পতঙ্গের অবাক করা ক্যামোফ্ল্যাজ

বিবর্তনের ধারায় এই পৃথিবীতে কয়েক কোটি বিভিন্ন প্রজাতির প্রাণীর আবির্ভাব ঘটেছে। এর মধ্যে প্রায় ৭৫% ই পতঙ্গ শ্রেণীতে পড়ে। এই পতঙ্গগুলোর প্রতিটিরই রয়েছে নিজস্ব আত্মরক্ষার ব্যবস্থা। এই ব্যবস্থাগুলো এতই বৈচিত্র্যময় যে রীতিমত অবিশ্বাস্য মনে হতে পারে। এ ধরনেরই একটি আত্মরক্ষামূলক ব্যবস্থা হচ্ছে ক্যামোফ্ল্যাজ। ক্যামোফ্ল্যাজ হচ্ছে এমন একটি বৈশিষ্ট্য যার মাধ্যমে কোন প্রানীকে তার পরিপার্শ্ব থেকে সহজে পৃথক করা যায় না। এর ফলে প্রায়ই প্রানীটি বিভিন্ন শিকারির নজর এড়িয়ে যেতে পারে। এর মধ্য সবচেয়ে সহজ কৌশল হল প্রানীটির গায়ের রং তার পরিবেশের সাথে মিলে যাওয়া। যেমনটা হল ঘাস ফড়িংয়ের। কিছু কিছু পতঙ্গের শুধু গায়ের রং নয় বরং শরীরে বিভিন্ন নকশা থাকে যা তাকে পরিবেশের সাথে মিশিয়ে রাখে। এই গুবরে পোকাটি যে বালির উপর চরে বেড়ায় তার গায়েও সেই বালির মতই ছবি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এনার্জি সেভিং বাল্ব থেকে সাবধান

এনার্জি সেভিং বাল্ব এখন ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই বাতি ব্যাবহারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা অবলম্বন করা প্রয়োজন। সম্প্রতি এনার্জি সেভিং বাতির বিষয়ে যুক্তরাজ্যের স্বাস্থ্য মন্ত্রী হুঁশিয়ারী উচ্চারণ করেছেন যে এই বাতিগুলো ভেঙে গেলে তা মারাত্মক স্বাস্থ্যঝুঁকির সৃষ্টি করতে পারে। এসব বাল্ব কোনভাবে ভেঙে গেলে ঘরের সবাইকে সঙ্গে সঙ্গে বেরিয়ৈ যেতে হবে। কমপক্ষে ১৫ মিনিট ঘরের বাইরে থাকতে হবে। এসব বাল্বে আছে বিষাক্ত পারদ বা মার্কারী। এটি মাথাব্যাথ্যা, মানসিক ভারসাম্যহীনতা ও অন্যান্য স্বাস্থ্যসমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। এটি নিশ্বাসের সাথে টেনে নেয়াও বিপজ্জনক। এলার্জিগ্রস্থ লোকেরা এটি স্পর্শ করলে বা নিশ্বাসের সাথে টেনে নিলে ত্বকের মারাত্মক সমস্যা বা অন্যকোন বিপত্তিতে পড়বেন। আরো হুঁশিয়ারি দেয়া হয়েছে যে, ভাঙা বাল্বের আবর্জনা ভ্যাকুয়াম ক্লিনারের সাহায্যে পরিষ্কারও করা যাবে না। কারণ এর ফলে দূষণ ছড়িয়ে পড়বে অন্যান্য কক্ষে।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আমাদের দেহের প্রাণবৈচিত্র্য – গন্ধের জন্য দায়ী কে?

আপনাকে কি মশারা একটু বেশিই ভালোবাসে? চারপাশের মানুষের তুলনায় একটু বেশিই "রক্ত-চোষা-চুম্বন" দেয়? আপনার দেহে এমন কি আছে যে কারণে মশারা এতো আকর্ষণ অনুভব করে আপনারপ্রতি? ঘ্রাণ। আপনার-আমার-প্রত্যেকের দেহেই বৈশিষ্ট্যসুচক গন্ধ আছে। ঘাম, পায়েরমোজা, মাথার চুল কিংবা বগলের তলায় গন্ধ (মতভেদে দুর্গন্ধ!) তৈরি হয়। এই গন্ধের জন্যই হয়তো মশারা আপনার প্রতি একটু বেশিই আকৃষ্ট হয়। 239
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্যান্সারের জিন চেনার পথে এক ধাপ

