কিছু অদ্ভুত প্রাণীর কথা

আমাদের চারপাশে রয়েছে অনেক প্রাণী। তাদের মাঝে কিছু কিছু প্রাণীর আছে যাদের স্বভাব ভিন্ন রকমের। যার কারণে এদের নামের মাঝেও আছে এমন ভিন্নতা। এদের ভিন্নতার কারণেই এত বিচিত্র আমাদের এই প্রাণী জগত। এমন কিছু অদ্ভুত প্রাণীদের সম্পর্কে আজকে তাহলে কিছু জেনে নেয়া যাক। বেলুন মাছ (Puffer fish) এরা ডায়োডোনটিডি পরিবারের অন্তর্ভুক্ত। দেহের মধ্যে পানি ঢুকিয়ে দেহকে বেলুনের মতো ফুলিয়ে ফেলতে পারে বলেই এদের "বেলুন মাছ" নামে ডাকা করা হয়। বসবাসঃ সর্বাধিক বেলুন মাছ ক্রান্তীয় এবং এর আশেপাশের সমুদ্রের পানিতে পাওয়া যায়। সমুদ্রের লোনা পানির পাশাপাশি কিছু প্রজাতি স্বাদু পানিতেও বাস করতে পারে। সামুদ্রিক মাছ হওয়া সত্ত্বেও এদের মাঝে যারা মিঠা পানিতেও বাস করে, তাঁরা বাংলাদেশে স্থানীয়ভাবে পটকা মাছ,ফোটকা মাছ বা টেপা মাছ হিসেবে পরিচিত। খাদ্যঃ বেলুন মাছ সাধারণত অমেরুদন্ডী প্রাণী…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আইজ্যাক আসিমভের “বিগিনিংস”

২০১৫ বইমেলার বই। ইদানিং অনেক ভাল ভাল বই অনুবাদ হচ্ছে। এদের তালিকায় এই বইটিও আছে। দারুণ লেগেছে বইটি। আইজ্যাক আসিমভের লেখা বই কেমন হবে তা আর এখন কাওকে বলে দিতে হয় না। লেখক হিসেবে তার নামের আগে এখন আর কোনো বিশেষণ ব্যবহার না করলেও চলে। তার নামটাই একটা বিশেষণ। "বিগিনিংস" নামের বইটা দৈবভাবে বইয়ের দোকানে ঘুরতে গিয়ে কিনে ফেলেছিলাম। দোকানী জানে আমি বিজ্ঞান পছন্দ করি, তাই এই বইটা সাজেস্ট করলো। প্রকাশনীর নাম দেখে মনে হল একদমই বাজে বই। কারণ এই প্রকাশনী থেকে একবারে ৫ টা বিজ্ঞানের বই কিনেছিলাম, আলী ইমামের। রাখঢাক না রেখে সত্য কথা বলতে গেলে বলতে হবে আলী ইমামের সবকটা বইই ফালতু হয়েছে। টাকাগুলোই লস। এই আফসোস থেকে আসিমভের অনুবাদ ভাল হবে না বলে মনে করেছিলাম। তার উপর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আফ্রিকার বিড়াল [African Cats – 2011]

প্রাণী প্রকৃতি পরিবেশের উপর তথ্যচিত্র দেখতে কার না ভাল লাগে? তেমনই একটি অসাধারণ তথ্যচিত্র African Cats দেখে ফেললাম। ২০১১ সালের আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবসকে উপলক্ষ করে  ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিও এই ডকুমেন্টারিটি রিলিজ দেয়। এসব প্রকৃতি সংশ্লিষ্ট ডকুমেন্টারি তৈরির জন্য ডিজনির[১] স্বতন্ত্র একটি শাখা আছে Disneynature নামে এরই আওতায় Oceans, Earth, Chimpanzee, Bears নামের ডকু ফিল্মগুলো মুক্তি পেয়েছে। বলা বাহুল্য প্রত্যেকটিই অসাধারণ। বরাবরের মতো African Cats ও অসাধারণ হয়েছে। Cat বলতে এখানে শুধু বিড়ালকে বুঝানো হয়নি। বিড়াল জাতীয় প্রাণী বাঘ ও সিংহকে বুঝানো হয়েছে। মূলত ডকুটি বাঘ ও সিংহের জীবনধারণ, চলাফেরা, যুদ্ধ, সংগ্রাম ইত্যাদি নিয়ে তৈরি হয়েছে। একদল বাঘ শাবক আর একদল সিংহ শাবকের ছোটবেলাকার গল্প এবং তার পটভূমিতে আশেপাশের সকল ঘটনা চরিত্রকেও চিত্রায়িত করা হয়েছে। আঁকারে ছোট (দেড় ঘণ্টা)…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভালুকদের নিয়ে দেড় ঘন্টা [Bears-2014]

