ক্যান্সারের জিন চেনার পথে এক ধাপ

একেকটি জিনের কাজ একেক রকম। কোনো কোনো জিন মানুষের চোখের রং নির্ধারণ করে দেয়। কোনোটি ঠিক করে মানুষের চুল কেমন হবে, কোনোটি ঠিক করে মানুষের উচ্চতা। আবার কোনো কোনো জিন বর্ণান্ধতাসহ বিভিন্ন জটিল ব্যাধির জন্য দায়ী। কিছু কিছু জিন ক্যান্সারের জন্য দায়ী। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. আনোয়ার হোসেনের নেতৃত্বে একটি গবেষকদল এ রকম একটি জিন প্রস্তাব করেছেন। এ বিষয়ে একটি গবেষণাপত্র ছাপা হয়েছে আন্তর্জাতিক জার্নাল ক্যান্সার ইনফরমেটিকসে। এ গবেষণায় তাঁর সঙ্গে আরো কাজ করেন রুহুল আমিন, জেসমিন এবং হাসান জামিল। ক্যান্সারের জন্য দায়ী জিনের এই পরিবারটি হলো মেজ বা মেলানোমা এন্টিজেন পরিবার। এ জিনগুলো বেশির ভাগ ক্ষেত্রে মানুষের এঙ্ ক্রোমোজম, তিন ও পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে পাওয়া যায়। ড. আনোয়ার হোসেন পাঁচ নম্বর ক্রোমোজমের একটি অংশে, বিশেষ এই জিন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বড় অনেক গবেষকই দেশে ফিরে আসতে চান

[ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের গবেষক ড. আনোয়ার হোসেনের এ সাক্ষাৎকারটি নেযা হয়েছিলো ক্যান্সার জিন সনাক্তকরণ সম্পর্কিত একটি গবেষণা কাজ নিয়ে। গবেষণাপত্রের লিঙ্ক: PubMed] আপনাদের কাজটি একটু ব্যাখ্যা করে বলবেন কী? আমাদের কাজটি ছিল ক্যান্সারের ওপর। আমরা একটা নতুন জিন প্রস্তাব করেছি, যে জিনটা কি না ক্যান্সারের জন্য দায়ী হতে পারে। এ ধরনের জিন আগে দেখা যায়নি। মানুষের ডিএনএতে কিছু কিছু জায়গায় এমন সব জিন থাকতে পারে, যা কি না ক্যান্সার তৈরি করে। মেজ পরিবারে এ রকম অনেক জিন দেখা যায়। সাধারণত মানুষের তিন আর পনেরো নম্বর ক্রোমোজমে এ জিনগুলো থাকে। তবে আমাদের প্রস্তাবিত জিনটি পাঁচ নম্বর ক্রোমোজমে আছে। প্রস্তাবিত এ জিনটি নিয়ে পরে কী ধরনের গবেষণা করা দরকার? বিশ্লেষণ করে মনে হচ্ছে, এ জিনটি টিউমার টিস্যুর সঙ্গে জড়িত। এ জন্য…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জীবনের অন্ধকার অঞ্চল – প্রাণের নতুন ডোমেইন?

পদার্থবিদ্যার এক রহস্যজনক বিষয় হলো ডার্ক ম্যাটার। মহাবিশ্ব সৃষ্টির সময় হিসেব মতো যে বস্তু ও শক্তি তৈরি হওয়ার কথা, বিজ্ঞানীরা তার মাত্র ৪%-র হিসেব পেয়েছেন। বাকি ৯৬% বস্তু-শক্তির অস্তিত্ব এখনো বোঝা যাচ্ছে না। এদেরকে বলা হয় ডার্ক ম্যাটার ও ডার্ক এনার্জি নামে। মহাবিশ্বের যেমন ৯৬% জিনিসকে আমরা জানি না। ঠিক তেমনই ১% অণুজীবকে আমরা কালচার মিডিয়াতে চাষ করতে পারি। বাকি ৯৯% অণুজীব কালচার মিডিয়ামে দেখা দেয় না। তাই এদেরকে জীববিজ্ঞানের "ডার্ক ম্যাটার” বলে ডাকা হয়। 192
বিস্তারিত পড়ুন ...

