বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ২; রোগ জীবাণুর গল্প

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ২; রোগ জীবাণুর গল্প
সঞ্জয় মুখোপাধ্যায়ের রোগ জীবাণুর গল্প বইটার সবচেয়ে চমৎকার যেদিকটা আমার মনে হয়েছে তা হলো এখানে সচেতনভাবে বিজ্ঞানের গল্পগুলোকে সহজ করার একটা প্রয়াস আছে। আমার সবসময়ই মনে হয় আবিষ্কারের ইতিহাসের গল্প দিয়ে যদি কোন বিজ্ঞানকে বোঝানোর চেষ্টা করা হয় তবে তার চেয়ে মজার এবং সহজতম উপায়ে শেখার আর কিছু হয়না। সঞ্জয় বেশ কিছু জায়গায় আবিষ্কারগুলোর ইতিহাসকে তুলে ধরতে চেয়েছেন। সেটা এই বইয়ের অন্যতম শক্তি। বিজ্ঞানের ঘটনাগুলিকে গল্পে গল্পে তুলে আনার প্রয়াসের সাথে বইটার শিরোনাম একদম মিলে যায় বলে এই বইটা শিরোনামে যথার্থতা নিয়ে কোন প্রশ্ন তোলা সম্ভব নয়। যদিও জীবানুরা বেশিরভাগই মানুষে রোগ তৈরি করেনা, চতুর্থ অধ্যায়েই যার কিছু আঁচ দেয়া আছে, তারপরও যারা রোগ তৈরি করে তাদের নিয়েই এই বই।
বিস্তারিত পড়ুন ...

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ১; বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা – ৩ এবং মেঘে ঢাকা তারা – ২

বইমেলা ২০২০: বিজ্ঞানবই পর্যালোচনা – ১; বিজ্ঞানীদের কাণ্ডকারখানা – ৩ এবং মেঘে ঢাকা তারা – ২
বইটিতে বেশ কিছু অজানা, কিন্তু হাস্যরসাত্মক ইতিহাসের উল্লেখ আছে। একটা উদাহরন দেয়া চলে অধ্যাপক সালামের জীবনের। তার কন্যা বিদ্যালয়ের পদার্থবিদ্যা পড়াশোনায় শিক্ষকের কাছ থেকে বেশ সমস্যাতেই পরেছিলেন। শিক্ষককে তার বাবা, বিশ্ববিখ্যাত পদার্থবিদ সালামের কিছু উত্তর বা সমস্যার বর্ণনা ব্যাখ্যা করতে গিয়ে কন্যাকে শুনতে হয়েছিলো - 'তোমার বাবা পদার্থবিদ্যার কিছুই জানে না।' চমৎকার একটা উদাহরন এটা আমাদের জন্য। প্রথমতঃ আমরা যখন কোন বিষয়ে খুবই একগুঁয়েমি করতে যাই তখন সেই বিষয়ের সবচেয়ে বিজ্ঞ মানুষটার কথাাবার্তাকেও অথর্ব মনে হয়, এই ভাবনা আমাদেরকে মাটির কাছাকাছি রাখতে সাহায্য করতে পারে। দ্বিতীয়ত, আপনি যত বড় গবেষকই কোন বিষয়ের হোন না কেন, বাইরের জগতের মানুষ আপনাকে বোকা ভাবতে পারে, এই ভাবনাও আমাদেরকে বিনয়ী করতে সাহায্য করতে পারে। দুটো থেকেই শিক্ষার বিষয় আছে।
বিস্তারিত পড়ুন ...

বাস্তবতার যাদু (The Magic of Reality)

বাস্তবতার যাদু (The Magic of Reality)
যাদু শব্দটি কয়েকটি অর্থে ব্যবহৃত হতে পারে। অলৌকিক যাদু, মঞ্চে দেখানো যাদুকরের যাদু কিংবা কাব্যিক যাদু। অলৌকিক যাদুগুলো পাওয়া যায় পৌরাণিক ও রূপকথার গল্পে। সিন্ডারেলার রূপকথায় যাদুর বুড়ি তার হাতের কাঠির সাহায্যে কুমড়াকে ঘোড়ার গাড়ি, ইঁদুরকে ঘোড়া এবং গিরগিটিকে গাড়ি চালক বানিয়ে ফেলেন।  আলাদীনের গল্পে যাদুর বাতিতে ঘষা দিলে মনিবের যেকোনো ইচ্ছা পূরণ করতে হাজির হয় এক দৈত্য। কিংবা আলী-বাবা ও চল্লিশ চোরের গল্পে বিশেষ পাহারের সামনে 'খুলে যা সিমসিম' বললে পাহার দুই দিকে সরে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

