মুক্ত ই-বই

আমাদের একটি বিশেষ উদ্যোগ হলো বিজ্ঞানের বিভিন্ন বিষয়ে মুক্ত ই-বই প্রকাশনা, যা বিনামূল্যে ডাউনলোড করে যে কোন ডিভাইসে পড়া যাবে। আমাদের সাম্প্রতিক প্রকাশনাগুলো ডাউনলোড করুন।

বৈজ্ঞানিক অপব্যাখ্যা ও খন্ডন

ইমতিয়াজ আহমেদ

প্রকাশকাল: ২০১৬

বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে এক শ্রেনীর অসাধু ব্যক্তিকে দেখা যায় বিজ্ঞানের মোড়কে নানাবিধ অপবৈজ্ঞানিক বা অবৈজ্ঞানিক বিষয়বস্তু হাজির করতে। তাছাড়া অনেকসময় মানুষের অজান্তেই নানাবিধ ভুলভাল বিষয় ছড়িয়ে পড়ে এবং মানুষের মনে এমনভাবে গেঁথে যায় যে সেগুলো হতে পরিত্রাণ পাওয়া দুঃষ্কর হয়ে দাঁড়ায়। এছাড়া মানুষ ফ্যান্টাসি পছন্দ করে। চমকজাগানিয়া বিষয়গুলো তাকে যতটা আকর্ষণ করে বিজ্ঞানের কাট-খোট্টা বিষয়গুলো অনেকসময় সেভাবে আকর্ষণ করতে পারে না, এভাবেও বিভিন্ন অপব্যাখ্যা ছড়িয়ে থাকে। এর বাইরেও একসময় হয়তো বৈজ্ঞানিকভাবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু পরবর্তীতে বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে সাথে বাতিল হয়ে গেছে এমন বিষয়ও রয়েছে ভুরিভুরি। এমনকি অনেক-সময় বিজ্ঞানীদের খামখেয়ালিপনা এবং ঠাট্টাচ্ছলে করা মন্তব্যের মাধ্যমেও অনেক অবৈজ্ঞানিক বিষয় প্রতিষ্ঠিত হয়ে যায়। এই বইটিতে মূলতঃ দীর্ঘদিন থেকে প্রচলিত হয়ে আসা বৈজ্ঞানিক অপব্যাখ্যাগুলো খন্ডন করে প্রকৃত বিষয়গুলো তুলে ধরার চেষ্টা করা হয়েছে।

জীবের বিলুপ্তি – বিলুপ্ত প্রাণী কি ফিরিয়ে আনা যাবে?

খান ওসমান

প্রকাশকাল ২০১৬

যেভাবেই বিলুপ্তি ঘটুক না কেন, পৃথিবীজুড়ে বিজ্ঞানীরা নিজের দেশের বিভিন্ন বিলুপ্ত প্রাণীকে ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করছেন। আইবেক্স থেকে শুরু করে ডোডো, ব্যাঙ থেকে শুরু করে ম্যামথ। ভাবছেন কি দারুনটাই না হবে যদি আবার একটি ম্যামথ ঘুরে বেড়ায় উত্তর কানাডার বরফে! আমাদের দেশেও বহু প্রাণী ইতিমধ্যেই বিলুপ্ত হয়ে গেছে বা বিলুপ্তির পথে। যেমন, সরুইটি শকুনের কথা বলা যায়। গরুকে একধরনের ঔষধ খাওয়ানোর ফলে শকুনগুলি গরুর হাড় খেতে গিয়ে মারা যায়। আমাদের দেশে বিলুপ্ত প্রাণী ফিরিয়ে আনার মত প্রক্রিয়াগুলির সুবিধা নেই, আর ব্যাপারটা কতটা জটিল সেটা এই লেখাটি পড়ে বুঝতে পারবেন। তাই, বিলুপ্ত হওয়ার আগেই তাদেরকে বাঁচাতে এগিয়ে আসুন। দেশীয় জীবের সংখ্যা, প্রাপ্তিস্থান নিয়ে পর্যাপ্ত তথ্য
সংরক্ষণের অভাবও আমাদের আছে। এমন যদি হয়- নিজের এলাকার কোন জীবকে যদি আগে দেখতেন, কিন্তু এখন দেখছেন না তবে সংশ্লিষ্ট প্রাণী গবেষণা কেন্দ্রের নজরে আনুন, লিখুন।

পরমাণুর গহীন নিসর্গে

মূল: আইজ্যাক আসিমভ, অনুবাদ: ইমতিয়াজ আহমেদ

প্রকাশকাল: ২০১৫

আইজ্যাক আসিমভের Journey Across The Subatomic Cosmos বইয়ের অনুবাদ। এই বইয়ে ১২ টি অধ্যায়ে বিভক্ত করে পরমাণুর আভন্তরীন গঠন ও পরমাণু আবিষ্কারের ইতিহাসের বিভিন্ন দিক ব্যাখ্যা করা হয়েছে। শেষের দিকে এই মহাবিশ্বের উৎপত্তি ও গঠন নিয়ে আলোচনা রয়েছে।

বইটি ২০১৫ সালে ছায়াবীথি প্রকাশনী থেকে প্রকাশিত হয়।

আমরা বিজ্ঞানের নানাবিধ বিষয নিয়ে নিয়মিত ব্লগ, বিভিন্ন বিস্তারিত প্রবন্ধ, ই-বই লিখে থাকি। এছাড়া আমাদের অনেক লেখকই নিয়মিত বিজ্ঞান নিয়ে বইও প্রকাশ করছেন। নিয়মিত আমাদের লেখা ও খবরা-খবর পেতে চাইলে সাবস্ক্রাইব করুন।

সাবস্ক্রিপশন
Loading

গ্রাহক হতে চান?

যখনই বিজ্ঞান ব্লগে নতুন লেখা আসবে, আপনার ই-মেইল ইনবক্সে চলে যাবে তার খবর।