নিউট্রিনো বনাম নিউট্রিনো সংঘর্ষ

নিউট্রিনো বনাম নিউট্রিনো সংঘর্ষ
দ্রষ্টব্যঃ লেখারটা সহজ করার জন্য কিছু স্থানে সংঘর্ষ (যাকে কোয়ান্টামে বলে মিথস্ক্রিয়া)-কে “যোগাযোগ” বলা হয়েছে । পাঠকদের মধ্যে যারা নিউট্রিনো সম্পর্কে জানেন তাদের হয়তো এই নিউট্রিনোর সম্পর্কে প্রাথমিক (যারা জানেন তাদের তো স্নাতকোত্তর লেভেলের) ধারণা পেয়েছেন । তো আজকে কথা বলা যাক এই ভূতুরে কণা যেটা সবকিছুর মধ্য দিয়ে অনায়াসে চলে যায় সেই কণার নিজেদের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হলে কি হবে । নিউট্রিনোর মিথস্ক্রিয়া (যেটাকে সাধারণ ভাষায় সংঘর্ষ বলি) নির্ভর করে ঔ নিউট্রিনোদের পারস্পরিক ক্রিয়ার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

প্যারাডক্স-মুক্ত সময়ভ্রমণ

আপনারা যারা সময়ভ্রমণ বিষয়ক গল্প-উপন্যাস, সিনেমা, কমিক নিয়ে উৎসাহী, তারা নিশ্চয় সময়ভ্রমণের বিভিন্ন প্যারাডক্স বা কূটাভাসের সাথে পরিচিত। আপনি অতীতে গিয়ে ঘটনাক্রমে আপনার দাদাকে তার শৈশবে মেরে ফেললেন। তাহলে কী হবে! আপনার দাদার সাথে দাদির বিয়ে হবে না, আপনার বাবার জন্ম হবে না। তারমানে আপনি কখনোই জন্মাবেন না। আর আপনার অস্তিত্বই যদি না থাকে, তাহলে অতীতে গিয়ে দাদাকে মারার তো কেউ থাকল না। তার মানে দাদা বেঁচে গেলেন, তো বাবার জন্ম হবে এবং আপনিও জন্মাবেন।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

পৃথিবীর ক্ষুদ্রতম ইঞ্জিন

তাত্ত্বিক পদার্থবিদেরা তৈরি করেছেন পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট্ট ইঞ্জিন! এটা আসলে একটা ক্যালসিয়াম আয়ন, যা কি না আকারে একটি গাড়ির ইঞ্জিনের প্রায় ১০০০ কোটি ভাগের ১ ভাগ মাত্র! আয়ারল্যান্ড এবং জামার্নীর পদাথবিজ্ঞানীদের দুটি গ্রুপ এই গবেষণার নেপথ্যে কাজ করেছেন। যুগান্তকারী এই এক্সপেরিমেন্ট সম্পন্ন করছেন অধ্যাপক ফার্ডিনান্ড স্মিডট-কালের এবং উলরিখ পশিংগারের রিসার্চগ্রুপ, জার্মানির মাইনসে অবস্থিত ইয়োহানেস গুটেনবের্গ বিশ্ববিদ্যালয়ে। আর আয়ারল্যান্ডের ডাবলিনে অবস্থিত ট্রিনিটি কলেজের স্কুল অফ ফিজিক্সের অধ্যাপক জন গোল্ডের QuSys গ্রুপ ব্যাখা করেছেন এই ক্ষুদ্র মোটরের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কোয়ান্টাম প্রযুক্তি

১৯৮১ সালের এক লেকচারে রিচার্ড ফাইনম্যান বিস্ময় প্রকাশ করেছিলেন- কেমন হয় যদি সম্পূর্ণ মহাবিশ্বকে কম্পিউটারে সিমুলেট করা যায়! এ কাজের জটিলতা হল খুব ক্ষুদ্র স্কেলে আমাদের মহাবিশ্ব অদ্ভুত নিয়মের অধীনে কাজ করে।  একই সময়ে কণা থাকতে পারে ভিন্ন ভিন্ন জায়গায়; অনেক দূরে থেকেও পরস্পরের দ্বারা তাৎক্ষণিক ভাবেই প্রভাবিত হতে পারে; পর্যবেক্ষণ করতে গিয়ে পরিবর্তীত হয়ে যেতে পারে বাস্তবতার স্বরূপ। তাই সেই লেকচারে তিনি বলেছিলেন- “প্রকৃতি ক্লাসিকাল নয়, তাই যদি প্রকৃতির সিমুলেশন বানাতে চাও, সেটাকে হতে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ধনু মন্ডল (Sagittarius)

