পরিবেশ বিপর্যয়ের কারণে প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী বিলুপ্ত!

আমি আর আমার এক বন্ধু গল্প করছিলাম কি যেন এক বিষয় নিয়ে। হঠাৎ বন্ধুটি বলল ‘মানুষ সবচেয়ে খারাপ জাতি। নিজের ক্ষতি নিজে আর কোন প্রাণী করে না’। মনে মনে ভাবলাম মানুষ সবচেয়ে খারাপ জাতি হতে পারে তবে সবচেয়ে যে ব্যাপারটি ভয়ঙ্কর তা হলো মানুষ সবচেয়ে ক্ষমতাধর জাতি। মানুষের মস্তিষ্কের ক্ষমতা তাকে সবার উপরে এনে দাঁড় করিয়েছে। ফলে সে যে শুধু নিজের ক্ষতি করে তা না সে পুরো পৃথিবীর ক্ষতি করতে সমর্থ। এজন্যেই হয়তো Friedrich Nietzsche বলে গিয়েছেন “Man is the cruelest animal.” এর প্রমাণ সম্প্রতি বিলুপ্ত হওয়া স্তন্যপায়ী প্রাণী Bramble Cay melomys। যা একধরণের ইঁদুর। অস্ট্রেলিয়ার সরকার এই প্রাণীটিকে বিলুপ্ত ঘোষণা করেছে। এটি মানবসৃষ্ট কারণে বিলুপ্ত হওয়া প্রথম স্তন্যপায়ী প্রাণী।     গ্রেট বেরিয়ায়র রিফের উত্তর প্রান্তের ছোট প্রবাল দ্বীপে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

প্লাস্টিকখোর মাছ আর তার করুণ কাহিনী!

এক দেশে এক মাছ ছিলো। সে মনের আনন্দে পানির গভীরে এদিক ওদিক ঘুরে বেড়াত। আর খিদে পেলে খেতো শ্যাওলা আর ছোট ছোট প্ল্যাঙ্কটন। একদিন হঠাৎ সে একটা প্লাস্টিক কণা দেখলো। লোভ সামলাতে না পেরে সে ওটা খেলো। আর রীতি ভঙ্গের জন্যে সে হলো অভিশপ্ত! এটা কোন রূপকথার চমৎকার গল্প হতে পারতো। কিন্তু এটা এখন বাস্তব অবস্থা! প্লাস্টিক দূষণ এখন মানব সভ্যতার অন্যতম হুমকির একটি। Uppsala University বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা গবেষণা করে দেখেছেন যেসব বাচ্চা মাছ মাইক্রোপ্লাস্টিক খায় তারা অন্য মাছের শিকারে বেশি পরিণত হয়। তার মানে যারা প্লাস্টিক খাচ্ছে তাদের কিছু একটা হচ্ছে যার ফলে তারা অন্য মাছের শিকারে পরিণত হচ্ছে আগের চেয়ে বেশি। গবেষকরা আরো বলছেন মাছগুলো তাদের সচারাচর খাবারের চেয়ে মাইক্রোপ্লাস্টিক বেশি পছন্দ করছে। মাইক্রোপ্লাস্টিক হচ্ছে প্লাস্টিকের কণা যারা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর অস্কার বক্তৃতা ও পরিবেশ বিপর্যয়ের সাথে জিকা ভাইরাস উত্থানের সম্পর্ক

গত কয়েক বছর যাবত ইন্টারনেটে একটি কৌতুক ঘুরে বেড়াচ্ছিলো মার্কিন অভিনেতা লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর অস্কার না পাওয়া নিয়ে। হলিউডের এ অভিনেতা টাইটানিক (১৯৯৭) চলচিত্র থেকে শুরু করে অনেকগুলো চলচিত্রে দারুণ অভিনয় করেছেন। গত পাঁচ-দশ বছর ধরে সবাই আশা করছিলেন তিনি অভিনয়ের জন্য অস্কার পাবেন। কয়েকবার একাডেমি এওয়ার্ডে অস্কারের জন্য মনোনীতও হয়েছিলেন, কিন্তু প্রতিবছরই সবার আশাভঙ্গ হচ্ছিলো। কৌতুকটা হলো এখন থেকে ত্রিশ বছর পর লিওনার্দো ডিক্যাপ্রিওর অস্কার-না-পাওয়া কর্মবহুল জীবন নিয়ে তৈরি একটি চলচিত্রে অভিনয় করে ভবিষ্যতের কোন প্রতিভাবান অভিনেতা অস্কার পেয়ে যেতে পারেন। সকল প্রতীক্ষার অবসান  ঘটলো ২০১৬ সালের একাডেমী এওয়ার্ডে, যেখানে ডিক্যাপ্রিও দ্যা রেভেন্যান্ট (২০১৫) চলচিত্রটির জন্য অস্কার পুরস্কার পান। সকলেই আগ্রহী ছিলেন এ অভিনেতা অস্কার ভাষণে কি বলেন। তবে ডিক্যাপ্রিও অস্কারের মঞ্চটিকে ব্যবহার করেন বৈশ্বিক জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ে সবাইকে সচেতন…
বিস্তারিত পড়ুন ...