মাইক্রোস্কোপের নিচের দুনিয়া (মাইক্রোফটোগ্রাফি)

অনেকদিন আগে মাইক্রোস্কোপের নিচে রেখে অ্যামেচার হাতে নিন্মমানের ক্যামেরা দিয়ে কিছু জিনিসের ছবি তুলেছিলাম। বিজ্ঞান ব্লগ হাতড়িয়ে দেখছি সেগুলো আপলোড করা হয় নি। কিংবা বিজ্ঞান ব্লগ যখন ওয়ার্ডপ্রেসের সাবডোমেইন ছিলো তখন আপলোড করা হয়েছিলো, পরে বাদ পড়েছে। আজ সেগুলো নিয়ে এই পোস্ট। আশা করি ছবিগুলো আপনাদের খারাপ লাগবে না। ১. Microchip: CDROM Drive থেকে খুলে নেয়া। এটি স্বচ্ছ চিপ হওয়ায় উপর থেকে ভিতরের কলকব্জা দেখা যাচ্ছে। চিপ সাধারণত অস্বচ্ছ এবং কালো রংএর হয়ে থাকে। সেই ক্ষেত্রে বিশেষ রাসায়নিক ট্রিটমেন্ট করে উপরের কালো অংশটুকু দ্রবীভূত করে ছবি নেওয়া যায়। যে কোন মাইক্রচিপের ভিতরে আসলে অনেক জটিল একটি সার্কিট খুব ক্ষুদ্রাকারে পুরে দেয়া থাকে। যদি মাইক্রোচিপের আবির্ভাব না হতো তাহলে হয়তো এর ভিতরের পুরো সার্কিটটি আলাদাভাবে বিশাল আকারে তৈরি করতে হতো। (দ্রষ্ট্যব্য:…
বিস্তারিত পড়ুন ...

স্পেস এলিভেটর: বাস্তবতা থেকে কতদূর?

এলিভেটরে চড়ে মহাশুণ্যে যাওয়ার স্বপ্ন মানুষের অনেকদিনের। মূলত মহাশুন্যে প্রথম নভোঃযানটি পাঠানোর আগে থেকেই মানুষ এলিভেটরের চিন্তা করে বসে আছে। নাভোঃযানের বাস্তবায়ন যদিও অনেক আগেই হয়ে গেছে এমনকি এই বিষয়ে প্রযুক্তি দিন দিন উন্নততর হচ্ছে কিন্তু এখনো পর্যন্ত স্পেস এলিভেটরের স্বপ্ন স্বপ্নই রয়ে গেছে। স্পেস এলিভেটর হচ্ছে একটি অনুভূমিক টাওয়ার সদৃশ স্থাপনা যা পৃথিবীর ভূমির সাথে সংযুক্ত থেকে মহাশুন্য পর্যন্ত বিস্তৃত থাকবে।এই টাওয়ার বরাবর ভুমি থেকে মহাশুন্যে পরিবহন করা যাবে। এর ফলে প্রচলিত পরিবহন পদ্ধতির রকেটের প্রয়োজন হবে না বরং এলিভেটরের মত পুলির ব্যাবস্থা থাকবে যার সাহায্যে ওঠা-নামার কাজটি সম্পন্ন হবে।এই ধরনের স্থাপনা বাস্তবায়ন করা গেলে মহাশন্য অভিযান এখনকার মত খরুচে হবে না বরং প্রচুর জ্বালানী ও অর্থ সাশ্রয় ঘটবে এবং গবেষণা এবং অন্যান্য ক্ষেত্রে প্রচুর অগ্রগতি সূচিত হবে। স্পেস…
বিস্তারিত পড়ুন ...

