COVID-19

করোনার মধ্য দিয়েই কি mRNA ভ্যাক্সিনের বিপ্লব ঘটবে?

ভাইরাস এবং ভ্যাক্সিন এখন বলা যায় “ভয় এবং ভরসা” শব্দ দুইটির সাথে বেশি যায়। কোভিড-১৯ মহামারীর কারণে আমরা বুঝতে পেরেছি ভাইরাস যতটা না সহজলভ্য, ভ্যাক্সিন ততটাই মূল্যবান আর কষ্টসাধ্য৷ পাশাপাশি কোভিড-১৯ মহামারীর কারণেই গত কয়েক মাসে জনসাধারণ অনেকগুলি বৈজ্ঞানিক শব্দের সাথে পরিচিত হয়েছে। যেমন: কোয়ারেন্টাইন বা সঙ্গনিরোধ, লকডাউন, মাস্ক বা মুখোশ পরিধান, সামাজিক দূরত্ব ইত্যাদি। …

করোনার মধ্য দিয়েই কি mRNA ভ্যাক্সিনের বিপ্লব ঘটবে? Read More »

স্বাস্থ্য সেবায় আধ্যাত্মিকতার ভূমিকা

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পাঁচ মাসের ভিতরেই বিশ্বের প্রায় সমস্ত ভূখন্ড দখলে নিয়েছে অতিক্ষুদ্র ভাইরাস সার্স-করোনাভাইরাস-২। স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় করা যুক্তরাস্ট্র মৃত্যুর মিছিলেও এগিয়ে। অন্যান্য ডিএন এ বা আর এন এ ভাইরাসের থেকে কম গতিতে নিজেকে পাল্টাচ্ছে এই ভাইরাস। দ্রুত গতিতে পাল্টালে এর বিধ্বংসী ভাব কমে আসতো কিনা তাও বলা যাচ্ছে না। রয়েছে তাপমাত্রা, …

স্বাস্থ্য সেবায় আধ্যাত্মিকতার ভূমিকা Read More »

গড়গড়ার মাধ্যমে ভাইরাস ধুয়ে ফেলার বিজ্ঞান

শ্বাসতন্ত্রের যেসব ভাইরাস সাধারণ সর্দি, ঠান্ডা অথবা আরো মারাত্মক উপসর্গের জন্য দায়ী তারা মূলত নাক ও মুখ দিয়ে আমাদের শরীরে প্রবেশ করে। নাক ও মুখের গভীরে এই অংশকে ফ্যারিংক্স বলে যেটির সবথেকে উপরের অংশ ন্যাসোফেরিংক্স (নাকের গভীরের অংশ), এরপর অরোফেরিংক্স (মুখ গহ্বর এর ভিতরে) এবং হাইপোফেরিংক্স ( অরোফেরিংক্স এর আরো খানিকটা নীচে)। অন্যান্য ভাইরাসের মতো …

গড়গড়ার মাধ্যমে ভাইরাস ধুয়ে ফেলার বিজ্ঞান Read More »

কোভিড-১৯ শনাক্তে গোল্ড স্ট্যান্ডার্ড RT-PCR আসলে কতটা খাঁটি?

কোভিড-১৯ প্যানডেমিকের জন্য দায়ী সার্স-কভ-২ ভাইরাস শনাক্তকরণে বিশ্বব্যাপী রিভার্স ট্রান্সক্রিপ্টেজ পলিমারেজ চেইন রিয়াকশন (RT-PCR) ব্যবহার করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে সম্ভাব্য রোগীর নাক বা গলার ভিতর থেকে নমুনা নেয়া হয় যার মধ্যে সক্রিয় ভাইরাস বিদ্যমান। এই নমুনা ল্যাবে এনে পরীক্ষায় কয়েকটি ধাপ রয়েছে। প্রথমে নমুনার ভাইরাস থেকে এর জেনেটিক ম্যাটেরিয়াল বা RNA বের করে আনা। এরপর বেশ কিছু উপাদান ব্যবহার করে এইRNA এর একটি নির্ধারিত অংশ কে DNA তে রূপান্তরিত করা এবং সেই রূপান্তরিত DNA এর সংখ্যা বা পরিমাণ চক্র হারে বৃদ্ধি করা। শেষ পর্যায়ে এই DNA এর উপস্থিতি নির্দেশ করে নমুনাতে ভাইরাস টি উপস্থিত ছিল। তখন আমরা বলি ব্যক্তি টি সার্স-কভ-২ পজিটিভ।

সার্স-কভ-২ ভাইরাস RNA এর যেই অংশ টুকু কে নির্ধারন করে পুরো টেস্ট টি সাজানো হয় সেটি খুব সতর্কতার সাথে বাছাই করা হয়। যাতে ঐ অংশ টি কাছাকাছি অন্য কোন ভাইরাসের সাথে না মিলে যায়। কারন মানব শরীরে সার্স-কভ-২ ছাড়াও অন্য অনেক ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েও সর্দি, কাশি বা জ্বরের মত উপসর্গ থাকতে পারে । তাই সার্স-কভ-২ ভাইরাসের RNA এর ঐ বিশেষ অংশ টি কোন ভাবেই যেন অন্য করোনাভাইরাস, সার্স ভাইরাস, মার্স ভাইরাস বা অন্য শ্বাসতন্ত্রের ভাইরাসের সাথে মিলে না যায় সেটি নিশ্চিত করা হয়। ফলে এই পদ্ধতিতে খুব কম ক্ষেত্রেই সার্স-কভ-২ ভাইরাস ছাড়া ভুলক্রমে অন্য ভাইরাসের RNA শনাক্ত হবার সম্ভাবনা থাকে। শরীরে সার্স-কভ-২ ভাইরাস না থাকার পর ও অন্য ভাইরাস এর RNA ভুলক্রমে শনাক্ত হয়ে সার্স-কভ-২ হিসাবে ফলাফল (যাকে বলা হয় ‘ফলস পজিটিভ’) খুব একটা আসে না।

