ভাইরাস কি আসলেই আমাদের ভবিষ্যৎ-সম্ভাবনার দ্বার?

ভাইরাস শব্দটি মূলত আক্রমনাত্মক এবং সংক্রামক স্বভাবেই বেশি পরিচিত। খালি চোখে দেখতে না পাওয়া এই জীবতত্ত্বিক রসায়ন অসংখ্য মৃত্যু এবং অসুস্থতার সাথে জড়িত। একটি ক্ষতিকর ভাইরাস মহামারীর মত প্রতিবেশি, শহর, এমনকি কোন ভৌগলিক এলাকাকে নিদারুণ উদ্ভট আতংকে ফেলতে পারে৷ যার প্রমাণ আমরা এই করোনার কারণে ভালোই উপলব্ধি করতে পারছি৷ আর এই খালি চোখে অদৃশ্য ভাইরাস পৃথিবীর প্রায় সর্বত্রই বিদ্যমান। এরা ছত্রাক, উদ্ভিদ, প্রাণী এবং মানুষকেও সংক্রামিত করতে পারে৷ তবে, সব ভাইরাসই খারাপ নয়৷ কিছু ভাইরাস বিপদজনক ভাইরাসের বিপক্ষে কাজ করে ৷ কিছু মানব দেহের প্রোবায়োটিক-ব্যাকটেরিয়ার (যে ব্যাকটেরিয়া মানুষের উপকার করে) মতই প্রতিরক্ষা-ভাইরাস হিসাবেও কাজ করে। আসলে, আমরা তাদের সম্পর্কে যত বিস্তারিত

ভূমিকম্পের বিজ্ঞান [৩]

…দ্বিতীয় পর্বের পর থেকে। কিভাবে বোঝে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল কোথায়: ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল কোথায় সেটি বের করতে বিজ্ঞানীরা অংকের সাহায্য নেন। অত্যন্ত চমৎকার একটি উপায়ে ভূমিকম্পের উৎপত্তিস্থল নির্ণয় করা হয়। সিসমোমিটারে প্রাইমারী তরঙ্গ ও সেকেন্ডারী তরঙ্গ রেকর্ড হবার সাথে সাথে সময়ও রেকর্ড হয়। এ থেকে বোঝা যায় কোন তরঙ্গ কতটুকো দেরিতে এসে পৌছেছে। প্রাইমারী তরঙ্গ ও সেকেন্ডারী তরঙ্গের একটি নির্ধারিত বেগ আছে। সেকেন্ডারী তরঙ্গের বেগ প্রাইমারী তরঙ্গের প্রায় অর্ধেক[৬০%] । প্রারম্ভিক সময়ে কিন্তু দুটি তরঙ্গ একই সময়ে বিমুক্ত হয়। যাত্রা পথে একটু একটু করে তাদের মাঝে দূরত্বের সৃষ্টি হয়। সিসমোমিটারে কত সময় পর দুটি তরঙ্গ ধরা পড়েছে সেটা হিসাব করে এই সময়ে বিস্তারিত