ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স পর্ব-২: গ্যালিলিয়ান ট্রান্সফর্মেশন ও স্পেসটাইম ডায়াগ্রাম

আগের পর্বে আমরা নিউটনের গতিসূত্র কীভাবে আসলো, সূত্রগুলো কখন খাটে এসব নিয়ে আলোচনা করেছি। আমরা এটা দেখেছি যে নিউটনের সূত্রগুলো একটা বিশেষ ফ্রেমে খাটে, যাদের ইনারশিয়াল ফ্রেম বা গ্যালিলিয়ান ফ্রেম বলা হয়। আজকে আমরা এই বিশেষ ফ্রেম নিয়ে সবিস্তর আলোচনা করবো। আর এর সাথে আমরা আজকে স্পেসটাইম ডায়াগ্রামের সাথে পরিচিত হবো। ক্লাসিক্যাল মেকানিক্স সিরিজের শেষের দিকে আমরা যখন আপেক্ষিকতার বিশেষ তত্ত্বের সাথে পরিচিত হবো, তখন আমাদের এই লেখার ধারণা দারুণ কাজে দেবে বলে আমার বিশ্বাস। ধরুন, আপনি একটা ট্রেনে বসে আছেন, আপনি কিন্তু ট্রেনের ভেতর আপনার ট্রেন সাপেক্ষে স্থির। চারদিক অন্ধকার। আপনি বাইরে তাকালে শুধু অন্য একটা ট্রেন দেখতে পারবেন, বিস্তারিত

কলঙ্ক গুণছি ৪০০ বছর ধরে

(বলা হয় বিজ্ঞানকে তাড়া দেয়া যায়না। যদিও নিবন্ধ প্রকাশের প্রতিযোগিতা বা ফান্ডিং এর সুযোগ এই ব্যাপারটাকে ঠিক সাহায্য করেনা। কিন্তু কিছু কিছু বিজ্ঞানের পরীক্ষাকে চাইলেও তাড়া দেয়া যায়না। যেমন মানুষের জীবন-দৈর্ঘ্য নিয়ে গবেষণা বা মহাজাগতিক পরীক্ষা। এদের জন্য সময় দিতে হয়। এমনই দীর্ঘ সময় ধরে চলা কিছু পরীক্ষা নিয়ে এই সিরিজ। দ্বিতীয় পর্ব)   গত ৪০০ বছর ধরে বিজ্ঞানীরা সূর্যের পৃষ্ঠদেশে দাগ, মানে সৌর-কলঙ্ক গুণছেন! অর্থাৎ যখন প্রথম গ্যালিলিও দূরবীক্ষণ যন্ত্র আবিষ্কার করেছেন তখন থেকেই। গ্যালিলিও এমনকি সূর্যের গায়ের দাগগুলি ছবি এঁকে লিপিবদ্ধ করে রেখে গেছেন। নিচের ছবিতে দেখুন গ্যালিলিওর নিজের হাতে আঁকা সৌর-কলঙ্ক। গ্যালিলিও থেকে নাসা- সূর্যের কলঙ্ক গোণা এটাই বিস্তারিত