বিজ্ঞানব্লগের পাঠক এবং লেখকদের জন্য উন্মুক্ত হলো এই পাতাটি।  এটি মাইক্রোব্লগিং পাতা। যে কেউ, যে কোন বিষয় নিয়ে এখানে লিখতে পারবেন।  তবে রাজনীতি এবং ধর্ম নিয়ে লেখা যাবে না। কেউ চাইলে তার স্ট্যাটাস আপডেটের জন্যও এই পাতাটি ব্যাবহার করতে পারেন।  এছাড়া বিজ্ঞানব্লগ নিয়ে যে কোন গঠনমূলক মতামত এখানে দেয়া যেতে পারে।

বাংলা ফন্ট বড় করার জন্য সাহায্য দেখুন।  

ফেসবুকে আপনার মতামত জানান

মন্তব্যসমূহ

  1. শুভ রহমান Reply


    শুভেচ্ছা সবাইকে। ভাবছি, আমার অন্য ওয়ার্ডপ্রেস ব্লগটি বন্ধ করে দেব। সেখানের বিজ্ঞানের লেখাগুলো এই ব্লগে নিয়ে আসবো।
    Happy Blogging!

    • শুভ রহমান Reply

      তাহলে ট্যাগিং হয়ে যায় নাস্তিক/আস্তিক – আম্লীগ/বিএম্পি/বাম। বুঝেনই তো, এই দুইটা বিষয় সেনসিটিভ অনেক। আমার আপনার ব্যক্তিগত মতামত যাই থাকুক, ট্যাগ হয়ে গেলে অনেক রকম ঝামেলা হয় যা আমি চাই না। অন্তত বিজ্ঞানের মতো একটা প্ল্যাটফর্মে। দেখেন মুক্তমনায় বিজ্ঞানের কত ভালো ভালো লেখা, ওই ফোরাম নিয়ে দেখবেন অনেকেই নাক কুচকায়।
      আপনার কি মনে হয়? বিজ্ঞানের একটা প্ল্যাটফর্মে ব্লগের মতো একটা খোলা জায়গায় রাজনীতি-ধর্ম নিয়ে কাদা ছোড়াছুড়ি কি আপনার ভালো লাগবে? আপনার ভিন্ন যুক্তি থাকলে বলেন।

      এই বইটা পড়েছেন? ফিজিক্স অব দ্যা ইম্পসিবল http://www.mediafire.com/?ymhyiqnrrlrt1jo

  2. শুভ রহমান Reply

    আমাদের মহাবিশ্ব একা নয়। বরঞ্চ তার অগণিত সাথী মহাবিশ্ব থাকার গুরুতর সম্ভাবনা আছে। কোন সায়েন্স ফিকশন নয়। বিজ্ঞানের আলোচিত একটি নতুন দিক – অসংখ্য মহাবিশ্ব। কিছু মহাবিশ্ব সমান্তরালও হতে পারে।

    http://mukto-mona.com/banga_blog/?p=12344

    এই পোস্টের শেষে মিশিও কাকু-র একটি ভিডিও আছে। কাজে লাগতে পারে।

  3. শুভ রহমান Reply

    জুলিয়ান এসাঞ্জ যুক্তরাষ্ট্রের বিপদ বলয়ের মধ্যে পড়েন না। তিনি কালো নন, মুসলিম নন, কম্যুনিস্ট নন। উইকিলিকস প্রকাশিত তথ্য আমেরিকার বিশ্বশাসনের কোন ক্ষতি করবে না। তাহলে কেন আমেরিকা পাগলাকুত্তার মতো ক্ষেপে গেল?

    http://goo.gl/wJJEM

  4. শুভ রহমান Reply

    মন নিয়ন্ত্রণ কি সম্ভব? লেজার দিয়ে কি কখনো মানষের মন নিয়ন্ত্রণ করা যাবে? মানুষের মন এখনো নিয়ন্ত্রণ করা না গেলেও বিজ্ঞানীরা একটি ছোট পোকার মন নিয়ন্ত্রণ করতে পেরেছেন। সূত্র http://goo.gl/p34YB

  5. শুভ রহমান Reply

    ডেমরায় গিয়েছিলাম গত শুক্রবার। শান্তর আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ আর সৌর কলঙ্ক নিয়ে কাজ দেখে আসলাম। সাথে গিয়েছিলো আমার বন্ধু, রাজু। আশা করি, একটা লেখা দিতে পারবো সম্প্রতি।

  6. eklotan Reply

    আর কদিন বাদেই লেখা শুরু করবো। জীবনি আর সংবাদপত্র থেকে বিজ্ঞান বিষয়েই লিখবো। লেখা অনুবাদ করার চেষ্টা থাকবে।

