থাকে শুধু অন্ধকার

সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় মহাকাশযানে চেপে মানুষকে দূর নক্ষত্রে পারি দিতে। কিন্তু উপন্যাসিকের কল্পনায় আঁকা মহাকাশযানের ভেতরের সত্যিকার বাস্তবতা কেমন তা মনে হয় এ বিষয়ে আগ্রহীদের না জানলেই নয়। তারই কিছুটা আভাষ পাওয়া যেতে যাবে “থাকে শুধু অন্ধকার” নামের বইটিতে। মহাকাশযানে চেপে দূর নক্ষত্রে পাড়ি দিতে কত যে জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে, কত যে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠতে হবে তা নিয়ে তাক লাগানো কিছু আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। শক্তি ব্যবহারে আমাদের আজকের যে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

আদিম জলের সন্ধানে

চিন্তা করে দেখুন আজ থেকে প্রায় ৩৫ কোটি বছর আগে সমুদ্র থেকে উঠে এসেছিল কোন এক উভচর মাছ, তারপর কোটি কোটি বছর চলে গেছে, সেই মীন থেকে উদ্ভূত হল সরীসৃপ, পাখী, স্তন্যপায়ী জীব, পৃথিবী ঘুরল প্রায় দু'বার গ্যালাক্সির কেন্দ্রের চারধারে, অবশেষে মানুষ মাত্র সেইদিন যেন গাছ থেকে এল নেমে। আমরা প্রকৃতই জলজাত, আমরা জলের সন্তান। কিন্তু আমরা জলেই থাকতে পারতাম। মৎস থেকে বিবর্তিত হতাম কিংবদন্তীর মৎসমানুষে। কিন্তু সেই জলজ সভ্যতা কি জ্যোতির্বিদ্যার চর্চা করতে পারত?…
বিস্তারিত পড়ুন ...

বাংলাদেশে ধূমকেতু পর্যবেক্ষণ

’’ধূমকেতু শব্দের মানে ধোঁয়ার নিশান। ওর চেহারা দেখে নামটার উৎপত্তি। গোল মুন্ড আর তার পিছনে উড়ছে উজ্জ্বল একটা লম্বা পুচ্ছ। এই পুচ্ছটা অতি সূক্ষ্ম বাষ্পের।’’ রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর তাঁর বিশ্বপরিচয় গ্রন্থে ধূমকেতুর পরিচয় ঠিক এভাবেই তুলে ধরেছেন। ধূমকেতু সৌরজগতের আদি বস্তুসমূহের অন্যতম। যেসব বছর আকাশে ধূমকেতুর আবির্ভাব ঘটে সেবছরগুলো জ্যোতির্বিদ ও আকাশপ্রেমীদের জন্য থাকে খুব আনন্দের। বেশিরভাগ ধূমকেতুর আলো খালি চোখে দেখতে পাবার মতো তেমন উজ্জ্বল হয়না। এটি উজ্জ্বল না অনুজ্জ্বল দেখা যাবে তা নির্ভর করে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

নিউট্রিনো: মহাবিশ্বের ভূত

২০১১ সালের সেপ্টেম্বর মাসের কথা, তখনকার সময়ে নিয়মিত বিভিন্ন পত্রিকার সাপ্তাহিক বিজ্ঞান পাতার মাঝে ঘুরাঘুরি করে বেড়াতাম। সেই সময়ে এমন একটা খবর বেরিয়েছিল যার কারণে সারা দুনিয়ায় হুলস্থূল পড়ে গিয়েছিল। খবরটি ছিল এরকম- "নিউট্রিনো ছোটে আলোর চেয়ে বেশি গতিতে"।   যারা বিজ্ঞানের হালচালের অল্প স্বল্প খোঁজখবর রাখে তাদের জন্য তো এটা অবাক করা ঘটনাই, পাশাপাশি যারা বিজ্ঞানের ছাত্র নয়, তাদেরও যেন অবাক করা অবস্থা। সাধারণ মানুষ বিজ্ঞানের জটিল তত্ত্ব-সূত্র না জানলেও আইনস্টাইন যে একটা যুগান্তকারী…
বিস্তারিত পড়ুন ...

গণিতবিদ আব্রাহাম ডি ময়ভার

ডি ময়ভার (Abraham De Moivre)। তিনি ছিলেন বিজ্ঞানী আইজ্যাক নিউটনের বন্ধু। শুধু নিউটনের বন্ধুই নয় একসময়কার রাজকীয় গ্রিনিচ মান-মন্দিরের প্রধান এডমন্ড হ্যালিরও বন্ধু ছিলেন তিনি। তার এই দুই বন্ধুর অবদান প্রধানত বিজ্ঞানে আর তার অবদান গণিতে। অবশ্য তিনি জীবনের একটা সময় বিজ্ঞান চর্চা করে কাটিয়েছিলেন। ১৬৬৭ সালের ২৬শে মে ফ্রান্সে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি মূলত জটিল সংখ্যা ও ত্রিকোণমিতির উপর তার দেয়া উপপাদ্যের জন্য বিখ্যাত। তিনি এক সূত্রে ত্রিকোণমিতি আর কাল্পনিক সংখ্যার জগতকে এক সুতায় বেধে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জীবনের উদ্ভব: প্যান্সপারমিয়া তত্ত্ব পরিচিতি

পৃথিবীতে প্রাণের উদ্ভব হলো কি করে এই প্রশ্নটা যুগের পর যুগ ধরে মানুষকে আলোড়িত করে আসছে। বিভিন্ন লোকসংস্কৃতি, ধর্ম ও পুরাণ এই প্রশ্নের উত্তর দিতে চেয়েছে নানা ভাবে। বিজ্ঞানও এ প্রশ্নের উত্তর খুঁজতে গিয়ে বেশ কিছু তত্ত্ব দাঁড়া করিয়েছে, যাদের মধ্যে কোন কোনটা আবার কল্পবিজ্ঞানের মতোই শোনাবে। বিজ্ঞান ও কল্পবিজ্ঞানের সীমারেখায় দাঁড়িয়ে থাকা এমন একটি তত্ত্ব হলো প্যান্সপারমিয়া। প্যান্সপারমিয়ার মূল বক্তব্য হলো প্রাণের উদ্ভব পৃথিবীতে হয় নি। মহাবিশ্বের অন্য কোথাও প্রাণের উদ্ভব হয়েছে। উল্কা, ধূমকেতু…
বিস্তারিত পড়ুন ...