আগুন লাগলে কী করবেন?

বর্তমান সময়ের কয়েকটি অগ্নি দুর্ঘটনা আমাদের কিছু দুঃখজনক কিন্তু অত্যন্ত জরুরী বিষয়ের দিকে চোখ ফেরাতে বাধ্য করেছে। এসব দুর্ঘটনার পেছনে যেমন দায়ী ছিলো কাঠামোগত ত্রুটি, অপর্যাপ্ত অগ্নি নির্বাপন ব্যবস্থা, তেমনি হতাহতের সংখ্যা বৃদ্ধির পেছনে হাত ছিলো এ ধরণের পরিস্থিতিতে কী করণীয় সে সম্পর্কে পর্যাপ্ত ধারণা না থাকা। আসুন আজ আমরা জানতে চেষ্টা করি আপনার বাসস্থান বা অফিসে আগুন লাগলে আপনি কী করতে পারেন সেটা নিয়ে। আগুন লেগেছে বুঝতে পারার পর প্রথম করণীয় হচ্ছে অগ্নি নির্বাপক যন্ত্র (Fire extinguisher) দিয়ে আগুন নিভানোর চেষ্টা করা। এতে কাজ না হলে দ্রুতই মাথা ঠান্ডা রেখে আগুন লাগা ভবন থেকে বের হয়ে যেতে চেষ্টা করুন। বিস্তারিত

ভালোবাসার ব্যবচ্ছেদ

“তোমরা যে বলো দিবস রজনী, ভালোবাসা, ভালোবাসা/ সখী ভালোবাসা কারে কয়?” “তোরা যে যা বলিস ভাই”-ভালোবাসা একটি শারীরবৃত্তীয় রাসায়নিক প্রক্রিয়া। হ্যাঁ, এর হরেকরকম ব্যাখ্যা থাকতে পারে, দিক থাকতে পারে, কিন্তু এর রাসায়নিক দিকটি উড়িয়ে দেওয়ার দেওয়ার সুযোগ নেই। বিশ্বাস হচ্ছে না? চলুন তাহলে ঘুরে আসি এক লম্বা সফরে; বিজ্ঞানীগণ ভালোবাসা নিয়ে কী বলেন-জেনে আসি। তবে এই যাত্রায় যাওয়ার আগেই বলে রাখি আমরা এই যাত্রাপথকে-প্রেমের আবেগ, মস্তিষ্কের বিভিন্ন অংশের উদ্দীপতা এবং হরমোনঘটিত পরিবর্তন-অনুযায়ী তিন পর্বে ভাগ করে তবেই আগাচ্ছি। প্রথম পর্বঃ প্রেমে পড়া   আপনাদের ঐ গল্পটা জানা আছে? ঐ যে এক ছাত্র পরীক্ষার জন্য শিখে গেলো “ধান”-রচনা, কিন্তু পরীক্ষায় আসলো বিস্তারিত

রাশিফলবিদ্যাকে না বলুন

ফেসবুকের নিত্য নতুন হুজুগের জগতে এখন এক নতুন সংযোজন-“যারা অমুক মাসে জন্মগ্রহণ করেছেন তারা কেমন!” এধরণের অযৌক্তিক, অর্থহীন ফেসবুকীয় এপ্লিকেশনগুলো ছেলেখেলা বলে হয়তো আমি, আপনি উড়িয়ে দিয়েছি; কিন্তু আপনার বন্ধুতালিকার উল্লেখযোগ্য সংখ্যক মানুষ  যখন -“হু হু! আমি কি আর কাউরে ডরাই! ভাঙতে পারি লোহার কড়াই”-  বলে অত্যন্ত গর্ব সহকারে এসব এপ্লিকেশনের ফলাফল প্রচার করেন- তখন এ সংখ্যাগরিষ্ঠ শ্রেণীর মনস্তাত্ত্বিক অবস্থা, ঠিক কী আকর্ষণে আমরা/তারা এসব বিশ্বাস করি/করেন –তা জানার কৌতূহল আমার/আপনার হতেই পারে। আর যেখানেই কৌতূহল, সেখানেই বিজ্ঞান। এই কৌতূহলের নিবৃত্তি ঘটানোর আগে আসুন একটু আমার নিজের জ্যোতিষবিদ্যার জ্ঞান জাহির করি। আপনি মানে যে ব্যক্তি আমার এই লেখাটি  এখন পড়ছেন বিস্তারিত

মস্তিষ্কের কর্মকান্ড: অভ্যন্তরীণ বাচন (২)

পূর্ববর্তী লেখা “মস্তিষ্কের কর্মকান্ড: অভ্যন্তরীণ বাচন (১)” এর পর থেকে। এই যে এই পোস্টটি দেখার পর আপনি মনে মনে বলছেন, “বিজ্ঞান ব্লগের নতুন পোস্ট!”- এই মনে মনে কথা বলাই Inner speaking বা অভ্যন্তরীণ বাচন। গতো পোস্টে এই বিষয়ে অল্প কিছু তথ্য জেনেছিলাম আমরা। আর আজ অভ্যন্তরীণ আর বাহ্যিক বাচনের সম্পর্কের গল্প শুনবো। এ গল্প যেমন একদিকে এদের ভেতরকার সম্পর্কের বয়ান দেয়, তেমনই একসাথে বলে বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবনী মনের কথা। Inner speech বুঝতে গিয়ে বিজ্ঞানীরা শুরুতেই ঠিক করে ফেলেছিলেন, একে বুঝতে গেলে এর জ্ঞাতিদের সম্পর্কে খোঁজ না নিলেই নয়। তাইতো তারা মনের গহীন কথা আর মুখ ফুটে বলা কথার সম্পর্কটা ঠিক কোন বিস্তারিত

মস্তিষ্কের কর্মকান্ডঃ অভ্যন্তরীণ বাচন

ধরুন, আপনি বাজার করতে গিয়েছেন, প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র কেনা শেষে দাম মিটিয়ে দিয়ে চলে আসছেন। হঠাৎ আপনার মাথার ভেতর কেউ বলে উঠলো, “মরিচ তো কেনা হয়নি!!” পড়িমড়ি করে আবার বাজারে ছুটলেন মরিচ কিনতে। কেউ একজন আপনাকে মনে করিয়ে দিয়েছে মরিচ কেনার কথা। অথবা একটুপর বসের সাথে আপনার একটা জরুরী মিটিং আছে। আপাতদৃষ্টিতে দেখে শান্ত মনে হলে ও ভিতরে ভিতরে আপনি নিজেকে ঝালিয়ে নিচ্ছেন সেই মিটিং এর জন্য, নিঃশব্দে মাথার ভেতর একের পর এক প্রশ্ন আর উত্তর তৈরি করে। এরকম মগজ ঘরে কথা বলা, আওয়াজবিহীন শব্দ আর বাক্য তৈরির প্রক্রিয়ার অনেক উদাহরণ আমরা আমাদের চারপাশে পাই। রাশিয়ান মনস্তত্ত্ববিদ লেভ ভিগোতস্কি সর্বপ্রথম ১৯৩০ বিস্তারিত