    • শুভ রহমান Reply

      থামেন নিজেদের ডোমেইনে আগে যাই। তারপর নিয়মিত না হলে কিন্তু খবর আছে কইলাম।

    • প্রশাসক Reply

      বিজ্ঞান ব্লগের নীতিমালা থেকে …

      ) প্রযুক্তি বিষয়ক লেখা দেয়া যাবে। কিন্তু তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক লেখালেখি করা যাবে না। কারণ তথ্যপ্রযুক্তি নিয়ে প্রচুর লেখালেখি ইন্টারনেটে হয়।

      কম্পিউটার বিজ্ঞান বিষয়ক লেখা দিতে পারেন। আপাতত Uncategorized-ই থাকুক। পরে না হয় বিভাগ তৈরি করা যাবে।

  7. সৈকত Reply

    শুভ, আমার মনে হয় একটা সাবস্ক্রিপশনের ব্যবস্থা থাকলে খারাপ হত না। অপশন টা ভেবে দেখতে পারিস।

  8. প্রশাসক Reply

    ফেসবুক থেকে রহস্যজনক হিটের সমাধান করা গেছে। সবই ফেসবুকল “Like” এর কল্যাণে। বারমুডা ট্রায়াঙ্গল আর এনার্জি সেভিং বাল্বের লেখাগুলিতে ফেসবুক লাইক পড়ছে যথাক্রমে 31 ও 28। এতো জনের লাইক তাদের ফেসবুক পেজে চলে গেছে, সেখান থেকে আরো ভিজিটর এসেছে। মানে ভুত থেকে ভুতে আর কি!

    • প্রশাসক Reply

      অনেক ধন্যবাদ। বিষয়ভিত্তিক ক্যাটাগরি আছে – সেটাকে ধীরে ধীরে বিস্তৃত করা হবে। সাথে থাকুন।

  9. প্রশাসক Reply

    … টিউবওয়েল এর ব্যবহার নিয়ে প্রচার প্রচারণা হয়েছে, কারণ কেউ না কেউ এ থেকে টাকা বানাতে পেরেছে। ওদিকে ৬০ ডিগ্রি সেলসিয়াসে ২০ মিনিট রাখলেই পানি ডাইরিয়াটাইপ জীবানু মুক্ত হয়ে যায়, এই কথাটি প্রচারিত হচ্ছে না। কারণ, এ থেকে টাকা বানানোর উপায় নেই[
    http://www.sachalayatan.com/sporsho/43507

  10. আরাফাত রহমান Reply

    কোয়েলকান্থ। বৈজ্ঞানিক নাম Latimeria। এই মাছটিকে বলা হয় লিভিঙ ফসিল, বা জীবন্ত জীবাস্ম। কারণ ৩০০ মিলিয়ন বছর পূর্বের এক পূর্বপুরুষের সাথে এর খুব মিল। একসময় ভাবা হতো, মাছটা মনে হয় বিলুপ্ত হয়ে গেছে। কিন্তু না, ১৯৩৮ সালে অাফ্রিকার উপকূলে এই মাছটি প্রথম ধরা পড়ে। এখনো এই অাদিম মাছটিকে ধরা বেশ কষ্টজনক। কারণ এরা থাকে গভীর সমুদ্র-গুহায়।

    কোয়েলকান্থ কেন এতো তাৎপর্যবহ? এর দেহে চারটি বড়, মোটা ফিন অাছে। বিজ্ঞানীরা মনে করেন এটা সেই সময়ের চিহ্ন যখন কি না কিছু মাছ জল থেকে মাটিতে পা ফেলছিলো।

    সম্প্রতি বিজ্ঞানীরা কোয়েলকান্থের জিনোম সিকোয়েন্স করেছেন। তারপর কোয়েলকান্থ ও লাঙফিশের জিনোম তুলনা করেছেন স্থলবাসী প্রাণীদের সাথে। বলে রাখি, লাঙফিশের বিশেষত্ব হচ্ছে এর ফুলকার বদলে ফুসফুস রয়েছে। দেখা গেছে, কোয়েলকান্থের চাইতে লাঙফিশ স্থলবাসী প্রাণীদের সাথে বেশি সম্পর্কিত। তারমানে জল থেকে স্থলে অাহরনে ‘পা’ এর চাইতে ‘ফুসফুসের’ গুরুত্বই বেশি — এমনটাই ধারণা করছেন বিজ্ঞানীরা।

    [এই লেখাটা অনুবাদিত হয়েছে Evolution পেজ থেকে।]

