ভাইরাস কি আসলেই আমাদের ভবিষ্যৎ-সম্ভাবনার দ্বার?

ভাইরাস শব্দটি মূলত আক্রমনাত্মক এবং সংক্রামক স্বভাবেই বেশি পরিচিত। খালি চোখে দেখতে না পাওয়া এই জীবতত্ত্বিক রসায়ন অসংখ্য মৃত্যু এবং অসুস্থতার সাথে জড়িত। একটি ক্ষতিকর ভাইরাস মহামারীর মত প্রতিবেশি, শহর, এমনকি কোন ভৌগলিক এলাকাকে নিদারুণ উদ্ভট আতংকে ফেলতে পারে৷ যার প্রমাণ আমরা এই করোনার কারণে ভালোই উপলব্ধি করতে পারছি৷ আর এই খালি চোখে অদৃশ্য ভাইরাস পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই বিদ্যমান। এরা ছত্রাক, উদ্ভিদ, প্রাণী এবং মানুষকেও সংক্রামিত করতে পারে৷ তবে, সব ভাইরাসই খারাপ নয়৷ কিছু ভাইরাস বিপদজনক ভাইরাসের বিপক্ষে কাজ করে ৷ কিছু মানব দেহের প্রোবায়োটিক-ব্যাকটেরিয়ার (যে ব্যাকটেরিয়া মানুষের উপকার করে) মতই প্রতিরক্ষা-ভাইরাস হিসাবেও কাজ করে। আসলে, আমরা তাদের সম্পর্কে যত বিস্তারিত

বিভিন্ন ভ্যাক্সিন নিয়ে আপনার যা জানা প্রয়োজন

ভ্যাক্সিন তৈরী হলে এবার আসে কার্যকারীতার ব্যাপারটি। কোনটি মানুষের দেহে কাজ করবে । একই সাথে অক্ষতিকর ও সহজলভ্য কিংবা কমমূল্যে উৎপাদন করা যাবে ইত্যাদি। এছাড়া, মানুষে অনুপ্রবেশ করানোর আগে ল্যাবে বিভিন্ন ট্রায়ালের/পরীক্ষার প্রয়োজনীয়তা পড়ে৷ সেটির কার্যকারীতা প্রকাশ পেলে এরপর আসে মানুষের মাঝে পরীক্ষামূলক প্রমাণ। এটি আবার ছোট পরিসর, বড় পরিসরে ট্রায়াল/পরীক্ষার ধাপ অতিক্রম করতে হয়। এভাবে, সবগুলি ধাপ অতিক্রম করলে তা FDA-এর মত প্রতিষ্ঠানের অনুমোদনের প্রয়োজন হয়। তারপর, এটি সর্বসাধারণের জন্য ব্যবহারযোগ্য হয়। আর, পুরো প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দীর্ঘসময়ের প্রয়োজন হয়।

পানিতে জ্বলবে আলো

দরিদ্র মানুষের চাল নেই, চুলোও নেই। ঘরে বিদ্যুৎবাতি তো দূরের কথা, এই আকালের দিনে দুফোঁটা কেরোসিনেরও খোঁজ পাওয়া যায় না, তাই ঘুটঘুটে অন্ধকারে চাঁদের আলোই ভরসা। কিন্তু সুদূর ফিলিপাইনের দুই ভাইবোনের তৈরি এক বাতি চলবে লবণপানিতে। এতে স্বস্তির নিশ্বাস ফেলতে পারবেন অনেকেই। আইসা এবং রাফায়েল মিজেনো নামের এই দুই সহোদর sALt (Sustainable Alternative Lighting) নামের এক ল্যাম্প তৈরি করেন। লবণপানি এবং ধাতব রড ব্যবহার করে এই ল্যাম্প চলে। De La Salle ইউনিভার্সিটির এঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে কাজ করেন আইসা, এর পাশাপাশি তিনি গ্রিনপিস ফিলিপাইনেরও সদস্য। ফিলিপাইনের গ্রামে গ্রামে কেরোসিনের অভাব লক্ষ্য করেন তিনি। প্রচুর মানুষ অনেক দূরদূরান্ত থেকে কেরোসিন সংগ্রহ করে আনেন। বিস্তারিত

গণিতর সৌন্দর্য- পর্ব ২৩: অভিপ্রেতানভিপ্রেত কাকতাল

কাকতাল বলতে কী বোঝায় আর কাকতালে কেনই আমরা বিস্ময়াভীভূত হই? অভিধান ঘেঁটে কাকতাল অর্থ পাওয়া গেল এমন: “কার্যকারণ সম্বন্ধ নাই অথচ একসঙ্গে সঙ্ঘটিত দেখিয়া মনে হয় পরস্পর সম্বন্ধযুক্ত”। এবার বিষয়টি একটু ব্যখ্যা করা যাক। ধরা যাক আপনার সাথে আপনার অফিসের বসের বেশ রাগারাগি হলো। আপনি তাঁর প্রতি বেশ অসন্তুষ্ট হওয়ায় বাসায় ফিরে ঠান্ডামাথায় সেটি নিয়ে ভাবলেন এবং পুরো বিষয়টি নিয়ে দ্বিতীয়বার বসের প্রতি অসন্তুষ্ট হলেন এবং তাঁর মৃত্যু কামনা করে বসলেন। পরদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে অফিসে যাওয়ার প্রস্তুতি নিতে গিয়ে আপনার বসের মৃত্যু সংবাদ শুনতে পেলেন! এই ঘটনাকে আপনি কীভাবে ব্যখ্যা করবেন? আপনি হয়তো মনে করতে পারেন আপনার নিশ্চয়ই বিস্তারিত

