অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-৫ (শেষ পর্ব)

সময়কাল ১৯৭৭। ডিএনএ এর সিকোয়েন্স বের করার পদ্ধতি আবিষ্কার করেন ডব্লিউ গিলবার্ট ও এফ স্যাঙ্গার। সময়কাল ১৯৮৩। ক্যারি মালাস পলিমারেজ চেইন রি-অ্যাকশান আবিষ্কার করেন যার মাধ্যমে কাঙ্ক্ষিত ডিএনএ এর সংখ্যাবৃদ্ধি করে তা পরবর্তিতে বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ কাজে ব্যবহার করা যায়। সন্দেহভাজন অপরাধীর ডিএনএ এর নমুনাকে বর্ধিত করে অপরাধী সনাক্তকরণে দারুণ কাজ করে এই পদ্ধতি। এছাড়াও অণুজীব সনাক্তকরণে এবং সিঙ্গল জীন ডিজর্ডারের কারণে যে সব রোগ হতে পারে তা সনাক্তকরণেও এই পদ্ধতি অনেক ভাল ফলাফল দেয়।     …
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-৪

অ্যাভারি, ম্যাক্লিয়ড, ম্যাকার্টির পর থেকে......   সময়কাল ১৯৫৩। ডিএনএ-এর গঠন আবিষ্কারে কাজ করে চলেছেন লন্ডনের কিংস কলেজের বায়োফিজিক্স ইউনিটের সহকারি পরিচালক মরিস উইলকিন্স আর গবেষণা সহযোগী বায়োফিজিসিস্ট রোজালিন্ড ফ্র্যাংকলিন আর তাঁর ছাত্র রেমন্ড গসলিং। ফ্র্যাংকলিন এক্স-রে ক্রিস্ট্যালোগ্রাফির মাধ্যমে সেই সময়ে সবচেয়ে ভাল ফটোগ্রাফ তৈরি করছিলেন ডিএনএ এর। আর তা দিয়েই ডি এন এর একটি বাস্তবসম্মত মডেল তৈরির কাজ করছিলেন তিনি। অন্যদিকে ক্যাম্ব্রিজ ইউনিভার্সিটিতে কাজ করছেন জে. ডি. ওয়াটসন আর ফ্র্যান্সিস ক্রিক। একই সময়েই কাজ করছিলেন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-৩

কোখের পর থেকে ...   সময়কাল ১৮৯২। নতুন শতাব্দীর দাঁড়প্রান্তে দাঁড়িয়ে পৃথিবীকে নতুন উপহার দিলেন রাশান বিজ্ঞানী দিমিত্রি আইভানোভস্কি। সত্যি বলতে এক নতুন অণুজীবি দুনিয়াই উপহার দিয়ে বসলেন তিনি।আবিষ্কৃত অণুজীবটিকে আমরা এখন ভাইরাস নামে জানি। তবে মজার ব্যাপার হল, আইভানোভস্কি নিজেই জানতেন না যে তিনি ভাইরাস আবিষ্কার করেছেন। মোজাইক রোগের কারণ জানতে এক গবেষণায় আক্রান্ত তামাক পাতার রসকে তিনি পরিস্রাবণ করেন চেম্বারল্যান্ড ফিল্টারের মধ্য দিয়ে যার ভেতর দিয়ে কোন ব্যাক্টেরিয়া পার হতে পারেনা। আইভানোভস্কি যখন…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আমাদের গর্ব !

