মাইটোকন্ড্রিয়াল বিবি হাওয়া (Mitochondrial Eve), আমাদের আদি মাতা

  ধারণা করা হয় প্রায় ২ লক্ষ বছর আগে বেঁচে ছিলেন এই বিবি হাওয়া। ইনি থাকতেন পূর্ব আফ্রিকায়, Homo heidelbergensis এর বিস্তারের শেষে এবং Homo neanderthalensis এর আবির্ভাবের শুরুর দিকটায়। কিন্তু তখনও আফ্রিকা থেকে মানুষের এই পরদাদারা পৃথিবীর অন্য অংশে ছড়ানো শুরু করেন নি। সেমিটিক ধর্ম থেকে Eve (বিবি হাওয়া) টার্ম টা নেয়া হয়েছে। ধারণা করা হয় এই মহিলা থেকে এখনকার যুগের সকল আধুনিক মানুষ এসেছেন। একে মাইটোকন্ড্রিয়াল বিবি হাওয়া বলার কারণ, এই লক্ষাধিক বছর আগের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কৃত্রিম ডিএনএতে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ: বিবর্তন প্রতিষ্ঠায় আরো একধাপ

বিবর্তন প্রতিষ্ঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো বিজ্ঞান। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে বিবর্তনের রসায়ন পর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং আবিষ্কার করেছেন যে, রাসায়নিক ভাবেই বিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই গবেষণার মাধ্যমে বোঝা গেলো মহাবিশ্বের অন্যকোথায় প্রাণের বিকাশ ঘটলে সেখানেও স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণের বংশবৃদ্ধি এবং বিবর্তন ঘটবে এবং তার জন্য পৃথিবীর অনুরূপ ডিএনএ বা আরএনএ-র দরকার হবে না। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি অতিসম্প্রতি ‘সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যমব্রিজের MRC Laboratory of Molecular Biology…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কেন প্রাণীদের চাকা নেই?

মানুষের ইতিহাসে কিছু মৌলিক আবিষ্কার আছে যেগুলোকে মাইলফলক হিসেবে ধরা হয়। অমল দাশগুপ্ত তার মানুষের ঠিকানা বইটিতে পাথরের হাতিয়ার, আগুন, কৃষিকাজ, চাকা ইত্যাদিকে একেকটা বিপ্লবের চিহ্ন হিসেবে ধরেছেন। হাতিয়ার মানুষের ক্ষমতা দিয়েছে বাড়িয়ে। আগুন মানুষকে দিয়েছে সুরক্ষা। কৃষিকাজ মানুষকে খাবারের নিশ্চিত উৎস দিয়েছে। এর ফলে শিকারী আর রাখাল মানুষ থিতু হওয়ার সুযোগ পায়। চাকা যে পরিবহনে কেবল সাহায্য করেছে শুধু তাই নয়। চাকা ব্যবহার করে মানুষ নানা জটিল যন্ত্র তৈরি করেছে। যেমন কুমারের চাকা। যে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বিবর্তনবাদ : Theory or Fact?

ঊনবিংশ শতাব্দীর অন্যতম বড় বিতর্কের নাম বিবর্তনবাদ। বিবর্তনবাদ নিয়ে বিতর্কটা নতুন মনে হলেও এটা কিন্তু খুব নতুন কোন বিষয় নয়। খ্রিষ্টের ও জন্মের আগে গ্রীক দার্শনিক আনাক্সিম্যানডার (Anaximander) বিবর্তনবাদের ধারণা দিয়ে গেছেন। এরপর বিভিন্ন বিজ্ঞানী ও দার্শনিক বিবর্তনবাদের স্বপক্ষে কথা বললেও, তেমন কোন জোরালো প্রমানের অভাবে এই তত্ত্ব জনসাধারণের মধ্যে তেমন গ্রহণযোগ্যতা পায়নি। তবে ঊনবিংশ শতাব্দির মাঝামাঝি সময়ে চার্লস ডারউইন এবং আলফ্রেড  রাসেল ওয়ালেস এর মাধ্যমে বিবর্তনবাদ তত্ত্বটি নতুন করে পালে হাওয়া পায়। ১৯৫৯ সালে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অতিথি পোস্ট: বিবর্তন, বিশ্বাস আর বিবর্তনবাদ-বিরোধিতার হুজুগ

কয়েক বছর আগে, আমার হার্নিয়া অপারেশন করা হয়। এমন একটা অভিজ্ঞতা, যেটা প্রতি চারজনের একজন ব্রিটিশ পুরুষের হয়। তার মানে প্রতি একশ জনে পঁচিশ জন, বেশ ভাবানোর মত একটা সংখ্যা। হার্নিয়া এমন একটা রোগ, যেখানে অন্ত্রের একটা অংশ ঝিল্লি ফুঁড়ে নিচে নেমে আসে, আর নিম্নাঙ্গে বিচ্ছিরি এবং বিপজ্জনক একটা স্ফীতি তৈরি হয়। অপারেশনের কাজটা একজন সার্জনের, নিঃসন্দেহে উনি আগেও আরো কয়েকশ বার একই জিনিস করেছেন। কিন্তু, এতো বেশি মানুষের এই সমস্যাটা হয় কেন? কাহিনীর শুরু আসলে অনেক…
বিস্তারিত পড়ুন ...