স্বাস্থ্য সেবায় আধ্যাত্মিকতার ভূমিকা

চীনের উহান থেকে ছড়িয়ে পাঁচ মাসের ভিতরেই বিশ্বের প্রায় সমস্ত ভূখন্ড দখলে নিয়েছে অতিক্ষুদ্র ভাইরাস সার্স-করোনাভাইরাস-২। স্বাস্থ্য খাতে সর্বোচ্চ ব্যয় করা যুক্তরাস্ট্র মৃত্যুর মিছিলেও এগিয়ে। অন্যান্য ডিএন এ বা আর এন এ ভাইরাসের থেকে কম গতিতে নিজেকে পাল্টাচ্ছে এই ভাইরাস। দ্রুত গতিতে পাল্টালে এর বিধ্বংসী ভাব কমে আসতো কিনা তাও বলা যাচ্ছে না। রয়েছে তাপমাত্রা, আদ্রতা,বয়সজনিত ব্যধি এরকম অনেক বিষয় যা এর উপর প্রভাব ফেলছে। মানসিক ও শারীরিক ভাবে অস্থির হয়ে পড়ছে গৃহবন্দী মানুষ। বাড়ছে আতংক। কাজ বন্ধ থাকায় সঞ্চয় কমে আসা মানুষরা বের হতে বাধ্য হচ্ছে। আক্রান্তদের ভিতরে শতকরা হারে মৃত্যু কিংবা জটিল অবস্থার সংখ্যা টা খুব বেশী না বিস্তারিত

মডেলঃ কল্পনার পরীক্ষা-নিরীক্ষা

বাস্তবতার সত্যিকার স্বরূপ নিয়ে একটি পোস্ট করেছিলাম এবং ঐ পোস্ট থেকে কিছু জিজ্ঞাসার জন্ম হয়। যেমন অনেক কিছুই আছে যাদের অস্তিত্ব প্রচলিত নিয়ম দ্বারা প্রমাণ করা যায় না। তাহলে তারা কি অবাস্তব? কিংবা হাট্টিমাটিম টিম-এর মতো কাল্পনিক জিনিসগুলো মূলত কী? এরা কি বাস্তব? জ্বিন-পরী কি বাস্তব? কিংবা মাল্টিভার্স কি বাস্তব? আশাকরি এই জিজ্ঞাসাগুলোর উত্তর মিলবে এই লেখাটিতে। যারা আগের লেখাটি পড়েননি তাদের কাছে অনুরোধ থাকবে প্লিজ এটি পড়ার আগের লেখাটি পড়ে নিন।   যেসকল জিনিসের বাস্তবতা ইন্দ্রিয় দিয়ে সরাসরি অনুভব করা যায় না, সেসকল জিনিসের অস্তিত্ব সম্পর্কে জানতে বিজ্ঞানীরা একটি পদ্ধতির আশ্রয় নেন। পদ্ধতিটির নাম ‘মডেল’। এই পদ্ধতিটি খুব বেশি পরিচিত বিস্তারিত

বাস্তবতা কী?

জগতে যার অস্তিত্ব আছে তাই বাস্তব, জগতে যা বাস্তব তা-ই হলো বাস্তবতা। কথাটা কেমন যেন একটু সোজাসাপ্টা শোনাচ্ছে। আসলে বাস্তবতা শব্দটি এতটা সোজাসাপ্টা নয়। এই বিষয়টাকে একটু বিশ্লেষণ করা দরকার। প্রথমে ডায়নোসরদের কথা বিবেচনা করি, অনেক অনেক আগে এদের অস্তিত্ব ছিল কিন্তু এখন আর নেই। বর্তমানের প্রেক্ষাপটে এরা কি বাস্তব? আকাশের তারাদের কথা বিবেচনা করি, আজকের দিনে আমরা কোনো একটা তারাকে যে রূপে দেখছি এটি সত্যিকার অর্থে সেই রূপে নেই। তারার বুক থেকে আলোক রশ্মি মুক্তি পেয়ে হাজার হাজার বছর ধরে মহাশূন্যে ভ্রমণ করে তারপর আমাদের চোখে এসে লাগে। ভ্রমণপথের এই সময়ের মাঝে তারার পরিবর্তন হয়ে গেছে অনেক। হয়তোবা তারাটি বিস্তারিত

