

“There is grandeur in this view of life, with its several powers, having been originally breathed into a few forms or into one; and that, whilst this planet has gone cycling on according to the fixed law of gravity, from so simple a beginning endless forms most beautiful and most wonderful have been, and are being, evolved.” ~ Charles Darwin চলুন, খোলা মন নিয়ে একটা বিশেষ আলোচনায় বসা যাক। ধরুন, আপনি আর আপনার বন্ধু পরীক্ষা দিতে বসলেন। বাইরে অঝোর ধারায় বৃষ্টি নামছে। আজকে আপনাদের বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা। উদ্দীপকের আলোকে বিভিন্ন গল্প, কবিতার নানানকিছু আপনাদের নিজস্ব…

কৌণিক ভরবেগ: এক নেপথ্য নায়ক
বি.দ্র. ভেক্টরের বেসিক জানা থাকা থাকলে লেখাটা পড়তে সুবিধা হবে। আর পুরো লেখাটা যথাসম্ভব সিম্পল একটা সিস্টেমকে বেসিস করে লেখা হয়েছে, যাতে বিষয়গুলো বেশি জটিল না হয়ে যায়। ভরবেগ কী, এটার সবচেয়ে জঘন্য সংজ্ঞা মেবি এইটা যে – ভর ও বেগের গুণফলকে ভরবেগ বলে। এইটা আমার দেখা ফিজিক্সের সবচেয়ে জঘন্য সংজ্ঞাগুলোর একটা, কারণ এই সংজ্ঞা কোন ইন্টুইশনই দেয় না। ব্যাপারটা অনেকটা এরকম, বল মানে হলো ভর আর ত্বরণের গুণফল -.-। প্রথমে আমরা রৈখিক ভরবেগ নিয়ে একটু আলোচনা করি। তো চলেন আগে দেখি যে ভরবেগ কেন দরকার পড়ল। প্রথমেই ধরে নেই, আমরা ভরবেগ কি জানি না। এখন…

ফরেনসিক বিজ্ঞান: কাঠের গুঁড়োয় মিশে থাকা ঠান্ডা খুনের রহস্য
বিজ্ঞানের সবচেয়ে রোমাঞ্চকর প্রয়োগ দেখা যায় ফরেনসিক বিজ্ঞানে।অপরাধ তদন্তে। অপরাধী চোখকে ফাঁকি দিতে চাইলেও নীরব প্রমাণকে কথা বলিয়ে সত্য তুলে আনে বিজ্ঞান। পিটার থমাসের অসাধারণ ধারাভাষ্যে জনপ্রিয় সত্যঘটনাভিত্তিক অনুসন্ধানমূলক টিভি ধারাবাহিক ‘ফরেনসিক ফাইলস’-এর পর্বে পর্বে রয়েছে চাঞ্চল্যকর অপরাধ, রহস্যময় দুর্ঘটনা ও জটিল রহস্য সমাধানের গল্প। প্রযুক্তি, বৈজ্ঞানিক বিশ্লেষণ এবং নিরলস তদন্তের মাধ্যমে কীভাবে শত রহস্যের জট খুলেছে, তারই জীবন্ত দলিল এই সিরিজ। পাঠক, প্রতি সপ্তাহে আপনার জন্য থাকছে এই ধারাবাহিকের একটি পর্ব। ১৯৮৬ সালের এক মেঘলা দিন। যুক্তরাষ্ট্রের কানেকটিকাটের নিউটাউনে হঠাৎ যেন উধাও হয়ে যান উড়োজাহাজের অ্যাটেনডেন্ট হেলা ক্রাফটস। কেউ তাঁকে সরিয়ে দিতে চায়, সেটা বুঝতে…