অনুমান ও কোয়ান্টাম বিক্ষিপ্ততা (অণুপোস্ট)

‘অনুমান’ বৈজ্ঞানিক আবিষ্কারের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ অনুষঙ্গ। অনুমানের মাধ্যমে আমরা বৈজ্ঞানিক গবেষণা শৃঙ্খলায়িত করে নিতে পারি। একটি গবেষণার ফলাফল কেমন হতে পারে বা কি ধরনে পরীক্ষা-নীরিক্ষা করলে একটি কোনো একটি গবেষণা থেকে কাঙ্খিত ফলাফল আসতে পারে তা অনেকসময় পুর্ববর্তী জ্ঞান ও গবেষণাসমূহ হতে বেশ নির্ভুলভাবে অনুমান করা যেতে পারে। এতে অনেক মূল্যবান সময়, অর্থ, শ্রম ইত্যাদি বেঁচে যেতে পারে। কতটা নির্ভুল ভাবে অনুমান করা যাবে তা নির্ভর করে কী পরিমান তথ্য নিয়ে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে এবং সেই তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা কত তার উপর। একজন দক্ষ বিজ্ঞানী, শুধু বিজ্ঞানী বলছি কেন, বিভিন্ন পেশার মানুষ নিজ নিজ ক্ষেত্রে দক্ষতা অর্জন করতে পারলে অনেক বিস্তারিত

আসুন মিলেমিশে ভাগাভাগি করে খাই

একটি পুরোনো কৌতুক দিয়ে শুরু করি। একটি রেস্টুরেন্টে ভীষন ভীড় হওয়ায় একই টেবিলে দুজন মানুষ খেতে বসেছেন। ওয়েটার আসা মাত্রই উভয়েই মাছের অর্ডার করলেন। ওয়েটার দুটি প্লেটে করে দুটি মাছ নিয়ে এলেন এবং টেবিলে রাখলেন।বলা বাহুল্য মাছ দুটির আকার একেবার সমান ছিলো না। এই সময় টেবিলে বসা দু’জনের একজন অনেকটা অবচেতনেই বড় মাছের প্লেটটি নিজের দিকে টেনে নিলেন। এই দেখে অপরজন বেজায় অসন্তুষ্ট হলেন। তিনি চটে গিয়ে অপরজনকে শুধালেন এ কেমন আচরণ ভাই? ভদ্রতা বলতে কি কিছুই জানেন না? অভদ্রের মতো বড় মাছটি নিয়ে নিলেন যে? প্রথম ব্যক্তি তখন বললেন, আপনি হলে কোনটি নিতেন? দ্বিতীয় ব্যক্তি বললেন, আমি হলে সৌজন্য বিস্তারিত

গণিতের সৌন্দর্য-পর্ব: ১৭ (শতাংশ বিভ্রাট)

শতকরার বিষয়টি বেশ বিভ্রান্তিকর। স্কুলে পড়ার সময় এই বিষয়ক সমস্যাগুলোর অধিকাংশই ছিলো লাভ-ক্ষতি বিষয়ক। অধিকাংশ সময়ই আমি বুঝতে পারতাম না ক্রয়মূল্যকে ১০০ ধরতে হবে নাকি বিক্রয়মূল্যকে। এতে করে ফলাফল মেলানো অনেক সময় কষ্টসাধ্য হয়ে যেত। এখন স্কুলের সেই সমস্যাগুলোর চেয়েও বিভ্রান্তিকর কিছু শতকরা সমস্যা নিয়ে আলোচনা করব। যেমন: এই সমস্যাটি দেখা যাক। ধরা যাক, আপনি কোনো অফিসে নির্দিষ্ট বেতনে চাকরি করেন এবং কোনো এক সময় আপনার বেতন ১০% বৃদ্ধি করা হলো। কয়েকমাস এভাবে চলার পর কোম্পানির ব্যবসায় মন্দা যাওয়ায় আপনার বেতন পুনরায় ১০% ছেঁটে দেওয়া হলো। এখন কি আপনি আপনার শুরুর বেতনের সমান বেতন পাবেন? এই প্রশ্নের উত্তর হচ্ছে ’না’! বিস্তারিত

গণিতের সৌন্দর্য ১৬: কেন ১ মৌলিক সংখ্যা নয়

প্রাইম নম্বর সম্বন্ধে আমরা সবাই শুনেছি। বাংলায় এইগুলো কে বলা হয়ে থাকে মৌলিক সংখ্যা। নাম থেকেই আমরা বুঝতে পারি প্রাইম হচ্ছে সংখ্যার কিছু মৌলিক ভিত্তি যেগুলোকে ভাঙ্গা হলে আর একই রকম কিছু পাওয়া যায় না এবং যেগুলোর মাধ্যমে অন্য যৌগিক সংখ্যাগুলো তৈরি হয়ে থাকে। এগুলো অনেকটা রসায়নের অলোচিত মৌলিক পদার্থের মতো, মৌলিক পরমানুর বিভিন্ন বিন্যাসের মাধ্যমে যেমন যৌগিক অণু তৈরি হয়। উদাহরন হিসেবে বলা যায়, হাইড্রোজেন একটি মৌলিক পদার্থ এবং অক্সিজেন একটি মৌলিক পদার্থ। এই দুই মৌলিক পদার্থের পরমানুগুলো পূর্ণ সংখ্যায় যুক্ত হয়ে পানি তৈরি করে যেটি একটি যৌগিক পদার্থ। কিংবা বিপরীতভাবে বলা যায় পানিকে ভাঙ্গলে দুটি মৌলিক পদার্থ হাইড্রোজেন বিস্তারিত