একেকটি জিনের কাজ একেক রকম। কোনো কোনো জিন মানুষের চোখের রং নির্ধারণ করে দেয়। কোনোটি ঠিক করে মানুষের চুল কেমন হবে, কোনোটি ঠিক করে মানুষের উচ্চতা। আবার কোনো কোনো জিন বর্ণান্ধতাসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধির জন্য দায়ী। কিছু কিছু জিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি গবেষকদল এ রকম একটি জিন প্রস্তাব করেছেন। এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ক্যান্সার ইনফরমেটিকসে। এ গবেষণায় তাঁর সঙ্গে আরো কাজ করেন রুহুল আমিন, জেসমিন এবং হাসান জামিল। ক্যান্সারের জন্য দায়ী জিনের এই পরিবারটি হলো মেজ বা মেলানোমা এন্টিজেন পরিবার। এ জিনগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের এঙ্ ক্রোমোজম, তিন ও পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে পাওয়া যায়। ড. আনোয়ার হোসেন পাঁচ নম্বর ক্রোমোজমের একটি অংশে, বিশেষ এই জিন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বড় অনেক গবেষকই দেশে ফিরে আসতে চান

[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের গবেষক ড. আনোয়ার হোসেনের এ সাক্ষাৎকারটি নেযা হয়েছিলো ক্যান্সার জিন সনাক্তকরণ সম্পর্কিত একটি গবেষণা কাজ নিয়ে। গবেষণাপত্রের লিঙ্ক: PubMed] আপনাদের কাজটি একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন কী? আমাদের কাজটি ছিল ক্যান্সারের ওপর। আমরা একটা নতুন জিন প্রস্তাব করেছি, যে জিনটা কি না ক্যান্সারের জন্য দায়ী হতে পারে। এ ধরনের জিন আগে দেখা যায়নি। মানুষের ডিএনএতে কিছু কিছু জায়গায় এমন সব জিন থাকতে পারে, যা কি না ক্যান্সার তৈরি করে। মেজ পরিবারে এ রকম অনেক জিন দেখা যায়। সাধারণত মানুষের তিন আর পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে এ জিনগুলো থাকে। তবে আমাদের প্রস্তাবিত জিনটি পাঁচ নম্বর ক্রোমোজমে আছে। প্রস্তাবিত এ জিনটি নিয়ে পরে কী ধরনের গবেষণা করা দরকার? বিশ্লেষণ করে মনে হচ্ছে, এ জিনটি টিউমার টিস্যুর সঙ্গে জড়িত। এ জন্য…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জীবনের অন্ধকার অঞ্চল – প্রাণের নতুন ডোমেইন?

পদার্থবিদ্যার এক রহস্যজনক বিষয় হলো ডার্ক ম্যাটার। মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় হিসেব মতো যে বস্তু ও শক্তি তৈরি হওয়ার কথা, বিজ্ঞানীরা তার মাত্র ৪%-র হিসেব পেয়েছেন। বাকি ৯৬% বস্তু-শক্তির অস্তিত্ব এখনো বোঝা যাচ্ছে না। এদেরকে বলা হয় ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি নামে। মহাবিশ্বের যেমন ৯৬% জিনিসকে আমরা জানি না। ঠিক তেমনই ১% অণুজীবকে আমরা কালচার মিডিয়াতে চাষ করতে পারি। বাকি ৯৯% অণুজীব কালচার মিডিয়ামে দেখা দেয় না। তাই এদেরকে জীববিজ্ঞানের "ডার্ক ম্যাটার” বলে ডাকা হয়। 192
বিস্তারিত পড়ুন ...

পড়ার টেবিলে আবহাওয়া অফিস

বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ, বঙ্গোপসাগরসহ আশপাশের এলাকার মেঘের ছবি, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা চটজলদি বের করা। 184
বিস্তারিত পড়ুন ...

‘ল্যাবে মেয়ের সংখ্যাই বেশি’

  ঘর-সংসার সামলেও যে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএর মতো জটিলতর বিষয় নিয়ে গবেষণা  করা যায় তার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও  অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। শিগগিরই হয়তো তার গড়ে তোলা গবেষণাগার হতে উপকূলের চাষীদের হাতে পৌঁছে যাবে লবণসহনশীল নতুন জাতের ধান। এই সাক্ষাতকারটির পরিবর্তিত অংশ কালের কন্ঠের সন্ধানীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১. আমাদের সমাজে সাধারণত স্নাতকের পরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। তারা গৃহিণী হয়ে যান। আপনি কেন ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেন? - প্রায়ই দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে তা হয় নি। আমার পড়াশুনা করতে ভালো লাগতো। আমার বাবা ছিলেন উদ্ভিদবিদ্যার প্রফেসর।আমার পড়াশুনায় আগ্রহের তিনিও বুঝতেন। তাই বিয়ের প্রস্তাব আসলে উনি নাকচ করে দিতেন। তিনি আমাকে অনেক সহায়তা এবং উৎসাহ দিয়েছিলেন। তাছাড়া আমি যখন পড়াশুনা করছি তখন পৃথিবীতে ডিএনএ…
বিস্তারিত পড়ুন ...