    ছবি সৌজন্য:

    http://vertebrates.si.edu/fishes/coelacanth/coelacanth_wider.html

    তথ্যসূত্র:

    http://www.bbc.co.uk/news/science-environment-22184556

    http://www.sciencenews.org/view/generic/id/349739/description/News_in_Brief_Coelacanth_is_not_closest_fishy_relative_of_terrestrial_animals

    http://vertebrates.si.edu/fishes/coelacanth/coelacanth_wider.html

    Smiley face

  11. আরাফাত রহমান Reply

    প্রাণীদের বিবর্তনের ইতিহাস অনেক ঘটনাবহুল। যেমন ধরা যাক জল থেকে স্থলচারী হওয়ার অধ্যায়ের কথা। প্রাণীরা জল থেকে কোন শুভদিনে নিশ্চই একলাফে স্থলে উঠে আসে নি। অনেকগুলো ছোট ছোট পরিবর্তন যুক্ত হতে হতে প্রাণীরা অবশেষে স্থলচারী হয়। যেমন জলচারীরা চারটি পা উদ্ভবের ফলে না হয় তারা ডাঙায় উঠে এলো। কিন্তু তারা খাবে কী? ডাঙা তখন নানা উদ্ভিদে পরিপূর্ন। কিন্তু উদ্ভিদভোজী হতে হলে ডাঙার নতুন অতিথিদের প্রয়োজন নতুন রকমের চোয়াল। তারমানে পা গঠনের পর অবশ্যই চোয়ালের উদ্ভব হতে হবে।

    land

    কিন্তু অনেক আগে থেকেই বিজ্ঞানীরা ভাবতেন, পা গঠনের পর চোয়াল আসতে আসতে প্রচুর সময় লেগেছে। কারণ, পানি থেকে ডাঙায় উঠে আসার পরেও প্রাণীদের খাদ্যাভাসে তেমন একটা পরিবর্তন হয় নি বহুদিন ধরে।

    এতোদিন পর্যন্ত বিজ্ঞানীদের এই ধারণাটা অনুকল্প বা হাইপোথিসিস হিসেবেই ছিলো। সম্প্রতি একদল গবেষক পরিসংখ্যান ব্যাবহার করে নিশ্চিত করছেন, এই মধ্যবর্তী কালক্ষেপণ সত্যি সত্যিই ঘটেছিলো। চতুস্পদীরা জল থেকে স্থলে উঠে আসার পরেও তাদের মাছদের মতো চোয়াল ছিলো। দীর্ঘদিন ধরে। মজার ব্যাপার, স্থলীয় খাবারে অভ্যস্থ হওয়া খুব দীর্ঘদিনের ইতিহাস নয় – মাত্র ৪০-৮০ মিলিয়ন বছর। সেই মাছদের-মতো-চোয়াল আধুনিক-চোয়ালে রূপান্তরিত হওয়ার পেছনে পূর্বশর্ত হলো প্রাণীদের তৃণভোজী জীবনযাত্রায় অভ্যস্থ হওয়া।

    ঠিক কি করেছেন এই গবেষকরা? তারা মূলত ৩০০-৪০০ মিলিয়ন বছর আগের ৮৯টি ফসিল নিয়ে কাজ করেছেন। সময়ের সাথে সাথে এই নমুনা ফসিলের চোয়ালের রূপান্তর পর্যবেক্ষণ করেন। এ জন্য তারা দশটি জৈব-যান্ত্রিক (বায়োমেকানিক্যাল) পরিমাপ হিসাব করেন। এই উপাত্ত থেকে তারা চোয়ালের বিবর্তনের হার বের করেন।

    আরেকটি অনুকল্পও এই দীর্ঘসূত্রীতা ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে। প্রাণীদের ফুসফুসের আবির্ভাব হয়েছে পা গঠনের পর। স্থলের নতুন অতিথিদের উদ্ভিদভোজী হতে হলে ফুসফুসীয় প্রশ্বাসনে দক্ষ হতে হবে। তার মানে ফুলকা থেকে ফুসফুস উদ্ভবের পরই চতুষ্পদীরা স্থলীয় উদ্ভিদ ভক্ষণ শুরু করে। তাই তাদের আধুনিক চোয়াল উদ্ভবও করা শুরু হয় দেরীতে।

