করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা কিছু জানা উচিত

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা কিছু জানা উচিত
- ঘনঘন হাত ধুয়ে ফেলুন এবং একবারে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হালকা গরম পানি এবং সাবান দিয়ে আপনার হাত ধুয়ে ফেলুন। ২০ সেকেন্ড সময় পার কার জন্য গান, দোআ, সূরা, লেখাপড়া মনে করা বা ক-খ, ABCD পড়তে পারেন । - আপনার হাত নোংরা হয়ে গেলে আপনার মুখ, চোখ, নাক স্পর্শ করবেন না। - আপনি অসুস্থবোধ করছেন অথবা সর্দি বা ফ্লুর লক্ষণ দেখা দেয় তহলে বাইরে যাবেন না। - কাশি বা হাঁচি দিচ্ছে এমন কারও থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরে অবস্থান করুন। [10] - আপনি নিজে যখনই হাঁচি বা কাশি দিচ্ছেন তখন আপনার কনুইয়ের ভিতর মুখ ঢেকে হাঁচি দিন। আপনার ব্যবহৃত টিস্যু যতদ্রত সম্ভব সঠিক স্থানে ফেলে দিন। - আপনি নিয়মিত স্পর্শ করা যে কোনও বস্তু পরিষ্কার করুন। ফোন, কম্পিউটার, বাসন, ডিশওয়্যার এবং ডোরকনবসের মতো বস্তুগুলিতে জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।
বিস্তারিত পড়ুন ...

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ২; রোগ জীবাণুর গল্প

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ২; রোগ জীবাণুর গল্প
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের রোগ জীবাণুর গল্প বইটার সবচেয়ে চমৎকার যেদিকটা আমার মনে হয়েছে তা হলো এখানে সচেতনভাবে বিজ্ঞানের গল্পগুলোকে সহজ করার একটা প্রয়াস আছে। আমার সবসময়ই মনে হয় আবিষ্কারের ইতিহাসের গল্প দিয়ে যদি কোন বিজ্ঞানকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয় তবে তার চেয়ে মজার এবং সহজতম উপায়ে শেখার আর কিছু হয়না। সঞ্জয় বেশ কিছু জায়গায় আবিষ্কারগুলোর ইতিহাসকে তুলে ধরতে চেয়েছেন। সেটা এই বইয়ের অন্যতম শক্তি। বিজ্ঞানের ঘটনাগুলিকে গল্পে গল্পে তুলে আনার প্রয়াসের সাথে বইটার শিরোনাম একদম মিলে যায় বলে এই বইটা শিরোনামে যথার্থতা নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা সম্ভব নয়। যদিও জীবানুরা বেশিরভাগই মানুষে রোগ তৈরি করেনা, চতুর্থ অধ্যায়েই যার কিছু আঁচ দেয়া আছে, তারপরও যারা রোগ তৈরি করে তাদের নিয়েই এই বই।
বিস্তারিত পড়ুন ...

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ১; বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা – ৩ এবং মেঘে ঢাকা তারা – ২

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ১; বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা – ৩ এবং মেঘে ঢাকা তারা – ২
বইটিতে বেশ কিছু অজানা, কিন্তু হাস্যরসাত্মক ইতিহাসের উল্লেখ আছে। একটা উদাহরন দেয়া চলে অধ্যাপক সালামের জীবনের। তার কন্যা বিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা পড়াশোনায় শিক্ষকের কাছ থেকে বেশ সমস্যাতেই পরেছিলেন। শিক্ষককে তার বাবা, বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ সালামের কিছু উত্তর বা সমস্যার বর্ণনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কন্যাকে শুনতে হয়েছিলো - 'তোমার বাবা পদার্থবিদ্যার কিছুই জানে না।' চমৎকার একটা উদাহরন এটা আমাদের জন্য। প্রথমতঃ আমরা যখন কোন বিষয়ে খুবই একগুঁয়েমি করতে যাই তখন সেই বিষয়ের সবচেয়ে বিজ্ঞ মানুষটার কথাাবার্তাকেও অথর্ব মনে হয়, এই ভাবনা আমাদেরকে মাটির কাছাকাছি রাখতে সাহায্য করতে পারে। দ্বিতীয়ত, আপনি যত বড় গবেষকই কোন বিষয়ের হোন না কেন, বাইরের জগতের মানুষ আপনাকে বোকা ভাবতে পারে, এই ভাবনাও আমাদেরকে বিনয়ী করতে সাহায্য করতে পারে। দুটো থেকেই শিক্ষার বিষয় আছে।
বিস্তারিত পড়ুন ...