নিজেই তৈরি করুন কোমল পানীয়

সেভেন আপ, পেপসি কিংবা কোকাকোলার মত কোমল পানীয় আমরা সবাই খেয়ে থাকি।কিন্তু সেটাতো দোকান থেকে কিনে।যদি ঘরে বসেই তৈরি করা যায় এই সব পানীয় যা স্বাদে ও গন্ধে হবে ঠিক আপনার প্রিয় কোন বিশ্বখ্যাত ব্র্যান্ডের মত, তবে কেমন হবে? নিশ্চয়ই অনেক মজা হবে।তাহলে আর দেরি না করে ঝটপট বানিয়ে ফেলুন আপনার পছন্দের লেমনেড ড্রিংক ।আর চমকে দিন সবাইকে। উপকরণঃ ১) লেবু ২) গ্লাস ৩) বেকিং সোডা ৪) চিনি যা করতে হবেঃ ১) লেবু ভালো ভাবে চিপে যতটা সম্ভব রস বের করে গ্লাসে রাখুন ২) লেবুর রসের সমপরিমান পানি গ্লাসে ঢালুন ৩) এক চা চামচ পরিমান বেকিং সোডা গ্লাসের মিশ্রণে ভালোভাবে মিশিয়ে নিন ৪) পানীয়টি চেখে দেখুন এবং প্রয়োজন অনুযায়ী চিনি মিশিয়ে নিন যা ঘটছেঃ আপনার তেরি পানীয়টিতে বুদবুদ তৈ্রি হবে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এসো এবার ফুলের রঙটা দেই পাল্টে ;-)

ফুলের রং পাল্টে দেবার আগে আমার ছোট মামার কথা বলে নেই। আমার দেখা প্রথম বিজ্ঞানী হচ্ছেন আমার ছোট মামা। তার কাছ থেকেই শিখেছি কি করে ফুলের রং পাল্টে দিতে হয়। প্রাইমারি স্কুলে পড়ার সময় আমরা ছিলাম সেই বিজ্ঞানী মামার সার্বক্ষণিক এসিস্ট্যান্ট। সে সুবাদে তার কাছ থেকে শিখেছি হলুদ আর সাদা মেশানো ছিটছিট রঙের পাতাবাহার গাছের ডাল কেটে স্বচ্ছ কাঁচের বোতলে পানি ভরে রেখে দিলে কিভাবে শিকড় গজায়। আরও শিখেছি, ফাউন্টেন পেনের কালির দোয়াতে সাদা ফুলের দুবলা গাছ থেকে কী করে কালো ফুল ফোটাতে হয়। চিকন বাঁশের চটি দিয়ে বানিয়েছি বাতাসের দিক নির্দেশক যন্ত্র। ফিউজ হয়ে যাওয়া বাল্বের ভেতর কালি শেষ হয়ে যাওয়া বলপয়েন্ট কলম গলিয়ে পেপার ওয়েট বানিয়েছি। গুড়ো দুধের কৌটা দিয়ে পিন-হোল ক্যামেরা; খেলনা গাড়ি থেকে মোটর খুলে নিয়ে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এক ঘন্টায় ইলেক্ট্রনিক বর্ণালিবীক্ষণ যন্ত্র বানাও

যা যা লাগবেঃ   ১. একটি ডিভিডি ক্যাসেট ২. বড় সিডি বক্স অথবা মোটামুটি ২০সে.মি দৈর্ঘ্যের যেকোন বাক্স ৩.লেন্স খোলা যায় এমন ওয়েবক্যাম ৪.কম্পিউটার ৫.কাঁচি ৬.কিছু কালো কাগজ ৭.এন্টি কাটার ৮.আঠা ৯.স্কেল ১০. জ্যামিতির চাঁদা ১১.পেন্সিল ১২.কালো টেপ ইত্যাদি   বানানো শুরু করঃ ১. প্রথমে ওয়েবক্যামটা নিয়ে ওটার লেন্সটা খুলে ফেল। দেখ লেন্সের ভিতরের অংশে একটা রঙ্গিন ছোট্ট কাঁচের টুকরা লাগানো আছে। এটা হল ইনফ্রারেড ফিল্টার। এটাকে এন্টি কাটারের চোখা অংশটা দিয়ে খোচা মেরে খুলে ফেল। লেন্সটা আগে যেমন ছিল তেমনি করে লাগিয়ে দাও।   ২. এবার ডিভিডি ক্যাসেটটা নাও। ওটার একটা অংশ কাঁচি দিয়ে কেটে ফেল। এবার ভালো করে দেখ ডিভিডিটা আসলে দুইটা অংশ একসাথে জোড়া দিয়ে বানানো হয়েছে। এন্টি কাটারের চোখা অংশটা দিয়ে একটু জোড়ে চাড় দাও। দেখবে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

