এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-৬(শেষ পর্ব)

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ ,২ ,৩ ,৪,৫) মূল : মিশিও কাকু Anti-Gravity And Anti-Universes ডিরাকের তত্ত্ব ব্যবহার করে, আমরা এখন অনেক প্রশ্নের উত্তর দিতে পারিঃ প্রতিবস্তুর মহাকর্ষের প্রতিরূপ কি হবে? প্রতি-মহাবিশ্বের অস্তিত্ব কি আছে? আমরা ইতিমধ্যে আলোচনা করেছি যে, প্রতিকণার চার্জ সাধারণ বস্তুর চার্জের বিপরীত ধর্মী । কিন্তু এমন কিছু কণা আছে যাদের কোন চার্জ নাই (যেমন আলোক কণা ফোটন, অথবা মহাকর্ষের জন্য দায়ী গ্রাভিটন কণা) এরা নিজেরা নিজেদের প্রতিকণা । যেহেতু এরা নিজেরা নিজেদের প্রতিবস্তুর, তাই আমরা অন্যভাবে বলতে পারি, মহাকর্ষ আর প্রতিমহাকর্ষ (Anti gravity) একই বিষয় । মহাকর্ষের কারনেই প্রতিবস্তুর নিম্নে পতিত হবে, উপরে নয় (এটা পদার্থবিজ্ঞানীরা চিরন্তন ভাবে বিশ্বাস করে, কিন্তু পরীক্ষাগারে এটা কখনই দেখানো সম্ভব হয় নাই )। ডিরাকের তত্ত্ব আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নের উত্তর দেয়ঃ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-৫

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ ,২ ,৩ ,৪ ) মূল : মিশিও কাকু Founder Of Anti Matter প্রতিপরমাণু কি ? এটা চিন্তা করে বিস্মিত হতে হয় যে প্রকৃতি যথার্থ কোন কারণ ছাড়াই সাব-অ্যাটমিক কণাদের সংখ্যা দ্বিগুণ করেছিল । আমরা এতোদিন জেনে এসেছিলাম প্রকৃতি সম্পূর্ণ মিতব্যয়ি, কিন্তু এখন আমরা প্রতিকণার কথা জানি আর তাই প্রকৃতিকে মনে করা হয় (অপ্রয়োজনীয়) বস্তুকে সবচেয়ে বেশি অপব্যয় করেছে । প্রশ্ন আসে যদি প্রতিবস্তু থেকে থাকে তাহলে কি প্রতিমহাবিশ্বও আছে? এই প্রশ্নের উত্তর পাবো আমরা প্রতিবস্তুর উৎপত্তিস্থল খুঁজে বের করার মাধ্যমে । সত্যিকারার্থে প্রতিবস্তুর আবিষ্কারের তারিখটি হচ্ছে ১৯২৮ সাল, পল ডিরাকের অসামান্য কাজ হতে । তাকে ভাবা হয় বিংশ শতাব্দীর কয়েকজন প্রতিভাধর বিজ্ঞানীদের মধ্যে একজন । তিনি ছিলেন ক্যামব্রিজ বিশ্ববিদ্যালয়য়ের গণিতের লুকেশিয়ান অধ্যাপক পদে (১৯৩২ থেকে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-৪

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (১ , ২ , ৩)   মূল : মিশিও কাকু Naturally Occurring Antimatter আমাদের বর্তমান প্রযুক্তি দিয়ে প্রতিপরমাণু তৈরি করা একটি ব্যয়বহূল কাজ । যদি এমন হত পৃথিবীর বাইরে অর্থাৎ মহাশূণ্যে খূব সহজেই প্রতিপরমাণু পাওয়া যেত ? অনুসন্ধানকারী দল জানিয়েছেন যে ব্যাপারটা দুর্ভাগ্যজনক হলেও সত্য পৃথিবীর বাইরে প্রতিপরমাণুর পরিমাণ (পরমাণুর তুলনায়) খুবই নগণ্য , যা পদার্থবিদদের একটু অবাকই করেছে । আমাদের এই বিশ্বজগতে প্রতিপরমাণু হতে পরমাণুর পরিমাণ বেশি যা ব্যাখ্যা করা একটু কঠিন। বিজ্ঞানীরা মনে করেন বিশ্বজগতের সৃষ্টির শুরুতে পরমাণু এবং প্রতিপরমাণুর পরিমাণ ছিল সমান । আর এখন প্রতিপরমাণুর পরিমাণ কেন কম তা বিজ্ঞানীদের কাছে একটি ধাঁধা । সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য সমাধানটি প্রস্তাব করেছিলেন বিজ্ঞানী Andrei Sakharov , যে ১৯৫০ সালে সোভিয়েত ইউনিয়নের জন্য Hydrogen bomb এর…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এ্যান্টি-ম্যাটার এবং এ্যান্টি-ইউনিভার্স-১

এই সিরিজের অন্যান্য পোষ্টগুলো (২ , ৩ , ৪)   মূল : মিশিও কাকু ড্যান ব্রাউন আমার একজন প্রিয় লেখক , তাঁর The Da Vinci Code বইটির জন্য অনেকের কাছেই তিনি আজীবন  স্মরণীয় হয়ে থাকবেন । Angels And Demons তাঁর আরেকটি বিখ্যাত বই ,এই বইয়ের গল্পের একটি পর্যায়ে লেখক এন্টি-ম্যাটার বোম এর কথা উল্লেখ করেন যা কিনা Illuminati নামক চরমপন্থি একটি দল জেনেভার নিউক্লিয়ার পরীক্ষাগার CERN হতে চুরি করে । এই চক্রান্তকারী দল  কোনভাবে জানতে পারে যে ম্যাটার এবং এন্টি-ম্যাটার যখন একে অন্যের সংস্পর্শে আসে তখন ভয়াবহ রকমের বিস্ফোরণ হয় , যা হাইড্রোজেন বোম হতে কয়েক গুণ শক্তিশালী । যদিও এক সময় এন্টি-ম্যাটার ছিল বিজ্ঞানের কল্প কাহিনীতে কিন্তু বর্তমানে বাস্তবে এর অস্তিত্ব পাওয়া যায় । পারমাণবিক বোমার শক্তি সম্পর্কে কম…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এন্টিম্যাটারের খোঁজে

এন্টিম্যাটার(Antimatter) বা প্রতিপদার্থ হলো সেই বস্তু যা কোন পদার্থের সংস্পর্শে এলে উভয়েই ধ্বংস হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। যে কোন পদার্থই আবার অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র মূল কণিকা দিয়ে তৈরি। সেই হিসেবে এন্টিম্যাটারও ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণিকা দ্বারা তৈরি। কাজেই যে কোন মুল কণিকার একটি বিপরীত মূল কণিকা আছে। এই মূলকণিকাগুলো তাদের প্রতিপদার্থের একই রকম মূলকণিকার সংস্পর্শে এলে উভয়েই নিশ্চিন্হ হয়ে যায় এবং বিপুল পরিমান শক্তি উৎপন্ন হয়। অর্থাৎ আপনি যদি আপনার দেহের সমপরিমান কোন এন্টিম্যাটারের সংস্পর্শে আসেন তাহলে উভয়েই বিলুপ্ত হয়ে যাবেন তবে বিলুপ্ত হয়ে যাবার সময় উত্তরাধিকারীদের জন্য প্রচুর পরিমান শক্তি রেখে যেতে পারবেন। 140
বিস্তারিত পড়ুন ...