জীববিজ্ঞানের জন্যে ভালবাসা ( প্রথম কথন )

বিজ্ঞান ব্লগে এটি আমার প্রথম লেখা । বিজ্ঞানের ছাত্র কিংবা বিজ্ঞান বিষয়ক শিক্ষার্থী হিসেবে আমার পথচলা খুব বেশি দিনের নয়। তবে বিজ্ঞান শিক্ষার প্রথম থেকে জীববিজ্ঞানের প্রতি কেন জানিনা একটা আলাদা ভাললাগার অনুভূতি কাজ করে।তাই সেই ভালবাসা আর ভাললাগা বিষয় গুলিকে একত্রিত করে ছড়িয়ে দিতে আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। আজকে বলব জীবনের বিজ্ঞানের কথা আর জীবনের বিজ্ঞানের সৌন্দর্যের কথা।জীবকে জানার ইচ্ছা আমাদের সবারই থাকে। কিছু প্রশ্ন আমাদের মনে ঘুরঘুর করে। যেমন: আমাদের চারপাশে যে কত নানারকম জীব দেখি- এদের উদ্ভব কিভাবে হল? মানে কিভাবে তারা এই পৃথিবীতে প্রথম আসলো, কিভাবে তারা চলে ফিরে বেড়াচ্ছে? খাচ্ছে-দাচ্ছে-ঘুমাচ্ছে? কেন আমাদের হাড়ের সঙ্গে কুমিরের বিস্তারিত

আলকেমি: রূপকথার পরিণতিতে বিজ্ঞান

কয়েক সহস্রাব্দকাল আগের কথা, যখন বিজ্ঞান বলতে কিছুই ছিলো না, যখন জ্ঞানের সর্বোচ্চ স্তর ছিল প্রাকৃতিক দর্শন এবং সবচেয়ে জ্ঞানী ব্যক্তিরা ছিলেন দার্শনিক তখন দুনিয়াতে একটি বিদ্যা প্রচলিত ছিলো। এই বিদ্যাটির নাম আলকেমি। আজকের যুগে আলকেমী বলতে আমরা বুঝি তুচ্ছ এবং সহজপ্রাপ্য এবং ক্ষয়িষ্ণু ধাতু যেমন সীসা কিংবা লোহাকে অতিমূলবান এবং সমাদৃত ধাতু যেমন: সোনা এবং রূপায় পরিণত করার বিদ্যাকে। মধ্যযুগে যখন আধুনিক জ্ঞান-বিজ্ঞান এখনকার মতো বিস্তৃতিলাভ করেনি তখন একশ্রেনীর মানুষের মনে ধারনা তৈরি হয় যে তুচ্ছ ও অকিঞ্চিৎকর ধাতুগুলোকে একধরনের পরশপাথরের (Philosopher’s stone) ছোঁয়ায় দুস্প্রাপ্য এবং মূল্যবান ধাতুতে পরিণত করা সম্ভব। শুধু তাই নয়, আরো কিছু বিষয় এই বিদ্যার বিস্তারিত

যে লোকটি অনেক প্রশ্ন করত (সক্রেটিস এবং প্লেটো)

দর্শনের সংক্ষিপ্ত ইতিহাস: অধ‍্যায় ১   ২৪০০ বছর আগের কথা । বেশি বেশি প্রশ্ন করার জন্য এথেন্সে একজনকে মৃত্যুদন্ড দেয়া হয়েছিল । তাঁর আগে অনেক দার্শনিক ছিলেন, সবাই প্রশ্নও করতেন কিন্তু সক্রেটিসের বেলায়ই সেটা চরম আকার ধারণ করেছিল । তবে এটাও ঠিক যে, দর্শনের যদি বিশেষ কোন সেবক থেকে থাকেন, সেটা হলেন সক্রেটিস । চ্যাপ্টা নাক, মোটা ও বেঁটে, মলিনবেশ এবং কিছুটা উদভ্রান্ত এবং আগ্রহী দৃষ্টি, তাঁকে আসলে সক্রেটিস বলে মানানসই মনে হতো না । যদিও শারীরিকভাবে কুৎসিত এবং কখনো নোংরা, তাঁর ছিল প্রচন্ড মানসিক শক্তি ও মেধাবী একটি মন । এথেন্সের সবাই এটা স্বীকার করে নিয়েছিল যে, তাঁর মতো আর বিস্তারিত