ক্যাঁচক্যাঁচ

ভূমিকাঃ বিজ্ঞানবিষয়ক এই ব্লগটি আমার খুবই প্রিয় একটি ব্লগ। আমি প্রায়শই এই ব্লগে আসি, একটি কিংবা দু’টি লেখা পড়ি। তৃতীয়টি পড়ার সময় আবিষ্কার করি আমারও তো এরকম কিছু একটা লেখা দরকার। এই ছেলেপেলেগুলো কি সুন্দর দিনের পর দিন “আহা…বেশ!বেশ!” টাইপ লেখা লিখে যাচ্ছে, আর আমি কি খালি দু’চোখ গোলগোল করে পড়তেই থাকব? লিখব কখন? এই না চিন্তা করে আমি যখন মহা উৎসাহ উদ্দীপনার সাথে “দাঁড়া …দেখাচ্ছি মজা” ভাব নিয়ে লিখতে বসি সমস্যার সূত্রপাত ঠিক তখনটাই। দুই ছত্র লিখি তো তিন ছত্র কাটি (মনে মনে মাথায় যেটা অগ্রীম লিখেছি সেটা সহ)।তাই আজ অবধি আমি একটি লেখাও দিতে পারি নাই। আমার কথা বিস্তারিত

দেজাভুঁ – একটি অদ্ভূত অভিজ্ঞতা

মনোবিজ্ঞানের বিশেষ শাখাই আছে যেখানে স্মৃতি নিয়ে কাজ করা হয়। স্মৃতিমনোবিজ্ঞানীরা দেখেছেন, আমাদের অতীতে যা  ঘটেছিলো সেই স্মৃতির সাথে যুক্ত থাকে কোথায় ঘটনাটা ঘটেছিলো বিষয়ক স্মৃতি। এই পরবর্তী কোথায় ঘটনা ঘটেছিলো বিষয়ক স্মৃতিকে বলে সূত্র-স্মৃতি।

দেজাভুঁতে অপরিচিত ঘটনাকে পরিচিত ঘটনা মনে হয়। আমরা কিভাবে বুঝতে পারি যে আমরা পরিচিত ঘটনাপ্রবাহের মধ্যেই আছি? আসলে এর জন্য দুইটি পদ্ধতি আছে। পূর্বের অবস্থা (situation) থেকে স্মৃতি তুলে আনা হলো একটি পদ্ধতি। যেমন আপনি হয়তো আপনার শৈশবের গ্রামে চলে গেছেন। তখন আপনার মনে হবে কোন মাঠে আপনি খেলতেন, কোন আমগাছ থেকে আপনি পড়ে গিয়েছিলেন ইত্যাদি।

স্বপ্নের পেছনের বিজ্ঞান

১. “স্বপ্ন হল চোখের ভেতরে চোখ …” সমুদ্র গুপ্ত   স্বপ্ন কি? মানুষ কেন স্বপ্ন দেখে? কেবল মানুষই কি স্বপ্ন দেখে? স্বপ্নের কি কোন অর্থ আছে? এসব প্রশ্ন নতুন নয়। আদিমকালে মানুষ ভাবতো ঘুমের মধ্যে মানুষের আত্মা দেহ থেকে বের হয়ে আসে। তারপর ঘুরে বেড়ায় চারপাশের জগতে। তাই মানুষ স্বপ্ন দেখে। প্রাচীন গ্রীক-রোমানরা ভাবতো স্বপ্ন বিশ্লেষণ করলে হয়তো ভবিষ্যত সম্পর্কে জানা যাবে। শুধু গ্রীক-রোমানরাই নয়, প্রতিটি সভ্যতাই স্বপ্নের বিভিন্ন ব্যাখ্য দেয়ার চেষ্টা করতো। অবশ্য স্বপ্নের বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা দেয়ার জন্য মানুষকে অপেক্ষা করতে হয়েছে উনবিংশ শতাব্দী পর্যন্ত। এই শতাব্দীতে সিগমুন্ড ফ্রয়েড এবং কার্ল জাঙ প্রথম স্বপ্নের উপর বৈজ্ঞানিক তত্ত্ব নির্মান করেন। বিস্তারিত

কেন চোখ বন্ধ করে ভাবেন?

কাজটা  অনেকবারই করেছেন, আজ আবার করে দেখুন। কাউকে খুব জটিল কোনো প্রশ্ন করুন। ভাবুন তো তার প্রতিক্রিয়া কী হতে পারে? সবচেয়ে বড়ো সম্ভাবনা যেটা সেটাই বলি। তারা চোখ বন্ধ করে কিংবা আকাশের দিকে তাকিয়ে ভাবতে থাকবে। এটাই এ লেখার পয়েন্ট। কেন বেশিরভাগ মানুষ জটিল কোনো বিষয় নিয়ে ভাবার সময় কিংবা প্রশ্নের উত্তর দেবার সময় চোখ বন্ধ করে ফেলে?