কার্ল সাগানের লেখা “দ্য ডিমন-হন্টেড ওয়ার্ল্ড: সায়েন্স অ্যাজ আ ক্যান্ডেল ইন দ্য ডার্ক” বইটি আজও যেভাবে প্রাসঙ্গিক
কার্ল সাগানের লেখা ‘দ্য ডিমন-হন্টেড ওয়ার্ল্ড: সায়েন্স অ্যাজ আ ক্যান্ডেল ইন দ্য ডার্ক’ বইয়ের কোনো না কোনো অংশ কয়েক মাস পরপরই অনলাইনে ভাইরাল হয়। কারণটা বোধ করি বইটার ভবিষ্যৎবাণী। সাগান এমন এক পৃথিবীর কথা বলছেন যেখানে যুক্তিবাদী চিন্তা এবং সংশয়বাদ ক্রমশ ম্লান হয়ে যাচ্ছে, আর তার জায়গা দখল করছে ভুল তথ্য ও অন্ধবিশ্বাসের এক বিস্তীর্ণ জঞ্জাল। উদাহরণস্বরূপ এই অংশটির কথা বলা যায়: “আমি আমার সন্তান বা নাতি-নাতনিদের সময়ের আমেরিকা নিয়ে এক অশনিসংকেত দেখতে পাচ্ছি—যখন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র পরিণত হবে একটি সেবা ও তথ্যনির্ভর অর্থনীতিতে; যখন প্রায় সব উৎপাদনশীল শিল্প অন্য দেশে চলে যাবে; যখন অসীম প্রযুক্তিগত ক্ষমতা…

প্রোটিন সিকোয়েন্সিং: ফ্রেডরিক স্যাঙ্গারের হাত ধরে যেভাবে জীবনের ভাষা পড়া শুরু হল
জীববিজ্ঞানের পাঠ্যবই খুললেই আমরা খুব পরিচিত একটি ধারণার মুখোমুখি হই: ডিএনএ (DNA) থেকে এম আরএনএ (mRNA), আর এম আরএনএ থেকে প্রোটিন। এটিই সেন্ট্রাল ডগমা, জীবনের তথ্যপ্রবাহের মূল সূত্র। আজ আমরা জানি, ডিএনএ-তে লেখা থাকে নির্দেশনা, আরএনএ সেই নির্দেশনার বার্তা বহন করে, আর প্রোটিন সেই নির্দেশনাকে বাস্তবিক রূপ দেয়। কিন্তু জীবনের এই ভাষা পড়ার ইতিহাস এত সরল রেখায় শুরু হয়নি। বরং আশ্চর্যের বিষয়, জীবনের তথ্য বোঝার প্রথম বড় সাফল্যগুলোর একটি এসেছিল ডিএনএ নয়, বরং প্রোটিন থেকে। এই গল্পের কেন্দ্রীয় চরিত্র হলেন ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার। যিনি প্রোটিন সিকুয়েন্সিং এর জন্য নোবেল পুরুষ্কারে ভূষিত হন। পরবর্তীতে ডিএনএ সিকোয়েন্সিংয়ের জন্যও নোবেল…

পারকিনসন রোগের চিকিৎসায় জাপানি গবেষকদের যুগান্তকারী অগ্রগতি
পারকিনসন রোগ (Parkinson’s Disease – PD) একটি দীর্ঘমেয়াদী স্নায়বিক ব্যাধি, যা বিশ্বব্যাপী লক্ষাধিক মানুষকে প্রভাবিত করে আসছে। বর্তমান পরিসংখ্যান অনুযায়ী, আনুমানিক ৭ থেকে ১০ মিলিয়ন ব্যক্তি এই রোগে আক্রান্ত, যার ফলে তাদের স্বাভাবিক চলাফেরা, মস্তিষ্কের কার্যকর সমন্বয় ও দৈনন্দিন জীবনযাত্রায় গুরুতর প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি হয়েছে। রোগটির ধীরে ধীরে অগ্রসরমান প্রকৃতি এবং প্রচলিত চিকিৎসা পদ্ধতিসমূহের সীমাবদ্ধতা নতুন ও অধিক কার্যকর চিকিৎসা কৌশল উদ্ভাবনের প্রয়োজনীয়তাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। এই প্রেক্ষাপটে, জাপানের কিয়োটো বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা পারকিনসন রোগের চিকিৎসায় এক বৈপ্লবিক অগ্রগতি সাধন করেছেন। তাঁরা ল্যাবরেটরিতে প্রস্তুতকৃত মস্তিষ্কের কোষ প্রতিস্থাপনের মাধ্যমে রোগটির চিকিৎসা পদ্ধতিতে একটি সম্ভাবনাময় দিক উন্মোচন করেছেন। এ…

