আইনস্টাইনের ভুল

মহাজ্ঞানীর অক্ষমতা মানুষ মাত্রই ভুল করে। সেই ভুল করাদের মধ্যে আছে প্রাইমারী ক্লাসের লাস্ট বেঞ্চের অমনোযোগী ছাত্র থেকে সর্বকালের সেরা মেধাবী পর্যন্ত। ইতিহাসের অসীম মেধাবী বলতে আমরা এক একজন সফল বিজ্ঞানীকে বুঝে থাকলেও এই বিজ্ঞানীরাই তাদের এক একটা সূত্র আবিষ্কার করতে শুধু পরিশ্রমই করেন নি সেটা প্রমানের পথে করেছেন অসংখ্য ভুল। আবিষ্কারক হিসেবে টমাস আলভা এডিসন বানিয়েছেন অনেক অনেক যন্ত্র, কিন্তু বৈদ্যুতিক বাতির একটা কার্যকর সংস্করন বানাবার জন্য তিনি প্রায় এক হাজার বার চেষ্টা করে তবেই  সফল হয়েছিলেন। সফল হওয়ার পর উনাকে যখন প্রশ্ন করা হয় এই হাজার বারের ব্যর্থতার জন্য, উনি অবাক হয়ে বলেছিলেন , “কৈ আমি তো ব্যর্থ বিস্তারিত

আইনস্টাইন মিথ : “হাল ছেড়ো না বন্ধু”

১. ফেব্রুয়ারি ১১ তারিখ, যেদিন মহাকর্ষ তরঙ্গের অস্তিত্ব সম্পর্কে বিজ্ঞানীরা নিশ্চিত হন, অনেকের মতো আমিও এ বিষয়ে কৌতুহলী হয়ে উঠি। মহাকর্ষ তরঙ্গ বলে একটা জিনিস যে আছে তা প্রায় একশ বছর আগে বিজ্ঞানী আইনস্টাইন বিশেষ আপেক্ষিকতা তত্ত্বে বলে গেছেন। আবদুল গাফফার রনির “থিওরি অব রিলেটিভিটি” (অন্বেষা, ২০১৬) বইটি পড়ে ফেলি। লেখক সাবলীল ভাষায় এ তত্ত্বটির মূল ধারণাগুলোর সহজবোধ্য বর্ণনা দিয়েছেন। বইটি পদার্থবিজ্ঞানের বই হলেও বেশ উপভোগ্য, গাণিতিক সূত্রের ছড়াছড়ি নেই। এই জটিল বিষয়ে প্রাথমিক সাক্ষরতা লাভের জন্য চমৎকার উৎস। আইনস্টাইন, যাকে বলা হয় বিজ্ঞানের পোস্টার–বয়, বিজ্ঞানের রঙিন জগতের একজন তারকা, তিনি আরেকবার জিতলেন। তাঁর তত্ত্বটিতে কি বলা হয়েছে, কিংবা মহাকর্ষ বিস্তারিত

আইনস্টাইনের ডেস্ক ও রহস্যময় জড়পদার্থ

বিজ্ঞানী আলবার্ট আইনস্টাইনের মৃত্যুর পর, বিশ্বের সব পত্রিকায়ই একটি অগোছালো ডেস্কের ছবি ছাপা হয়। ডেস্কটি স্বয়ং আলবার্ট আইনস্টাইনের। ডেস্কের ছবির সাথে পত্রিকার শিরোনাম করা হয়, “The unfinished manuscript of the greatest work, of the greatest scientist of our time”। পুরো বিশ্বই তখন এই কিংবদন্তী বিজ্ঞানীর আলোচনায় মুখর। কিন্তু বিজ্ঞানে আগ্রহী যেকোনো লোকেরই কৌতূহল জাগবে, কি সেই অসমাপ্ত কাজ ? আর কেনই বা তার মত একজন কিংবদন্তী বিজ্ঞানী তা শেষ করে যেতে পারলেন না ? আইনস্টাইন তার জীবনের শেষ ৩৫ বছর এই অসমাপ্ত কাজ শেষ করার চেস্টা করে গেছেন, কিন্তু কোনভাবেই কুল-কিনারা করতে পারেন নি। সাধারন মানুষের কাছে তাই সবচেয়ে বড় বিস্তারিত