পড়ার টেবিলে আবহাওয়া অফিস

বিচিত্র কারণে এলাকার কাকগুলো প্রায়ই চড়াও হয় অ্যান্টেনার ওপর। তখন স্যাটেলাইট থেকে তথ্য পেতে সমস্যা হয়। নিজের তৈরি আবহাওয়ার বার্তা সংগ্রাহক অ্যান্টেনা দেখাতে গিয়ে এ কথা বললেন তারিফ রশীদ। ঢাকার অনুসন্ধিৎসু চক্র বিজ্ঞান সংগঠনের ডেমরা শাখা বিজ্ঞানচর্চা চালিয়ে আসছে নিয়মিত। ওই সংগঠনেরই এক বিজ্ঞানকর্মী তারিফ। আর তাঁর বাসার ছাদেই আছে নানা রকম ছয়টি অ্যান্টেনা! চারটি দেখতে সাধারণ টিভি-অ্যান্টেনার মতো হলেও একটি বেশ প্যাঁচালো, ঠিক যেন কোষের ডিএনএ। অন্যটা বিচিত্র এক চতুর্ভুজের মতো। কক্ষপথে ঘুরতে থাকা বিভিন্ন আবহাওয়া স্যাটেলাইটের পাঠানো তথ্য ধরার জাল এসব অ্যান্টেনা। তারিফদের নিয়মিত কাজ হলো, ওই স্যাটেলাইটগুলোর পাঠানো সংকেত নেওয়া। তারপর কম্পিউটারে বিশ্লেষণ করে বাংলাদেশ, বঙ্গোপসাগরসহ আশপাশের এলাকার মেঘের ছবি, তাপমাত্রা, আর্দ্রতা চটজলদি বের করা। 184
বিস্তারিত পড়ুন ...

‘ল্যাবে মেয়ের সংখ্যাই বেশি’

  ঘর-সংসার সামলেও যে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএর মতো জটিলতর বিষয় নিয়ে গবেষণা  করা যায় তার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও  অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। শিগগিরই হয়তো তার গড়ে তোলা গবেষণাগার হতে উপকূলের চাষীদের হাতে পৌঁছে যাবে লবণসহনশীল নতুন জাতের ধান। এই সাক্ষাতকারটির পরিবর্তিত অংশ কালের কন্ঠের সন্ধানীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১. আমাদের সমাজে সাধারণত স্নাতকের পরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। তারা গৃহিণী হয়ে যান। আপনি কেন ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেন? - প্রায়ই দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে তা হয় নি। আমার পড়াশুনা করতে ভালো লাগতো। আমার বাবা ছিলেন উদ্ভিদবিদ্যার প্রফেসর।আমার পড়াশুনায় আগ্রহের তিনিও বুঝতেন। তাই বিয়ের প্রস্তাব আসলে উনি নাকচ করে দিতেন। তিনি আমাকে অনেক সহায়তা এবং উৎসাহ দিয়েছিলেন। তাছাড়া আমি যখন পড়াশুনা করছি তখন পৃথিবীতে ডিএনএ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অপবিজ্ঞানের বিরুদ্ধে বিজ্ঞানচর্চা

