মাইটোকন্ড্রিয়ার একাল সেকাল

মাইটোকন্ড্রিয়া… জীবিত কোষের জন্য খুবই প্রয়োজনীয় একটি অংগানু। মাইটোকন্ড্রিয়া কিভাবে এলো? এই বিষয়ে চমৎকার একটি তত্ব আছে, যাকে বলা হয় ‘এন্ডোসিম্বায়োটিক থিওরী’। কিভাবে এককালের স্বাধীন ব্যাক্টেরিয়া বহুকোষীর পরাধীন হলো সেইসব ব্যাপার নিয়ে এই থিওরী। ছোটবেলা থেকেই আমরা জেনে এসেছি- মাইটোকন্ড্রিয়া হচ্ছে কোষের পাওয়ারহাউস। কথাটি ভূল নয়, তবে আরো কিছু আনুষঙ্গীক ঘটনা-চক্রে এর গুরুত্বপূর্ন অংশগ্রহন আগ্রহীদের এর সম্পর্কে আরো জানতে উৎসাহী করেছে। একজনের মনে প্রশ্ন জাগতেই পারে, মাইটোকন্ড্রিয়া কি শুধুই কোষের পাওয়ারহাউস? এর কাজ কি শুধুই কোষের জন্য জটিল কিছু রাসায়নিক বিক্রিয়ায় অংশ নেয়া? আমাদের জীবনাচরন, রোগব্যাধী,প্রতিকূলতার মধ্যে টিকে থাকা, এসব বিষয়ে এর প্রত্যক্ষ কোন প্রভাব কি আছে? আস্ত একটা নিজস্ব বিস্তারিত

২৩ জুন পৃথিবীর নিকটবর্তী হচ্ছে চাঁদ

২৩ জুন, ২০১৩ পৃথিবীর খুব কাছাকাছি আসছে চাঁদ। উপবৃত্তাকার কক্ষপথে পৃথিবী থেকে চাঁদের এই নিকটতম অবস্থানকে অনুভূ বা পেরিজি বলা হয়। ঐ সময় চাঁদ পৃথিবী হতে ৩,৫৬,৯৯১ কিলোমিটার বা ২,২১,৮২৪ মাইল দূরত্বে অবস্থান করবে। পৃথিবী থেকে চাঁদের গড় দূরত্ব ৩,৮৪,৪০২ কিলোমিটার। ২০১৪ সালের আগস্ট মাসের আগে চাঁদ পৃথিবীর এতো কাছে আর আসছে না। ২৩শে জুন, অনুভূ সময়ের কাছাকাছি সূর্য, পৃথিবী ও চাঁদ প্রায় একটি সরল রেখায় অবস্থান করবে, সেই জন্য তখনই পূর্ণচন্দ্র বা পূর্ণিমা হবে। যেহেতু অনুভূ ও পূর্ণিমা প্রায় একই সময়ে সংঘঠিত হচ্ছে সেই জন্য এই চাঁদ গড় দৃশ্যমান চাঁদের চাইতে কিছুটা বড় ও উজ্জ্বল দেখাবে। ঢাকা সময় রবিবার বিস্তারিত