ধূমকেতুর কক্ষপথ

[যুগ্ম-লেখক: অারাফাত রহমান]   তুমি কি কেবলই ছবি, শুধু পটে লিখা। ওই যে সুদূর নীহারিকা যারা করিয়াছে ভীড়, আকাশেরো নীড় ওই যারা দিনরাত্রি আলো হাতে চলিয়াছে আঁধারের যাত্রী (তুমি কি কেবলই ছবি — রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর)   বিবর্তনের সাথে সাথে মস্তিষ্ক বিকাশের এক পর্যায়ে মহাকাশের দিকে তাকিয়ে মানুষ বিস্মিত হয়েছে। হাজার হাজার বছর ধরে রাতের আকাশে উজ্জ্বল বস্তুনিচয়দের মানুষ পর্যবেক্ষণ করেছে, তারার মানচিত্র রচনা করেছে। এই চিরচেনা নক্ষত্রদের মাঝে হঠাৎ করে উদয় হওয়া বাউন্ডেলে ধূমকেতুগুলোকে খেয়াল করেছে তারা সচকিত হয়ে। সেই অতীত পর্যবেক্ষকরা জানতো না ধূমকেতু আসলে কি, কোথা থেকেই বা তারা আসে, আর তারা দেখতে কেনই বা ধোঁয়াশা ঝাড়ুর মতো বিস্তারিত

শুক্রের ট্রানজিট – আমাদের যা যা জানা দরকার

এমন ঘটনা বার বার আসে না। গত আটবছর আগে সে এসেছিলো। আবার আসবে শতাধিক বছর পর।   আগামী ৫/৬ জুনে পৃথিবী সেই জায়গাতে অবস্থান নেবে ওই ঘটনা দেখার জন্য। কোন ঘটনা? শুক্র গ্রহের ট্রানজিট। জ্যোতির্বিজ্ঞানের এই দুর্লভ ঘটনা ২১১৭ সালে আবার দেখা যাবে — তার মানে পর্যবেক্ষণের জন্য এইবারই শেষ সুযোগ আমাদের। চলুন জেনে নেয়া যাক বিরল ট্রানজিট সম্পর্কে।   ট্রানজিট কি? শুক্রের কক্ষপথ পৃথিবীর চাইতে ছোট – কারণ সে সূর্যের অনেক কাছে। তার ২২৫ দিনে একবছর। তারমানে ২২৫ দিনে সে সূর্যের চারদিকে একবার ঘুরে আসে। সে হিসেবে বছরে অন্তত একবার শুক্রগ্রহ সূর্য আর পৃথিবীর ঠিক মাঝখানে আসার কথা। সূর্যগ্রহণে বিস্তারিত