জ্যোতির্বিজ্ঞানের অনন্য ইতিহাস গ্রন্থ “ইউডক্সাসের গোলক ও অন্যান্য প্রসঙ্গ”

জ্যোতির্বিজ্ঞানের ইতিহাস নিয়ে লেখা অনন্য একটি বই। মানুষ জ্যোতির্বিজ্ঞানের সাথে পরিচিত তখন থেকেই যখন থেকে মানুষ আকাশ দেখতে শুরু করেছে। আর আকাশ যেহেতু সর্বক্ষণের সঙ্গী তাই মানুষের বুদ্ধিমত্তার বিকাশের শুরু থেকেই মানুষ জ্যোতির্বিজ্ঞান চর্চা করে আসছে। হতে পারে তারা ভুল কিংবা আংশিক সঠিক, তবুও জ্যোতির্বিজ্ঞানের শুরুটা তারাই করে দিয়েছিল। এটা নাহয় ধরে নেয়া গেল মানুষ পর্যাপ্ত বুদ্ধিমত্তার শুরু থেকেই আকাশ পর্যবেক্ষণ করতো কিন্তু কেমন ছিল তাঁদের সেই আকাশ চিন্তা? আর সেই মানুষগুলোই বা কারা? তারা পৃথিবীর কোথায় থাকতো? কেমন ছিল তাঁদের রীতিনীতি এইসব নিয়ে চমৎকার এবং তাক লাগানো আলোচনা পাওয়া যায় এই গ্রন্থে। আজকালকার প্রায় সকল পত্রিকায় থাকা রাশিচক্র কত প্রাচীন এবং কী কী পৌরাণিক কাহিনী জড়িত এদের সাথে এ নিয়ে ভাল আলোচনা আছে এই গ্রন্থে। মানুষ কেন তারার মাঝে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ – ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী

১০ নভেম্বর বিশ্ব বিজ্ঞান দিবসে এক বৈঠকে পড়ে শেষ করে ফেললাম ‘ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী’র বই “কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ”। আকৃতিতে ছোট সাইজের এই বইটি একটি ট্রেন ভ্রমণেই শেষ হয়ে গেল। ‘কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ’ নামের বইটি হচ্ছে সলিড স্টেট সিরিজের দ্বিতীয় বই। আগের বইটির চেয়ে এই বইটি অনেক সাবলীলে পড়ে শেষ করতে পেরেছি। আগের বইটি আর এই বইটি ধাঁচের দিক থেকে একই, কিন্তু তারপরেও এই বইটিকে আমি উপরে রাখবো। তার কারণ মনে হয় প্রথম বইটি পড়ার সময় ধরে নিয়েছিলাম এটি পপুলার সায়েন্স জাতীয় বই। কিন্তু আদতে এটি কিছুটা টেক্সট, কিছুটা পপুলার ধাঁচের বই। বলা যায় ‘সেমি-টেক্সট’ বই। মানসিক ব্যাপার স্যাপার অনেক বড় জিনিস। মানসিক ব্যাপার স্যাপারের কারণে একই বই একজনের কাছে অমৃতের মত লাগে আরেকজনের কাছে কঠিন লাগে। কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ পড়ার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

থাকে শুধু অন্ধকার

সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় মহাকাশযানে চেপে মানুষকে দূর নক্ষত্রে পারি দিতে। কিন্তু উপন্যাসিকের কল্পনায় আঁকা মহাকাশযানের ভেতরের সত্যিকার বাস্তবতা কেমন তা মনে হয় এ বিষয়ে আগ্রহীদের না জানলেই নয়। তারই কিছুটা আভাষ পাওয়া যেতে যাবে “থাকে শুধু অন্ধকার” নামের বইটিতে। মহাকাশযানে চেপে দূর নক্ষত্রে পাড়ি দিতে কত যে জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে, কত যে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠতে হবে তা নিয়ে তাক লাগানো কিছু আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। শক্তি ব্যবহারে আমাদের আজকের যে প্রযুক্তি সে প্রযুক্তিতে অতি কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারিতে যাত্রা করতে হলেও আরও দুইশো অপেক্ষা করতে হবে। সবচে কাছের একটা নক্ষত্রের দিকে মাত্র একটা যাত্রা করতেও যে পরিমাণ ‘এটা-ওটা ’র দরকার হবে তা স্বাভাবিক হিসেবে মানুষের পক্ষে দুইশো বছরের আগে যোগান দেয়া সম্ভব নয়। অবশ্য যদি প্রযুক্তিতে…
বিস্তারিত পড়ুন ...