কোভিড-১৯ টেস্টে নেগেটিভ মানেই বিপদমুক্ত নয়

আপনার কোভিড-১৯ এর উপসর্গ বিদ্যমান। টেস্ট করালেন। রিপোর্ট হাতে পেয়ে দেখলেন রিপোর্ট নেগেটিভ। নিঃসন্দেহে খুশি হবেন। খুশিতে বাড়ি ফিরে নির্দ্বিধায় জড়িয়ে ধরলেন প্রিয়জনদের। দূরত্ব বজায় রেখে চলার প্রয়োজন বোধ করলেন না। দিনকয়েকের মধ্যেই আপনার প্রিয়জনদের উপসর্গ দেখা দিল এবং তাদের টেস্ট রেজাল্ট পজিটিভ আসলো! আপনি আসলে করোনা আক্রান্ত হবার পরেও রেজাল্ট নেগেটিভ এসেছিল, এটাকেই বলা হয় ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট। করোনা টেস্টে পজিটিভ আসার চেয়েও ভয়াবহ ফলস নেগেটিভ রেজাল্ট।

উপসর্গ থাকলে টেস্টে নেগেটিভ আসলেও অবশ্যই ডাক্তারের পরমর্শ মেনে নিজ থেকে ৭ দিন আইসোলেশনে থেকে উপসর্গসমূহ পর্যবেক্ষণ করা উচিৎ।

করোনাভাইরাস (SARS-CoV-2) এর স্পাইক প্রোটিন কতটা নতুন সাজে সজ্জিত?

সার্স-কভ-২ কে সার্স করোনাভাইরাসের (SARS-CoV) সবচে কাছের বোন বলা যায়। এ দুই ভাইরাসের নিউক্লিওটাইড বা RNA তুলনা করে দেখা গেল তাদের ৭৯.৫% নিউক্লিওটাইড হুবহু মিলে যায়। দুটি ভাইরাস ই মানবদেহে কোষের যে রিসেপ্টর প্রোটিনে (ACE-2) সংযুক্ত হয়ে কোষের ভিতর প্রবেশ করে সেটিও এক। তাই তারা ধারণা করলেন হয়তো সার্সের জন্য ইতিমধ্যে যেসব ঔষধ মানুষের উপর পরীক্ষার শেষ ধাপে আছে সেগুলো হয়তোবা সার্স-কভ-২ এ কাজ করতে পারে। একদল বিজ্ঞানী সার্স ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিন কে শনাক্ত করতে সক্ষম এরকম চার টি মনোক্লোনাল এন্টিবডি সার্স-কভ-২ এ প্রয়োগ করে দেখলেন। ফলাফলে একটি মাত্র এন্টিবডি কাজ করলো, বাকি তিনটি নয়। এ থেকে বোঝা গেলো যে নতুন এই ভাইরাসের স্পাইক প্রোটিনের এপিটোপে কিছু পরিবর্তন ঘটেছে তাই বাকি এন্টিবডি গুলো তাকে সনাক্ত করতে পারছেনা।

কোভিড-১৯ এর সময় গর্ভবতী মহিলাদের যা জানা উচিত

গর্ভাবস্থায় মহিলাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা সাধারণ নারীদের থেকে একটি নির্দিষ্ট পর্যায় পর্যন্ত বেশ শক্তিশালী হয়ে থাকে । তবে এটা কোন ভাবেই মনে করা যাবে না যে covid-19 থেকে গর্ভবতী মায়েরা কম ঝুঁকিপূর্ণ। বরং তারা অনেক বেশি ঝুঁকিতে থাকে । বিশেষ করে গর্ভাবস্থার প্রথম তিন মাস চলাকালীন সময়ে এই ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি থাকে বলে মনে করা হয়। কেননা এ সময় নানা ধরনের শারীরিক পরিবর্তন হয়ে থাকে। যেহেতু ভ্রণ এবং অমরা উভয়ই এই অবস্থায় বড় হতে থাকে তাই SARS-CoV2 ভাইরাস সংক্রমণ যে একটা বড় প্রভাব ফেলতে পারে তা বলাই যায়।

অ্যালকোহলের বাষ্পগ্রহণ কি কোভিড-১৯ সারিয়ে তুলতে পারে?

সম্প্রতি একাত্তর টেলিভিশনে দেয়া একটি সাক্ষাতকারে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. আলিমুল ইসলাম দাবী করেছেন, ইথানল বাষ্প শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করলে করোনা সহ শ্বসনতন্ত্রের অন্যান্য রোগ ভালো হবে। তিনি নিজের এবং তার ছাত্রদের উপর এটি পরীক্ষা করেছেন বলে দাবী করেছেন। বস্তুত, নিশ্বাসের মাধ্যমে অ্যালকোহলের বাষ্পগ্রহণ অত্যন্ত বিপদ্জনক ও ক্ষতিকর। কোন গবেষণা ছাড়াই এ ধরনের দাবী জনসম্মুখে করার ফলে সাধারণ মানুষের মাঝে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে। এ বিষয়টি যাচাই করার জন্য এই লেখাটি লিখেছেন অণুজীববিজ্ঞানের ছাত্র আশিক মাহমুদ। – আরাফাত রহমান

গ্রাহক হতে চান?

যখনই বিজ্ঞান ব্লগে নতুন লেখা আসবে, আপনার ই-মেইল ইনবক্সে চলে যাবে তার খবর।