পদার্থবিজ্ঞানের যে ছয়টি সমীকরণ বদলে দিয়েছিল ইতিহাসের বাঁক

পদার্থবিজ্ঞানের সমীকরণগুলো যেন যাদুর ছোঁয়া। তারা ব্যাখ্যা করতে সাহায্য করে অতীতকে, যেমন কেন হ্যালির ধুমকেতু ৭৬ বছর পর পর আসে। আবার সাহায্য করে ভবিষ্যদ্বাণী করতেও, একেবারে মহাবিশ্বের চূড়ান্ত পরিণতি পর্যন্ত। তারা সম্ভাব্যতার সীমানা আরোপ করে যেমন ইঞ্জিনের কর্মদক্ষতায় এবং তারা এমনসব বাস্তবতার মুখোমুখি আমাদের দাড় করায় যা আমাদের কল্পনাতেও কখনো ছিল না, যেমন পরমাণুর ভেতরের শক্তি। গত শতাব্দীগুলোতে নতুন সমীকরণ নতুন যাদু নিয়ে পরের প্রজন্মকে অলংকৃত করেছে। বদলে দিয়েছে ইতিহাসের বাক। তেমনি ছয়টি সমীকরণ নিয়ে আজকের আলোচনা।   ১. নিউটনের গতির দ্বিতীয় সূত্র (১৬৮৭) ► সহজ ভাষায়ঃ বল হচ্ছে ভর ও ত্বরণের গুণফল। নিউটনের অন্য দুটি সমীকরণ সমেত এই সমীকরণ চিরায়ত পদার্থবিজ্ঞানের ভিত রচনা করেছিল। F বিস্তারিত

নিউরোসায়েন্স বনাম রকেট সায়েন্সঃ কোনটির ব্যাপ্তি বেশি এবং বেশি জটিল?

যখন লোকজন কোনকিছুকে কত কঠিন বোঝাতে উপমা ব্যাবহার করে তখন নিউরোসায়েন্স বা রকেটসায়েন্সের তকমা দেয়,কিন্তু কোনটি জয়ের দাবীদার? ১। প্রয়োগঃ নিউরোসায়েন্সঃ নিউরোসায়েন্স হল মস্তিস্ক ও স্নায়ুতন্ত্র নিয়ে বিজ্ঞান। এর অনেকগুলো উপভাগের মধ্যে কয়েকটা হচ্ছে স্মৃতি প্রক্রিয়াকরণ,মোটর নিয়ন্ত্রন,ভাষা,ও মস্তিস্ক সংক্রান্ত রোগ এবং স্নায়ু বিকলতা। সহজ কথায়,আমরা আমাদের জীবনে যা করি বা দেখি সব কিছুই মস্তিষ্কের মাধ্যমে হয়। রকেটসায়েন্সঃ রকেট সায়েন্স হল রকেট তৈরি ও মহাকাশে এদের পাঠানো। অনেক কারনেই এদের প্রয়োজন হয় যেমন মহাকাশে টেলিস্কোপ প্রেরণ,স্যাটেলাইট পাঠানো যা টিভি,আবহাওয়া ও সামরিক কাজে লাগানো হয় এবং এর সবকিছুই করা হয় মানবজাতির উন্নতির জন্য। ফলাফলঃ  যদিও মহাকাশ কর্মসূচির ব্যাপকতা অনেক কিন্তু শেষমেশ লাগবে বিস্তারিত