শিক্ষাদান পদ্ধতি বিষয়ক তৃণ চর্বন – (বিজ্ঞান শিক্ষা জনপ্রিয় করতে দূরশিক্ষণ পদ্ধতি)

(পোস্টের সাথে সংযুক্ত ভিডিও গুলো ছাড়া আমার লেখার কিছুই বোঝা যাবে না। যারা আগ্রহ নিয়ে পড়বেন, তাদেরকে অনুরোধ করবো ভিডিওগুলো দেখতে।)   ৮ম সেমিস্টারের অটোমোবাইল (Automobile) ক্লাসের কথা মনে পড়ছে। আমরা সবাই বয়লার ল্যাবে বসে আছি আর সিরাজুল করিম চৌধুরী (SKC) ক্লাস নিচ্ছেন। ক্লাস রুমের তুলনায় ছোট খাট একটা ব্ল্যাক বোর্ডে প্রাণান্তক চেষ্টা করছেন একটা ছবি আঁকার। ছবিটা হল ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের (Differential gear)। অনেক সময় নিয়ে তিনি ছবিটা আঁকা শেষ করলেন। এরপর অনেক কষ্ট করে ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের কার্যপদ্ধতি বোঝানোর চেষ্টা করলেন। ক্লাসে আর কে কি বুঝেছিল জানি না, তবে আমি কিছুই বুঝিনি।   পরে রুমে ফিরে এটা নিয়ে ইন্টারনেটে সার্চ করলাম। পেলাম এই ভিডিওটা। চমৎকার ভাবে মাত্র ১০ মিনিটের মধ্যে ডিফারেন্সিয়াল গিয়ারের কার্যপদ্ধতি এখানে দেখানো হয়েছে।   ব্যক্তিগত বা রাজনৈতিক…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বেলুন রকেট

প্রজেক্ট বানাতে কার না ভালো লাগে? আর সেই সব প্রজেক্ট যদি বানানো যায় হাতের কাছে থাকা জিনিষগুলো দিয়ে তাহলে তো কথাই নেই। তেমনি হাতের কাছে থাকা জিনিষ দিয়ে তৈরি করবো আমাদের আজকের প্রজেক্ট। যা যা লাগবে: বেলুন সুতা ৬ সেমি. পাইপ স্কসটেপ কাঁচি   প্রজেক্টের বিবরন:   ১. প্রথমে বেলুনটি ফুলাতে হবে এবং হাত দিয়ে ধরে এর মুখ বন্ধ করতে হবে।       ২. এবার একটি লম্বা সুতায় পাইপটি ঢুকাতে হবে এবং সুতার শুরুর দিকটি আটকে দিতে হবে। তারপর তোমার বন্ধুকে বলো সুতার শেষ প্রান্তটি ধরে রাখতে।         ৩. স্কসটেপ দিয়ে বেলুনটি পাইপের সাথে লাগিয়ে দাও। তারপর বেলুনটি ছেড়ে দাও। যখন বেলুনটি ছুঁটতে শুরু করবে তখন বেলুনটিকে রকেট মনে হবে।     তৈরি হয়ে গেল তোমার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

পড়ার টেবিলে আবহাওয়া অফিস

বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ, বঙ্গোপসাগরসহ আশপাশের এলাকার মেঘের ছবি, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা চটজলদি বের করা। 184
বিস্তারিত পড়ুন ...