নিউট্রিনো বনাম নিউট্রিনো সংঘর্ষ

নিউট্রিনো বনাম নিউট্রিনো সংঘর্ষ
দ্রষ্টব্যঃ লেখারটা সহজ করার জন্য কিছু স্থানে সংঘর্ষ (যাকে কোয়ান্টামে বলে মিথস্ক্রিয়া)-কে “যোগাযোগ” বলা হয়েছে । পাঠকদের মধ্যে যারা নিউট্রিনো সম্পর্কে জানেন তাদের হয়তো এই নিউট্রিনোর সম্পর্কে প্রাথমিক (যারা জানেন তাদের তো স্নাতকোত্তর লেভেলের) ধারণা পেয়েছেন । তো আজকে কথা বলা যাক এই ভূতুরে কণা যেটা সবকিছুর মধ্য দিয়ে অনায়াসে চলে যায় সেই কণার নিজেদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে কি হবে । নিউট্রিনোর মিথস্ক্রিয়া (যেটাকে সাধারণ ভাষায় সংঘর্ষ বলি) নির্ভর করে ঔ নিউট্রিনোদের পারস্পরিক ক্রিয়ার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

প্যারাডক্স-মুক্ত সময়ভ্রমণ

আপনারা যারা সময়ভ্রমণ বিষয়ক গল্প-উপন্যাস, সিনেমা, কমিক নিয়ে উৎসাহী, তারা নিশ্চয় সময়ভ্রমণের বিভিন্ন প্যারাডক্স বা কূটাভাসের সাথে পরিচিত। আপনি অতীতে গিয়ে ঘটনাক্রমে আপনার দাদাকে তার শৈশবে মেরে ফেললেন। তাহলে কী হবে! আপনার দাদার সাথে দাদির বিয়ে হবে না, আপনার বাবার জন্ম হবে না। তারমানে আপনি কখনোই জন্মাবেন না। আর আপনার অস্তিত্বই যদি না থাকে, তাহলে অতীতে গিয়ে দাদাকে মারার তো কেউ থাকল না। তার মানে দাদা বেঁচে গেলেন, তো বাবার জন্ম হবে এবং আপনিও জন্মাবেন।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম ইঞ্জিন

তাত্ত্বিক পদার্থবিদেরা তৈরি করেছেন পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট্ট ইঞ্জিন! এটা আসলে একটা ক্যালসিয়াম আয়ন, যা কি না আকারে একটি গাড়ির ইঞ্জিনের প্রায় ১০০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ মাত্র! আয়ারল্যান্ড এবং জামার্নীর পদাথবিজ্ঞানীদের দুটি গ্রুপ এই গবেষণার নেপথ্যে কাজ করেছেন। যুগান্তকারী এই এক্সপেরিমেন্ট সম্পন্ন করছেন অধ্যাপক ফার্ডিনান্ড স্মিডট-কালের এবং উলরিখ পশিংগারের রিসার্চগ্রুপ, জার্মানির মাইনসে অবস্থিত ইয়োহানেস গুটেনবের্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে অবস্থিত ট্রিনিটি কলেজের স্কুল অফ ফিজিক্সের অধ্যাপক জন গোল্ডের QuSys গ্রুপ ব্যাখা করেছেন এই ক্ষুদ্র মোটরের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কোয়ান্টাম প্রযুক্তি

১৯৮১ সালের এক লেকচারে রিচার্ড ফাইনম্যান বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন- কেমন হয় যদি সম্পূর্ণ মহাবিশ্বকে কম্পিউটারে সিমুলেট করা যায়! এ কাজের জটিলতা হল খুব ক্ষুদ্র স্কেলে আমাদের মহাবিশ্ব অদ্ভুত নিয়মের অধীনে কাজ করে।  একই সময়ে কণা থাকতে পারে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়; অনেক দূরে থেকেও পরস্পরের দ্বারা তাৎক্ষণিক ভাবেই প্রভাবিত হতে পারে; পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে পরিবর্তীত হয়ে যেতে পারে বাস্তবতার স্বরূপ। তাই সেই লেকচারে তিনি বলেছিলেন- “প্রকৃতি ক্লাসিকাল নয়, তাই যদি প্রকৃতির সিমুলেশন বানাতে চাও, সেটাকে হতে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

সাগর তলের আতঙ্ক

আপনি কি স্টার ওয়ার মুভি এর "রিটার্ন ওফ জেডি" সিকুয়াল টি দেখেছেন?যদি দেখে থাকেন তবে নিশ্চই মনে করতে পারছেন কিছু লম্বাটে পোকার মত প্রাণী যারা মানুষদের আক্রমণ করত। ধরুন আপনি সাগরের মেঝে তে হেঁটে যাচ্ছেন, ঠিক এমন সময় কিছু একটা এসে আপনার পা ধরে ফেললো আর আপনাকে টেনে নিয়ে গেলো ভেতরে। ভাবতেই আঁতকে উঠছেন না? প্রশান্ত মহসাগরের ট্রপিকাল অঞ্চলের উষ্ণ পানিতে এমন এক ধরনের ওয়ার্ম পাওয়া যায় যাদের নাম ববিট ওয়ার্ম। প্রায় ৩ মিটার পর্যন্ত…
বিস্তারিত পড়ুন ...