আজকাল প্রায় সব দৈনিক পত্রিকাতেই রাশিফল দেয়া হয়। রাশিফল বলে দেয় মানুষের ভাগ্যে কি আছে। তাছাড়া, মানুষের ভাগ্য নাকি তার জন্মের সময়েই ঠিক হয়ে যায়। জন্মের সময় আকাশে গ্রহনক্ষত্রের অবস্থানই নাকি মানুষের ভাগ্য রচয়িত। এছাড়া আমরা টেলিভিশনে বিজ্ঞাপন দেখি হরলিকস খেলে না কি ছেলে মেয়েরা 'লম্বা-শক্তিশালী-বুদ্ধিমান' হয়ে যায়। ডেটল সাবান না কি ৯৯% জীবাণু মেরে ফেলে। ফেয়ার-এন্ড-লাভলী (অথবা ফেয়ার-এন্ড-হ্যান্ডসাম) নাকি গায়ের রঙ ফর্সা করতে পারে। বলা বাহুল্য, উপরের কোনটাই সত্য নয়। পৃথিবীর উপর গ্রহ-নক্ষত্রের কেবল অতি সামান্য মাধ্যাকর্ষণ শক্তি আছে। এছাড়া অন্য কোন প্রভাব নেই। বাড়ন্ত ছেলে-মেয়েদের দিনে যে পরিমাণ পুষ্টি লাগে, হরলিকস দিয়ে তা পুরণ করা যায় না। পানিতে এক চামুচ হরলিসকস গুলিয়ে খেলে এই পুষ্টি পুরণ হবে না। প্রয়োজন সুষম খাদ্য।হরলিকস দিয়ে এই পুষ্টি পুরণ করতে গেলে মুঠো…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বিগব্যাঙ নিয়ে ভুল ধারনা

বিগব্যাঙ। বিখ্যাত একটি তত্ত্ব। বিজ্ঞানে সর্বাধিক উচ্চারিত শব্দগুলোর একটি। শুধু তাই না, পৃথিবীর সবচাইতে ভুল ভাবে বোঝা বিষয়গুলোরও একটি হলো বিগব্যাঙ। বিগব্যাঙ সম্পর্কে আমরা সাধারণ মানুষ হয়তো নাম শুনেই যথাযথ সম্মান জানিয়ে দুরে থাকি। কিংবা, এমন কিছু আবছা ধারনা রাখি যা আসলে ভুল, মহাভুল। আমারা যেই মহাবিশ্বে বাস করি তার কিভাবে উৎপত্তি হলো? মহাবিশ্বের সৃষ্টির আগে কি ছিল? এই প্রশ্ন মানুষ অনেক আগে থেকেই করে আসছে। পাঠক, আপনি কি মনে করেন যে বিগব্যাঙ তত্ত্ব এই প্রশ্নের উত্তর দেয়? যদি এরকমটাই ভেবে থাকেন তাহলে এখনই এ ধারণাটা মাথা হতে ঝেড়ে ফেলে দিন! আসলে এই মহাবিখ্যাত তত্ত্বটির মহাবিশ্বের উৎপত্তি নিয়ে কোন মাথাব্যাথা নেই। এই তত্ত্ব আরো যে সব চিরায়ত, অবাক করা প্রশ্ন নিয়ে কাজ করে না সেগুলো হলো: => কি, কিংবা কোন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এন্টিম্যাটারের খোঁজে

এন্টিম্যাটার(Antimatter) বা প্রতিপদার্থ হলো সেই বস্তু যা কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। যে কোন পদার্থই আবার অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মূল কণিকা দিয়ে তৈরি। সেই হিসেবে এন্টিম্যাটারও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। কাজেই যে কোন মুল কণিকার একটি বিপরীত মূল কণিকা আছে। এই মূলকণিকাগুলো তাদের প্রতিপদার্থের একই রকম মূলকণিকার সংস্পর্শে এলে উভয়েই নিশ্চিন্হ হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেহের সমপরিমান কোন এন্টিম্যাটারের সংস্পর্শে আসেন তাহলে উভয়েই বিলুপ্ত হয়ে যাবেন তবে বিলুপ্ত হয়ে যাবার সময় উত্তরাধিকারীদের জন্য প্রচুর পরিমান শক্তি রেখে যেতে পারবেন। 140
বিস্তারিত পড়ুন ...