মুদ্রায় বিজ্ঞানী ও বিজ্ঞান

বাংলাদেশের মুদ্রাগুলোর জন্য আক্ষেপ হয়, বেচারাদের হাঁপ ছেঁড়ে বাঁচার যেন কোনো সুযোগ নেই। সরকার পরিবর্তনের সাথে সাথে টাকা তার রূপ বদলাতে বাধ্য হয়। এক সরকার আসলে সকল টাকাতে সরকারের আত্মীয় (স্বজন) সম্পর্কীয় কারো ছবিতে ছেয়ে যায়। পরে যদি ঐ সরকার পরিবর্তিত হয়ে অন্য সরকার আসে তাহলে টাকার উপর শুরু হয় ঠিক আগের সরকারের বিপরীত প্রক্রিয়া। আগের সরকারের সকল টাকা বদলে নতুন রূপের টাকা ছাড়ে। প্রথম দলটির নাম আওয়ামীলীগ,পরেরটির নাম বিএনপি। প্রথম দলের দেশের আবেগ অনুভূতি নিয়ে, দেশের ভিত্তি নিয়ে কাজ করেছে এমন কিছু আছে যা পরের দলটির নেই তেমন একটা। যদি থাকতো তাহলে অবশ্যই টাকাতে দ্বিতীয় দলের কারো ছবি ছাপিয়ে ভরে ফেলতো। ব্যাংক নোটের এই অবস্থা নিয়ে আমার একটা স্থায়ী অসন্তোষ। এই ব্যাপারটাতে আমি ভারী অতৃপ্ত। বিজ্ঞান লেখক জাফর ইকবালের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আমাদের গর্ব !

  অনেক বাঙ্গালী বিজ্ঞানী আছেন যাঁরা তাঁদের মেধা , নিষ্ঠা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অনেক উঁচু আসনে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। আমরা অনেকেই বাংলার এই কৃতি সন্তানদের সম্পর্কে জানিনা । তবে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের নিজ মহিমায় উজ্জ্বল। রাগিব হাসানের তথ্যবহুল  স্ট্যাটাস আপডেট থেকে আইডিয়া নিয়ে আর উইকিপিডিয়া থেকে আরো তথ্য যাচাই-বাছাই করে এমনই কয়েক জন বিজ্ঞানীর একটি প্রাণবন্ত পোস্টার তৈরি করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র মইনুল ইসলাম চৌধুরী। পোস্টারটি মাইক্রোবায়লজি অ্যাসোসিয়েশান অব বাংলাদেশ (ম্যাব) প্রকাশিত স্যুভেনিয়ারে স্হান পেয়েছে। এই পোস্টারটি খুবই স্বল্প সময়ে তৈরি। কপিরাইট বিহীন এই পোস্টারটি তাই যে কেউ চাইলেই পরিবর্তন-পরিবর্ধন-সংযোজন করে শেয়ার করতে পারবেন।   আরো ভালভাবে পোস্টারটি দেখতে ও ডাউনলোড করতে এখানে ক্লিক করুন-আমাদের গর্ব    
বিস্তারিত পড়ুন ...

‘ল্যাবে মেয়ের সংখ্যাই বেশি’

  ঘর-সংসার সামলেও যে রিকম্বিন্যান্ট ডিএনএর মতো জটিলতর বিষয় নিয়ে গবেষণা  করা যায় তার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণরসায়ন ও  অনুপ্রাণ বিভাগের অধ্যাপক জেবা ইসলাম সেরাজ। শিগগিরই হয়তো তার গড়ে তোলা গবেষণাগার হতে উপকূলের চাষীদের হাতে পৌঁছে যাবে লবণসহনশীল নতুন জাতের ধান। এই সাক্ষাতকারটির পরিবর্তিত অংশ কালের কন্ঠের সন্ধানীতে প্রকাশিত হয়েছে। ১. আমাদের সমাজে সাধারণত স্নাতকের পরেই মেয়েদের বিয়ে হয়ে যায়। তারা গৃহিণী হয়ে যান। আপনি কেন ভিন্ন পথে হাঁটার সিদ্ধান্ত নিলেন? - প্রায়ই দেখা যায় বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশের পর শিক্ষার্থীদের আকাঙ্ক্ষা শেষ হয়ে যায়। আমার ক্ষেত্রে তা হয় নি। আমার পড়াশুনা করতে ভালো লাগতো। আমার বাবা ছিলেন উদ্ভিদবিদ্যার প্রফেসর।আমার পড়াশুনায় আগ্রহের তিনিও বুঝতেন। তাই বিয়ের প্রস্তাব আসলে উনি নাকচ করে দিতেন। তিনি আমাকে অনেক সহায়তা এবং উৎসাহ দিয়েছিলেন। তাছাড়া আমি যখন পড়াশুনা করছি তখন পৃথিবীতে ডিএনএ…
বিস্তারিত পড়ুন ...