এলোমেলো কথা- পাই

মাত্রই গেলো পাই দিবস। তাই পাই নিয়ে কিছু একটা লেখার খায়েশ জাগলো মনে। পাই এর মান যে ৩.১৪১৫৯২৬৫৩৫৮৯৮.......... এটা সবারই জানা। এটা নিয়ে নতুন করে কিছু বলার নেই। আর তাই আমার এই লেখাটায় আমি বরং পাই এর ইতিহাস আর এর প্রচলন নিয়ে আলোচনাটাকেই বেশি গুরুত্ব দিবো। পাই (ইংরেজীতে Pi) এর মানটা এসেছে একটি বিশেষ অনুপাত (২২/৭) থেকে আর এই অনুপাতটা হলো বৃত্তের পরিধি আর ব্যাস এর অনুপাত। সৃষ্টির শুরু থেকেই বৃত্তের পরিধি আর ব্যাস এর এই সার্বজনীন ধ্রুব(universal constant) অনুপাতটা প্রকৃতিতে বজায় ছিল, শুধু অপেক্ষাটা ছিল এই অনুপাতটার আবিষ্কার হবার। আমি এখানে সেই আবিষ্কার হওয়ার ঘটনা গুলোকেই সংক্ষেপে বলার চেষ্টা করবো। 3.1415926535897932384626433832795028841971693993751058................................... ইতিহাস নিয়ে ঘাটাঘাটি করলে দেখা যায় এই ধ্রুব অনুপাতটা প্রথম মানুষের নজরে আসে আনুমানিক ২৫৫০ খ্রিস্টপূর্বাব্দে। গিজার পিরামিড…
বিস্তারিত পড়ুন ...

গনিতের প্রতি ভালোবাসা

জীবনের প্রথম দিকে গনিতকে প্রচন্ড ঘৃণা করতাম। তারপর হঠাৎ ই কোন কারন ছাড়া ভালোবেসে ফেললাম গনিতকে। গনিতের প্রতি একটা আকর্ষণ তৈরি হল । কৌতুহল জন্ম নিল মনে। ভালোবাসা দিয়ে ভরে তোলার চেষ্টা করলাম গনিত কে। ভাবনা কে জাগ্রত করলাম। কৌতুহলের নদী মনের চারিদিকে বেয়ে চলেছে। গনিতের উপর লেখা বই গুলো কিনে পড়তে শুরু করলাম। গনিতকে অনুভব করতে শিখলাম। ধরাবাঁধা নিয়মকে অতিক্রম করতে তীব্র ইচ্ছা জন্ম নিল মনে। আমরা কি শুধু পরীক্ষার পাশ করার জন্য অংক করি?? গনিতের মত মজার বিষয় আর হতে পারে না। একবার যদি গনিত সমুদ্রে প্রবেশ করা যায় তবেই এর প্রকৃত মজা উপলব্ধি করা যাবে। এক সময় ভাবলাম কিছু লিখতে হবে, এমন কিছু করতে হবে যাতে মানুষ গনিতকে ভয় না পায়, উপলব্ধি করতে শেখে।গনিতকে অনুভব করতে হয়…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আজ π (পাই) দিবস এবং…..

π এর সাথে আমরা সবাই কমবেশী পরিচিত। যে কোনো বৃত্তের পরিধির দৈর্ঘ্য এবং ব্যসের ধৈর্ঘ্যের অনুপাত সর্বদা নির্দিষ্ট। এই নির্দিষ্ট অনুপাতটি π নামে পরিচিত। এর মান ৩.১৪১৫৯২৬৬৩……। π এর মানের সাথে মিলিয়ে প্রত্যেক বছর ৩য় মাসের ১৪ তারিখটিকে π দিবস, দুপুর ১টায় π ঘন্টা, ১ বেজে ৫৯ মিনিটে পাই মিনিট এবং ১ বেজে ৫৯ মিনিট ২৬ সেকেন্ডে π সেকেন্ড পালন করা হয়। π একটি অমূলদ সংখ্যা অর্থাৎ এই সংখ্যাটিকে দুটি পূর্ণ সংখ্যার অনুপাতে প্রকাশ করা যায় না। এই কারনেই π এর মান সম্পুর্ণ বিক্ষিপ্ত। অর্থ্যাৎ দশমিকের পর এর মানটিতে কোন অংকের পর কোন অংক আসবে সেটা কোন প্যাটার্ন অনুযায়ী হিসেব করা যায় না। দশমিকের পরে মোটামুটি ৪০ঘর পর্যন্ত π এর মান জানা থাকলে বিশ্বব্রাহ্মান্ডের যেকোনো ক্ষুদাতিক্ষুদ্র বস্তুর ব্যস সঠিকভাবে হিসেব…
বিস্তারিত পড়ুন ...