকা আবিষ্কার করেছেন। এর ব্যবহার সুদূরপ্রসারী না হলেও সফলতা আশানুরূপ। সাহারান আফ্রিকাতে এই টিকা ব্যাবহারে ম্যালেরিয়া রোগীর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

উদ্ভিদ বিজ্ঞানের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস

নতুন নতুন জ্ঞান লাভ, বিশ্লেষণ এবং তা থেকে প্রাপ্ত ফলাফল অনুযায়ী সিদ্ধান্ত গ্রহণ মানুষের স্বভাবজাত বৈশিষ্ট্য। আর একারণেই মানুষ বুদ্ধিবৃত্তিক উন্নত প্রজাতির প্রাণী। অন্য প্রাণী থেকে মানুষের পার্থক্য এখানেই যে এদের রয়েছে উন্নত মস্তিষ্ক। ফলে মানুষ সৃষ্টিলগ্ন থেকে বিভিন্ন বিষয় নিয়ে চিন্তা করেছে, নিজেদের জন্য সুবিধাজনক বিষয় গ্রহণ করেছে। আফ্রিকা থেকে মানুষের আজকের এই সমাজে আবির্ভাব কোন অলৌকিক ঘটনা নয়। এটাও মানুষের উন্নত মস্তিষ্কের কর্মক্ষমতার ফসল। প্রাচীনকাল থেকে মানুষের বিভিন্ন বিষয় জানার আগ্রহ ছিল। প্রথম দিকে প্রতিদিনের নিত্যপ্রয়োজনীয় বিষয়গুলোর প্রতি তাদের সর্বাধিক দৃষ্টি ছিল। মানুষ প্রাচীনকাল থেকে আজ পর্যন্ত যে বিষয়গুলো নিয়ে ভাবতে গিয়ে মস্কিষ্ককে অধিক ক্ষয় করেছে তার একটি হল উদ্ভিদ সম্পর্কিত জ্ঞান। আর এর প্রধান কারণ মানুষের দৈনন্দিন জীবনে উদ্ভিদের প্রয়োজনীয়তা। প্রাচীনকালে মানুষের বসবাসের জন্য আজকের মত বাড়িঘর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্যান্সারের বিবর্তন রহস্য উন্মোচন

ক্যান্সারের বিবর্তন ও ক্যান্সার চিকিৎসায় পদার্থবিজ্ঞানের সম্পর্ক নিয়ে ফিজিক্স ওয়ার্ল্ডে প্রকাশিত পল ডেভিসের লেখনীর বাংলা বঙ্গানুবাদ। অনুবাদঃ মোঃ রফিকুল ইসলাম পল ডেভিসের মতে ক্যান্সার একটি প্রাচীন ব্যাধি যা সর্বপ্রথম  বিলিয়ন বছর পূর্বে বহুকোষী জীবে দেখা যায়। একজন পদার্থবিদের কাছে জীবন অনেকটা জাদুবিদ্যার মত। জীবিত কোষের জটিল সব কার্যপদ্ধতি দেখে একজন পদার্থবিদ স্বভাবতই অবাক হন। যদিও কিছু জৈবিক পদ্ধতি গণনানির্ভর। এর মধ্যে অন্যতম ডিম্বকের বৃদ্ধি। ক্যান্সারের ক্ষেত্রেও ঠিক এমনটাই ঘটে। ক্যান্সারের উৎপত্তি ও বৃদ্ধির ধরণ সকল রোগীর ক্ষেত্রে এক নয় অর্থাৎ একজনের ক্ষেত্রে যেমনটা ঘটবে অন্যদের ক্ষেত্রে তা নাও ঘটতে পারে। পদার্থবিজ্ঞানের কোন একটি ঘটনা যখন একটি নিয়ম বা সুত্র মেনে চলে তখন একজন পদার্থবিদ এই ঘটনার অভ্যান্তরীণ কারণ  অন্বেষণ করেন। ২০০৯ সালে  যুক্তরাষ্ট্রের ন্যাশনাল ক্যান্সার ইন্সটিটিউট  বারটি পদার্থবিজ্ঞান ও টিউমার গবেষণা…
বিস্তারিত পড়ুন ...