গ্র্যাভিটেশনাল লেন্সিং

মানুষের ইতিহাসের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলোর জন্ম দিয়েছে জ্যোতির্বিজ্ঞান। মহাবিশ্ব কী দিয়ে গঠিত, কীভাবে গঠিত হয়েছিল, এর সত্যিকার বয়স কত, এর ভবিষ্যৎ কী, কেনইবা মহাবিশ্ব দেখতে এরকম ইত্যাদি দার্শনিকসুলভ প্রশ্নগুলো জ্যোতির্বিজ্ঞানের চর্চার ফলেই জন্ম নিয়েছে এবং উত্তর পেয়েছে। হাজার হাজার বছর ধরে মানুষ এই ধরনের প্রশ্ন করে আসছে কিন্তু কেবলমাত্র গত শতকে আমাদের শক্তিশালী টেলিস্কোপ, কম্পিউটিং দক্ষতা ও নিরলস গবেষণা এই প্রশ্নগুলোর গ্রহণযোগ্য উত্তরের কাছাকাছি নিয়ে এসেছে। মহাবিশ্ব সম্পর্কে আমাদের বর্তমান উপলব্ধি নিচের পাই-চার্টটির মাধ্যমে প্রকাশ করা যেতে পারে। এই চার্টটি সমগ্র মহাবিশ্বের সম্পূর্ণ ভর-শক্তিকে প্রকাশ করছে। আইনস্টাইনের ভর-শক্তি উপপাদ্য থেকে জানা যায়, ভর ও শক্তি উভয়ে আসলে একই। এই হিসেবে ভর মূলত কোনো বস্তুর অভ্যন্তরীণ শক্তিকেই প্রকাশ করে। যে সকল নিয়মিত ও স্বাভাবিক বস্তু দিয়ে এই মহাবিশ্ব অর্থাৎ ছায়াপথ, গ্রহ,…
বিস্তারিত পড়ুন ...

টিকা কিভাবে কাজ করে

বর্তমান সময়ের বিজ্ঞানের এক বিস্ময়কর আবিস্কার হলো টিকা বা vaccine. টিকা আমাদের শরীরের প্রাকৃতিক রোগ-প্রতিরোধ (immune system) ব্যবস্থার সাথে একসাথে কাজ করে অনেক ভয়ঙ্কর ও জীবনঘাতী রোগ-সংক্রমণের বিরুদ্ধে কার্যকরী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তুলতে আমাদেরকে সয়হাতা করেছে এবং করছে। এ লেখায় ব্যাখ্যা করা হবে কিভাবে আমাদের দেহ বিভিন্ন রোগ সংক্রমণের বিরুদ্ধে লড়াই করে এবং কিভাবে টিকা এ লড়াইয়ে আমাদেরকে শক্তিশালী ও কার্যকরী নিরাপত্তা প্রদান করে। আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থা— টিকার কার্যপদ্ধতি বোঝার জন্য আমাদেরকে আগে জানতে হবে কিভাবে আমাদের শরীর বিভিন্ন অসুখের বিরুদ্ধে লড়াই করে। যখন কোনো জীবাণু যেমন ব্যাকটেরিয়া অথবা ভাইরাস আমাদের শরীরে প্রবেশ করে, তখন সেই জীবাণু আমাদের দেহের স্বাভাবিক কার্যক্রমের উপর আক্রমন চালায় এবং একই সাথে নিজেদের সংখ্যাবৃদ্ধি করে যেতে থাকে। এই ধরণের বহিরাক্রমণের ঘটনাকে বলা হয় সংক্রমণ (infection) এবং এই সংক্রমণ আমাদের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এলোমেলো কথা- পাই

মাত্রই গেলো পাই দিবস। তাই পাই নিয়ে কিছু একটা লেখার খায়েশ জাগলো মনে। পাই এর মান যে ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৮.......... এটা সবারই জানা। এটা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আর তাই আমার এই লেখাটায় আমি বরং পাই এর ইতিহাস আর এর প্রচলন নিয়ে আলোচনাটাকেই বেশি গুরুত্ব দিবো। পাই (ইংরেজীতে Pi) এর মানটা এসেছে একটি বিশেষ অনুপাত (২২/৭) থেকে আর এই অনুপাতটা হলো বৃত্তের পরিধি আর ব্যাস এর অনুপাত। সৃষ্টির শুরু থেকেই বৃত্তের পরিধি আর ব্যাস এর এই সার্বজনীন ধ্রুব(universal constant) অনুপাতটা প্রকৃতিতে বজায় ছিল, শুধু অপেক্ষাটা ছিল এই অনুপাতটার আবিষ্কার হবার। আমি এখানে সেই আবিষ্কার হওয়ার ঘটনা গুলোকেই সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করবো। 3.1415926535897932384626433832795028841971693993751058................................... ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে দেখা যায় এই ধ্রুব অনুপাতটা প্রথম মানুষের নজরে আসে আনুমানিক ২৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। গিজার পিরামিড…
বিস্তারিত পড়ুন ...