শ্রী গণেশায় নমঃ প্রীতিং ভক্তজনস্য যো জনয়তে বিঘ্নং বিনিঘ্নন স্মৃত- স্তং বৃন্দারকবৃন্দ বন্দিত পদং নত্বা মাতঙ্গাননম। পাটীং সদ্ গণিতস্য, বচমি চতুরপ্রীতিপ্রদাং প্রস্ফুটাং সংক্ষিপ্তাক্ষর কোমলামলপ টঙ্গেলালিত্য লীলাবতীম।।নমস্কাররের মাধ্যমে লীলাবতীর গৌড়চন্দ্রিকা। তনয়া লীলাবতীর সাথে ভাস্করাচার্যের শ্লোকাচ্ছলে কথোপকথনের অনবদ্য আখ্যান 'লীলাবতী'। পাটিগণিতে রয়েছে এর অসামান্য অবদান। আলোচ্য নিবন্ধে 'লীলাবতী' গ্রন্থ থেকে সবক্ বা লীলাবতী গুণন এবং বর্গ নির্ণয়ের কৌশল আলোচনা করা হয়েছে।
বিশ্বকবি গেয়েছেন, "সীমার মাঝে, অসীম, তুমি।" জগতের যতখানি আমাদের জ্ঞানের গণ্ডির ভিতরে রয়েছে, তা যেনো অধরা অচেনা জগতের সিকিভাগ। বিজ্ঞানীদের ভাষ্যমতে, বিশ্বব্রহ্মাণ্ডের মাত্র পাঁচ শতাংশ আমাদের ইন্দ্রিয়ের জালে ধরা দেয়, আর বাকি পঁচানব্বই শতাংশের সম্পর্কে আমাদের কাছে কোনো অকাট্য তথ্য নেই। এর একটি অংশ ডার্ক এনার্জি দ্বারা গঠিত, বাকি অংশ ডার্ক ম্যাটারের সমন্বয়ে। এই ডার্ক বা অন্ধকার জগত আজও বিজ্ঞানীদের কাছে রহস্যের আধার, যদিও তা মানুষের অবদমিত কৌতূহলের কাছে হার মেনেছে বার বার। বিজ্ঞানীমহলের প্রত্যাশা, একদিন এই রহস্যের জট খুলবেই।