‘নক্ষত্রের ঝড়’ পাঠ-প্রতিক্রিয়া

দীপেন ভট্টাচার্য দীর্ঘদিন ধরে মৌলিক বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লিখে আসছেন। বাংলাভাষায় প্রতিবছর অনেকগুলো সাইফাই প্রকাশিত হয় একুশের বই মেলায়, মুহাম্মদ জাফর ইকবাল কিংবা হুমায়ুন আহমেদের মতো লেখক বিজ্ঞান কল্পকাহিনী লিখে বহু খ্যাতি কুড়িয়েছেন। মূলধারার বিজ্ঞান-কল্পকাহিনী একটা পরিচিত ছকের মধ্যে পড়ে গেছে বহু আগেই – গল্পের মধ্যে যে কোনভাবে রকেট, মহাকাশে ওয়ার্মহোল ভ্রমণ, ভিনগ্রহের প্রাণী, অতিরিক্ত-বুদ্ধিমান কম্পিউটার/রোবট, স্থান-কালের আপেক্ষিকতা ঢুকিয়ে দাও; ব্যাস, কল্পকাহিনী তৈরি। কিন্তু বৈজ্ঞানিক কল্পকাহিনী প্রথমত: যে একটা "কাহিনী" যার একটা "প্লট" থাকবে; যার নায়ক-নায়িকারা…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ – ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী

১০ নভেম্বর বিশ্ব বিজ্ঞান দিবসে এক বৈঠকে পড়ে শেষ করে ফেললাম ‘ফারসীম মান্নান মোহাম্মদী’র বই “কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ”। আকৃতিতে ছোট সাইজের এই বইটি একটি ট্রেন ভ্রমণেই শেষ হয়ে গেল। ‘কোয়ান্টাম ও তরঙ্গ’ নামের বইটি হচ্ছে সলিড স্টেট সিরিজের দ্বিতীয় বই। আগের বইটির চেয়ে এই বইটি অনেক সাবলীলে পড়ে শেষ করতে পেরেছি। আগের বইটি আর এই বইটি ধাঁচের দিক থেকে একই, কিন্তু তারপরেও এই বইটিকে আমি উপরে রাখবো। তার কারণ মনে হয় প্রথম বইটি পড়ার সময়…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জামাল নজরুল ইসলামের জীবনী – “বিশ্বনন্দিত বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলাম”

জামাল নজরুল ইসলামকে নিয়ে আমি বরাবরই আগ্রহী। মহাবিশ্বের উৎপত্তি মহাবিশ্বের ভবিষ্যৎ আমার দারুণ ভাল লাগা কয়েকটি বিষয়ের মাঝে স্থান করে নিয়েছে। আর দূর ভবিষ্যৎ নিয়ে আমাদের বিজ্ঞানী জামাল নজরুল ইসলামের কাজ তো সমস্ত পৃথিবীতে সাঁরা জাগানো। বরাবরই লোকচক্ষুর অন্তরালে থেকে গিয়েছিলেন তিনি। প্রচার বিমুখ। কথা নেই বার্তা নেই অপ্রত্যাশিতভাবে একদিন সকালে পত্রিকায় দেখি জামাল নজরুল ইসলাম আর নেই। এই সংবাদে সেদিন মনটাই খারাপ হয়ে গিয়েছিল। ২০১৪ সালের বইমেলায় তার মৃত্যুর প্রথম বার্ষিকীকে সামনে রেখে তার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

থাকে শুধু অন্ধকার

সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় মহাকাশযানে চেপে মানুষকে দূর নক্ষত্রে পারি দিতে। কিন্তু উপন্যাসিকের কল্পনায় আঁকা মহাকাশযানের ভেতরের সত্যিকার বাস্তবতা কেমন তা মনে হয় এ বিষয়ে আগ্রহীদের না জানলেই নয়। তারই কিছুটা আভাষ পাওয়া যেতে যাবে “থাকে শুধু অন্ধকার” নামের বইটিতে। মহাকাশযানে চেপে দূর নক্ষত্রে পাড়ি দিতে কত যে জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে, কত যে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠতে হবে তা নিয়ে তাক লাগানো কিছু আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। শক্তি ব্যবহারে আমাদের আজকের যে…
বিস্তারিত পড়ুন ...