    আরো পড়ুন: http://bit.ly/ZkoIIP
    ছবি: http://bit.ly/JGmqiF

    Evolution পেজ থেকে ভাষান্তর

  12. আরাফাত রহমান Reply

    গর্ভবতী মায়ের প্লাসেন্টা বা গর্ভফুল অত্যন্ত বিস্ময়কর একটি অঙ্গ। গর্ভফুলের আরেক নাম অমরা। গর্ভফুল কোথ্থেকে তৈরি হয় জানেন? মা নয়, গর্ভফুল তৈরি হয় ভ্রুণের টিস্যুকলা থেকে। বিস্ময়কর বলার কারণ হলো গর্ভফুল মায়ের দেহের কাছে বহিরাগত বস্তু। দেহের প্রতিরোধ ব্যাবস্থা বা ইমিউনিটি সিস্টেমের উচিত গর্ভফুলের বিরুদ্ধে কাজ করা। দেহের রোগপ্রতিরোধ ব্যাবস্থার মূল কাজ এটাই, দেহের বাইরে থেকে যেসব বিদেশী বস্তু আসে তার বিরুদ্ধে প্রতিরোধ গড়ে তোলা। গর্ভবতী মায়ের ক্ষেত্রে দেখা যায় অমরা বহিরাগত হলেও নয় মাসের গর্ভাবস্থা সফল করে তোলে। এটা কিভাবে সম্ভব?

    অনেকের হয়তো খটকা লাগতে পারে যে কেন অমরাকে বহিরাগত বলা হচ্ছে। মানুষের অনাক্রম্যতা বা রোগপ্রতিরোধ ব্যাবস্থা খুব সংবেদনশীল প্রক্রিয়া। রক্তের গ্রুপ না মিললে সে মানুষ থেকে মানুষে রক্ত গ্রহণ করবে না। অস্থিমজ্জা বা কিডনির মতো অঙ্গ প্রতিস্থাপন করতে গেলে প্রায়ই শরীর নতুন অঙ্গকে খারিজ করে দেয়। সেখানে অমরার মতো একটা বিদেশী অঙ্গ শরীরের সাথে যুক্ত হবে, আবার রক্ত থেকে অক্সিজেন, পুষ্টি ও অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা নেবে আর মায়ের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কিছু করবে না – এটা খুবই বিস্ময়কর।

    omora

    আসুন অমরা সম্পর্কে একটু জেনে নেয়া যাক।

    শুক্রানু ও ডিম্বানু নিষেকের চার-পাঁচ দিন পর সদ্য তৈরি ভ্রুণ একটা ফাঁপা বলের মতো হয়। এই বল মোটামুটি শখানেক কোষ দিয়ে তৈরি। এটাকে বলে ব্লাস্টোসাইট। ফাঁপা বলটির ভেতরের আর বলটির সাথে লেগে থাকা কোষেরা একই দলের। এরা পরবর্তীতে খুব জটিল একটা পদ্ধতির মাধ্যমে ফিটাসে রূপান্তরিত হয়। আর বলের বাইরের কোষগুলো (ট্রফোব্লাস্ট) জরায়ুর আস্তরণের সাথে যুক্ত হয় – সময়ের সাথে সাথে রূপান্তরিত হয় অমরায়। অমরার মাধ্যমে দুইটি মনুষ পরস্পর যুক্ত থাকে, যতটুকু নিকটে থাকা সম্ভব। যুক্ত হওয়ার পর ট্রফোব্লাস্ট মায়ের রক্তপ্রবাহের পথকে পুনঃনির্মান করে ফিটাসের দিকে, নাভিরজ্জু বা নাড়ি দিয়ে, ফিটাসের খাবার যোগান দেয়ার জন্যে। নবজাতক জন্ম নেয়ার সময় মা আর অমরার মাঝে এই ইন্টারফেসটি মোটামুটি ১২ বর্গফুট হয়ে হয়ে থাকে।

    তো প্রশ্ন হলো অমরা কিভাবে মায়ের প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থাকে বাঁধ দিয়ে রাখে? গবেষকরা দেখেছেন গর্ভফুল বিভিন্ন ধরণের এক্সোসম ছাড়ে। এক্সোসম হলো থলির মতো একধরনের বস্তু, যার ভেতর বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদান থাকে। এইসব এক্সোসম দিয়ে গর্ভফুল বিভিন্ন বার্তা দিয়ে মায়ের প্রতিরক্ষা ব্যাবস্থাকে বলে সরে যেতে, ঝামেলা না করতে!

    জন্মের পর অমরা মার্তৃদেহ থেকে নির্বাসিত হয়ে যায়, নাভিরজ্জু কেটে ফেলা হয়। আর এর মাধ্যমে মা আর শিশুর সরাসরি শারীরিক যোগাযোগ সমাপ্ত হয়ে যায়। জন্মের পরে অমরা নিয়ে কি করা হবে তা নিয়ে অনেক বিতর্ক রয়েছে। কেউ কেউ তো মনে করেন অমরা খাওয়া উচিত! জন্মের পর অমরা নিয়ে যাই করা হোক না কেন অমরা খুব বিস্ময়কর এক অঙ্গ।

    উপরের বর্ননা Evolution পেজ থেকে অনূদিত।
    সূত্র: http://www.sciencenews.org/view/feature/id/350741/description

আপনার মতামত