ওয়াল্ট ডিজনির তৈরি ডকুমেন্টারিগুলো অসাধারণ হয়ে থাকে। প্রতি বছর একটি করে ডকুমেন্টারি রিলিজ দেয় তাঁরা। রিলিজ হয় আর্থ ডে বা ধরিত্রী দিবসে। ধরিত্রী দিবসে মুক্তি পাওয়া এসব ডকু ফিল্মগুলো যেন পৃথিবীর প্রতি এক অকৃত্রিম ভালোবাসার প্রতিনিধিত্ব করে। প্রতিটা ডকু ফিল্ম একটি নির্দিষ্ট বিষয়ের উপর হয়ে থাকে। ২০১১ সালের বিষয় ছিল African Cat. (আফ্রিকার বাঘ ও সিংহ। বাঘ ও সিংহ মূলত বিড়াল শ্রেণীর প্রাণী)। ২০১২ তে ছিল শিম্পাঞ্জী। ২০১৪ সালের বিষয় ছিল ‘ভালুক’। Bear- 2014 তে একজোড়া ভালুকের ছোটবেলাকার জীবন, তাদের বেড়ে ওঠার কয়েক বছরকে চিত্রায়িত করা হয়েছে। পরিচালক মুভিটি শুরুই করেছেন এমন একটি মুহূর্তে যখন একটি মা ভালুক সদ্য দুটি ভালুক ছানার জন্ম দিয়েছে। মুভিতে মা ভালুকটিকে নাম দেয়া হয় ‘স্কাই’ আর বাচ্চা দুটোর নাম দেয়া হয় ‘স্কাওট’ ও ‘অ্যাম্বার’। একটি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভালো থেকো সুন্দরবন

পৃথিবীতে কে বেশী শক্তিশালী? প্রাকৃতিক শক্তি নাকি মানুষের লোভ? একটা সময় মানুষ প্রকৃতির কাছে ধরাশায়ী হত। আর আজ মানুষ রাজত্ব করছে প্রকৃতির ওপর। আজ প্রাকৃতিক শক্তি দুর্বল, প্রতিনিয়ত হেরে যাচ্ছে মানুষের কাছে। কিন্তু মানুষ জানে না, প্রকৃতিকে জিতিয়ে দেয়া উচিত তার নিজেরই প্রয়োজনে। নিজের তাগিদেই তাঁকে সংরক্ষণ করা উচিত। মানুষ যদি তা বুঝতেই পারত, তাহলে সুন্দরবনকে প্রতিনিয়ত এভাবে মানুষের কাছে হেরে যেতে হত না। মানুষ সুন্দরবনকে বাঁচতে দেয়নি রামপাল কয়লা বিদ্যুৎ কেন্দ্রের কালো ছোবল থেকে। আর এবার তেলের ট্যাঙ্কার ডুবিয়ে তাঁকে মেরে ফেলার চেষ্টা। গত ৯ই ডিসেম্বর ২০১৪ তারিখে সুন্দরবনের শ্যালা নদীতে একটি মালবাহী জাহাজের ধাক্কায় ডুবে গেছে সাড়ে তিন লাখ লিটার জ্বালানি তেলসহ একটি ট্যাংকার। দুর্ঘটনার পর সেই ডুবন্ত জাহাজ থেকে তেল ছড়িয়ে পড়ে। এতবড় একটি ঘটনা ঘটে গেলো।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

শিম্পাঞ্জী – ওয়াল্ট ডিজনি ডকুমেন্টারি [2012]