তারামন্ডলের আরেকটি বড় সৌন্দর্য হল এই ধনু। নামটা শোনার সাথেই ধনুক এর কথা মনে হবে। SAGITTARIUS একটি ল্যাটিন শব্দ। এর অর্থ তীরন্দাজ। ধনু মন্ডলকে দেখলে মনে হবে কোন সেন্টর কাউকে নিশানা করে তীর হাতে দাঁড়িয়ে আছে। এখন মাথায় আসতে পারে, সেন্টর কি! গ্রীক পুরাণমতে সেন্টর হল স্বর্গরাজ্যের এক অদ্ভুত প্রাণী যাদের উপরের অংশ মানুষের মত, আর নিচের অংশ ঘোড়ার মত। তারা বেশিরভাগ যোদ্ধা ছিল। তাদের মধ্যে কিরণ ছিল সবচেয়ে বড় ধনুর্বিদ। বয়োজ্যেষ্ঠ এই ধনুর্বিদের সমকক্ষ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ফাইনম্যান ডায়াগ্রাম

রিচার্ড ফিলিপ্‌স ফাইনম্যান, বিংশ শতাব্দীর একজন অন্যতম তাত্ত্বিক পদার্থবিদ। নোবেলজয়ী এই বিজ্ঞানী কোয়ান্টাম বলবিদ্যার উন্নয়নে রেখেছেন অসামান্য ভূমিকা। অসাধারণ ছিল তাঁর ব্যক্তিত্ব। তাঁকে আখ্যা দেওয়া হয়েছে 'The Great Explainer’ হিসেবে। তাঁর একটা বিশেষ গুণ ছিল, খুবই জটিল তাত্ত্বিক বিষয়কে সহজে বোঝাতে পারতেন, সহজে অনুভব করানোর জন্য বের করতেন চমৎকার বিভিন্ন টেকনিক। অতিপারমাণবিক কণার আচরণ এবং মিথস্ক্রিয়ার জটিল গাণিতিক সমীকরণকে খুব সহজে প্রকাশ করার একটি চিত্রিত পদ্ধতি বের করেন তিনি। নাম দেওয়া হয় ফাইনম্যান ডায়াগ্রাম। কণা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

সমত্বরণে চলমান বস্তুর t-তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব নির্ণয়ের সূত্রের মাত্রা সমীকরণের রহস্য

এইটা কোনো Textbook নয়। তাই মাত্রা সমীকরণ কাকে বলে, এর তাৎপর্য কী এসব আলোচনা না করে মূল জায়গায় আসি। সম ত্বরণে চলমান বস্তুর তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব নির্ণয়ের সূত্র হচ্ছেঃ এখানে দ্বারা তম সেকেন্ডে অতিক্রান্ত দূরত্ব (সরণ), দ্বারা আদিবেগ, দ্বারা সম ত্বরণ আর দ্বারা অতিক্রান্ত সময় বোঝাচ্ছে তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। গতি বিদ্যায় বহুল প্রচলিত এই সূত্রের মাত্রা সমীকরণ মেলানোর চেষ্টা করেছেন কখনো? না করে থাকলে এখুনি করুন। আপনি যদি ঠিকঠাক ভাবে (আপাত…
বিস্তারিত পড়ুন ...

তৈরি করুন নিজের পার্টিকেল ডিটেক্টর

বিজ্ঞানপ্রেমী যেকোন মানুষ বিশেষ করে যারা আধুনিক পদার্থবিজ্ঞানের হাল-চালের খোঁজ রাখেন, তাদের কাছে বোধ হয় সার্ন(CERN) নামের প্রতিষ্ঠানটি অপরিচিত নয়। ইউরোপিয়ান এই নিউক্লিয় গবেষণা প্রতিষ্ঠানটিকে নিত্য চলে বিশাল দক্ষযজ্ঞ, মূল উদ্দেশ্য পার্টিকেল ডিটেক্টিং। এক কথায় তাত্ত্বিক ধারণার উপর প্রতিষ্ঠিত বিভিন্ন মৌলিক এবং অতিপারমাণবিক কণিকার অস্তিত্বের বাস্তবতা আবিষ্কার ও সনাক্ত করা এবং আবিষ্কৃত সেসব কণিকাকে উচ্চতর গবেষণায় কাজে লাগানোই সার্নের কাজ। এসব কাজে সার্নের LHC তে যে ডিটেক্টর ব্যবহার করা হয় তার পরিমাপের পাল্লা ধারণাতীত নিখুঁত।…
বিস্তারিত পড়ুন ...