  অনেক বাঙ্গালী বিজ্ঞানী আছেন যাঁরা তাঁদের মেধা , নিষ্ঠা আর পরিশ্রমের মাধ্যমে বিজ্ঞানের বিভিন্ন শাখায় অনেক উঁচু আসনে নিজেদের স্থান করে নিয়েছেন। আমরা অনেকেই বাংলার এই কৃতি সন্তানদের সম্পর্কে জানিনা । তবে স্ব-স্ব ক্ষেত্রে তাঁরা তাঁদের নিজ মহিমায় উজ্জ্বল। রাগিব হাসানের তথ্যবহুল  স্ট্যাটাস আপডেট থেকে আইডিয়া নিয়ে আর উইকিপিডিয়া থেকে আরো তথ্য যাচাই-বাছাই করে এমনই কয়েক জন বিজ্ঞানীর একটি প্রাণবন্ত পোস্টার তৈরি করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অণুজীববিজ্ঞান বিভাগের প্রাক্তন ছাত্র মইনুল ইসলাম চৌধুরী। পোস্টারটি মাইক্রোবায়লজি অ্যাসোসিয়েশান…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-২

পাস্তুরের পর থেকে ... সময়কাল ১৮৬৭।জীবাণুমুক্ত  শল্যচিকিৎসার যুগ শুরু হয় যোসেফ লিস্টার  এর হাত ধরে। পাস্তুরের কাজের দিকে নজর রাখছিলেন লিস্টার আর সেই সূত্রেই শল্যচিকিৎসার পূর্বে যে যন্ত্রপাতি ব্যবহার করতে হবে তা জীবাণুমুক্ত করার লক্ষ্যে ফেনলে চুবিয়ে নেন। তাঁর এই চিন্তাশীলতা শল্যচিকিৎসা পরবর্তি সংক্রমণ এর হার উল্লেখযোগ্য পরিমাণে কমিয়ে দেয় এবং শল্যচিকিৎসা আরো বেশি রোগী-বান্ধব হতে থাকে। অনেকের মতে লিস্টার 'আধুনিক জীবাণুক্রিয়ানিরোধ প্রক্রিয়া' বা 'মডার্ন অ্যান্টিসেপ্সিস' এর জনক।              …
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীববিজ্ঞানের হালখাতা-১

অ্যান্টনি ফন লিউয়েনহুক, প্রকৃতিবিজ্ঞানের ছাত্র আর সেই সাথে বস্ত্র ব্যবসায়ী। কাপড় পরীক্ষার সূত্রেই অনুবীক্ষণ যন্ত্রের সাথে পরিচয় ২১ বছর বয়সী তরুণের। আর সেই পরিচয় ভালবাসায় পরিণত হতে সময় নিয়েছে খুব কমই । একটা সময় এই অনুবীক্ষণ যন্ত্র তৈরিই তাঁর নেশা হয়ে পড়ল। তাঁর তৈরি এই অনুবীক্ষণ যন্ত্রগুলো আগের যে কোন যন্ত্রের চেয়ে ২০০ থেকে ৫০০ গুণ বেশি বড় করে দেখাতে পারত যে কোন কিছুকেই। একদিন হঠাৎ খেয়ালের বশে পুকুর থেকে পানি নিয়ে সেটিকে তাঁর অনুবীক্ষণ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

পেনিসিলিন এর জন্ম নিয়ে দু’কথাঃ

১৯২৮ এর সেপ্টেম্বরের এক সকাল। তার কান্ট্রি হাউজ ধুনে (The Dhoon) ছুটি কাটিয়ে ফ্লেমিং তার কাজে ফিরলেন সেইন্ট মেরি হাসপাতালে। ছুটিতে যাওয়ার আগে তিনি কিছু পেট্রি-ডিশ রেখে যান তার কাজ করার বেঞ্চের এক পাশে যেন তার অনুপস্থিতিতে তার সহকর্মী Stuart Craddock তার বেঞ্চে কাজ করতে পারেন। ছুটি থেকে ফিরে আলেকজান্ডার তার দীর্ঘ দিনের পড়ে থাকা পেট্রি-ডিশগুলো দেখছিলেন এবং বাছাই করছিলেন কোন প্লেটগুলো তিনি ব্যবহার করতে পারবেন। এগুলোর বেশীর ভাগই ছিল দূষিত(contaminated) । ফ্লেমিং প্রতিটি ডিশকে…
বিস্তারিত পড়ুন ...