স্থূলতা নাকি খাবারের ধরন – কোনটি ক্যান্সারের আসল কারণ?
একসময় ক্যান্সার সম্পর্কে আমাদের জ্ঞান ছিলো খুবই সামান্য, ইন্টারনেটে তথ্যও ছিলো সীমিত। কিন্তু সম্প্রতি আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স বা AI ভিত্তিক কন্টেন্ট এর খাতিরে আমরা দিনদিন স্বাস্থ্য সচেতন হয়ে উঠছি এবং একইসাথে জানতে পেরেছি অতিরিক্ত ওজন ক্যান্সারের কারণ হতে পারে। কিন্তু স্থূলতা মানেই কি ক্যান্সারের ঝুঁকি? একই ওজনের দু’জন ব্যক্তির ক্যান্সারের ঝুঁকি কি একই? সব ধরনের চর্বিজাতীয় খাবারই কি শরীরের জন্য সমান ক্ষতিকর? সাম্প্রতিক এক গবেষণা অনুসারে, উত্তর হলো ‘না’। গবেষকদের মতে, খাবারে বিদ্যমান চর্বির ধরনই ঠিক করে দেয় এটি আমাদের শরীরের রোগ-প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে শক্তিশালী করবে নাকি আরও দূর্বল করে দিবে। তাই এখন কতটুকু খাবার খাচ্ছি বা কতটুকু…

“একশ বছর পরে, মানুষ ঐ ডাবল হেলিক্সকেই মনে রাখবে।”
ছিলেন ডিএনএ-র অন্যতম রহস্যভেদকারী, মানব জিনোম প্রজেক্টের স্বপ্নদ্রষ্টা; সাহায্য করেছেন একটি মার্কিন গবেষণা প্রতিষ্ঠানকে শক্তিশালী করতে, লিখেছেন একটি ক্লাসিক পাঠ্যপুস্তক; আবার কুখ্যাত হয়েছেন বর্ণবাদী এবং লিঙ্গবাদী মন্তব্যের জন্যও। ডিএনএ-র দ্বি-সূত্রক মডেলের অন্যতম আবিষ্কর্তা এবং শারীরতত্ত্বে নোবেলজয়ী কিংবদন্তি বিজ্ঞানী জেমস ডি ওয়াটসন চলতি মাসের ৬ তারিখে ৯৭ বছর বয়সে মারা গেছেন। মানব জিনোম প্রজেক্ট শুরু করতে এবং এগিয়ে নিতে তাঁর ছিলো গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। সেই তিনিই আবার জীবনের শেষ পর্যায়ে জড়িয়েছিলেন নানা বিতর্কের বেড়াজালে। ডিএনএ-র দ্বি-সূত্রক গঠন উন্মোচন পরবর্তীতে বংশগতীয় বিজ্ঞানের আণবিক ভিত্তি প্রতিষ্ঠা করে। ডিএনএ-র তথ্য ব্যবহার করে কোষ প্রোটিন সংশ্লেষণ করে। প্রোটিন নিয়োজিত হয় কোষের বিভিন্ন…

জীবপ্রযুক্তি গবেষণায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা
জীবপ্রযুক্তিতে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (AI) ভূমিকা সাম্প্রতিক সময়ে দ্রুত গুরুত্ব পাচ্ছে। ওষুধশিল্প, স্বাস্থ্যসেবা, পশুপালন কিংবা কৃষি, সবখানেই কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও জীবপ্রযুক্তি একসাথে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করছে। দ্রুত এবং অধিকতর নির্ভুল ফলাফল অর্জনের জন্য এখন বায়োটেক খাত নিজ কার্যপদ্ধতি পুনর্নির্মাণ করছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ও মেশিন লার্নিংয়ের সাহায্যে। জীবপ্রযুক্তি মূলত জীববিজ্ঞানে প্রযুক্তির প্রয়োগ। ওষুধশিল্প এই খাতের সবচেয়ে বড় অংশীদার হলেও, অন্য ক্ষেত্রগুলিও দ্রুত এগিয়ে আসছে। পরিসংখ্যান বলছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা-নির্ভর ওষুধ আবিষ্কারে ২০২৫ সালের মধ্যে শুধু ওষুধশিল্পেই প্রায় ৩ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হবে।