ডিজনি স্টুডিও প্রতি বছর একটি করে ডকুমেন্টারি তৈরি করছে। কোনো কোনো বছর দুটি করেও করছে। প্রতি বছর  Earth Day বা ধরিত্রী দিবসে  রিলিজ হয় একটি করে ডকু ফিল্ম। ডিজনির এই প্রচেষ্টা নিঃসন্দেহে প্রশংসার দাবিদার। ডিজনির কাজ মানেই ক্লাসিক, আমি ডিজনির অন্যতম ভক্ত। ডিজনি স্টুডিওর করা সকল কিছুই আমার ভাল লাগে। হোক সেটা মুভি, এনিমেশন, ফেইরি বই, কিংবা ডকুমেন্টারি। এই ডকুমেন্টারির সবটুকু সময়ই আবর্তিত হয়েছে একটি ছোট নব জন্ম নেয়া এক শিম্পাঞ্জিকে কেন্দ্র করে। ডকুতে তাকে ডাকা হয় ‘অস্কার’ নামে। মোটা দাগে বলতে গেলে অস্কারের ছোট জীবনের কিছু ঘটনাবহুল চিত্র এতে স্থান পেয়েছে। এই হিসেবে একে নায়ক বলা যেতে পারে। তবে দেখতে এরকম মনে হলেও ডকু ফিল্ম তার নামকরণের সার্থকতা বজায় রেখেছে। এই তথ্যচিত্রে ওঠে এসেছে শিম্পাঞ্জিদের জীবন, চলাফেরা, খাওয়া দাওয়া, ভয়,…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভূ-গর্ভস্থ পানিঃ আর কত দিন আপনার চাহিদা মেটাবে?

পৃথিবীতে পানির মাত্র ২.৫ শতাংশ মিঠাপানি। এ মিঠাপানির ৩০.১ শতাংশ পানি থাকে ভূগর্ভে। বর্ষা মৌসুমে বৃষ্টির পানি মাঠ-ঘাট, রাস্তা, জলাশয় ভেদ করে মাটির নিচে জমা হয় ও সারাবছর আমাদের পানির চাহিদা মেটায়। সূক্ষ বালিকণা ভেদ করে মাটির নিচে জমা হয় বলে এ পানি হয় বিশুদ্ধ। গভীর নলকূপের পানি তো এতটাই নিরাপদ যে তা না ফুটিয়েই খাওয়া যায়। তবে বর্তমানে দুশ্চিন্তার বিষয় এই যে দেশে ক্রমাগত ভূ-গর্ভস্থ পানির স্তর নেমে যাচ্ছে। বিশেষ করে রাজধানীতে ভূ-গর্ভে পানি জমা হওয়ার যে হার তার চেয়ে অধিক পরিমাণে পানি উত্তোলনের ফলে পানির স্তর ক্রমেই নিচে নেমে যাচ্ছে। ভূ-গর্ভস্থ পানির অতিরিক্ত চাহিদা ছাড়াও আর ও বিভিন্ন কারণে পানির অপ্রাপ্যতা দেখা দিয়েছে। অপরিকল্পিত নগররায়নের ফলে ঢাকা ও এর আশেপাশে জলাশয়ের পরিমাণ কমে গেছে। দিনে দিনে রাজধানী হয়ে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কার্বন ট্রেডিং … মুক্তি নাকি ফাঁদ?

উষ্ণ থেকে উষ্ণতর হয়ে উঠছে পৃথিবী। গলছে বরফ, বাড়ছে সমুদ্র পৃষ্ঠের গড় উচ্চতা, বাড়ছে দূর্যোগ। যার প্রধান কারণ জলবায়ূ পরিবর্তন। কার্বন- ডাই- অক্সাইড, মিথেন, জলীয় বাষ্প, ক্লোরোফ্লুরো কার্বন ইত্যাদি গ্যাসগুলো জলবায়ূ পরিবর্তনের জন্য দায়ী গ্যাস, যা গ্রীন হাউস গ্যাস নামে পরিচিত। আর প্রতিনিয়ত এ গ্যাসগুলো নিঃসরণ করে জলবায়ূ পরিবর্তনের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে শিল্পোন্নত দেশ গুলো। তাই ১৯৯৭ সালে কার্বন নিঃসরণ এর মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে স্বাক্ষরিত হয় কিয়োটো প্রোটোকল। ২০০৫ সালের ফেব্রুয়ারী মাসে এটি কার্যকর করা হয়। পৃথিবীতে গ্রীন হাউস গ্যাস কমানোর জন্য কিয়োটো প্রোটোকোল একটি আইনগত বাধ্যতামূলক দলিল। এই প্রোটোকোলে, শিল্পসমৃদ্ধ দেশ গুলোর জন্য গ্রীন হাউস গ্যাস নিঃসরণের একটি নির্দিষ্ট সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হয়। কিন্তু ধনী দেশগুলো তা মানবে কেন? তারা তখন কার্বন ট্রেডিং নামে নতুন একটি ধারণার জন্ম দেয়।…
বিস্তারিত পড়ুন ...