জিনোম এডিটিংঃ জৈবপ্রযুক্তির সেরা আবিষ্কার

১৯৭০ সালে রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তি আবিষ্কারের মধ্য দিয়ে জীববিজ্ঞানে নতুন যুগের সূচনা হয়। বিজ্ঞানীরা প্রথম বারের মত ডিএনএ তে পরিবর্তন নিয়ে আসার সুযোগ পান। যার ফলে একক কিংবা একগুচ্ছ জিন নিয়ে কাজ করে কিছু অভিনব ওষুধ এবং জৈবপ্রযুক্তি তৈরি হয়। সাম্প্রতিক সময়ের জিনোম এডিটিং প্রযুক্তি জীববিজ্ঞানের আরেকটি বিপ্লবের সূচনা করেছে। রিকম্বিনেন্ট ডিএনএ প্রযুক্তিতে কাংক্ষিত ডিএনএ সিকোয়েন্সকে জিনোম থেকে আলাদা করে নিয়ে কাজ করা লাগে। কিন্তু এখন একদম কোষের ভেতরে থেকেই জিনোমের মধ্যেই জিনের কাংক্ষিত পরিবর্তন ঘটানো সম্ভব। পরিবর্তন বলতে নতুন জিন যুক্ত করা, কোন জিনকে বাদ দেয়া কিংবা প্রতিস্থাপন করা সম্ভব হবে। ব্যপারটা অনেকটা ওয়ার্ড প্রসেসরের সার্চ এন্ড রিপ্লেস অপশনের বিস্তারিত

ক্লোনিং – জৈবপ্রযুক্তির এক অভিনব শিল্প

ক্লোন এবং ক্লোনিং কি? আমরা যারা বায়োলজিতে পড়ি অথবা যারা হলিউড প্রেমী তারা হয়তো সবাই কম বেশি ক্লোনিং অথবা ক্লোন শব্দ গুলোর সাথে পরিচিত, তবুও সবার জানার জন্য বলছি, “ক্লোন” শব্দের অর্থ “অনুরূপ প্রতিলিপি” আর ক্লোনিং হলো ক্লোন তৈরির প্রক্রিয়া। একটু ভাল করে বললে, ক্লোনিং হলো অতি অত্যাধুনিক একটি প্রযুক্তি যার মাধ্যমে একটা প্রাণীর ক্রোমোজোম বা ডিএনএ (কোষের নিউক্লিয়াসে অবস্থিত এক বিশেষ ধরনের জৈব অ্যাসিড যা একটি জীবের জন্ম থেকে মৃত্যু পর্যন্ত সবকিছু নিয়ন্ত্রন করে –জন্ম, মৃত্যু, চেহারা, আকার-আকৃতি, আচার ব্যবহার, বেড়ে উঠা ইত্যাদি) ব্যবহার করে হুবহু সেই প্রাণীর অনুরূপ আরেকটি প্রাণী করা হয় – যা জেনেটিক এবং ফিনোটাইপিক উভয় বিস্তারিত