জিনোম সম্পাদনা

জিনোম সম্পাদনা
১. এমন যদি হতো জীবন্ত-প্রাণকে কম্পিউটার সফটওয়্যাররের মতো সহজে বদলানো যেতো? তাহলে আমরা খামারের পশু থেকে থেকে পেতাম চর্বিহীন মাংশপিন্ড। প্রকৌশলের মাধ্যমে গাছগাছালি থেকে রসালো ফল অথবা তীব্র জলবায়ুতে টিকে থাকার ক্ষমতা চালু করা যেত। চিকিৎসা গবেষণা বদলে যেত। মানব রোগ বোঝার জন্য আমরা মিউট্যান্ট প্রাণী তৈরি করতাম। কিংবা নতুন ঔষুধ-অণুর উৎস হিসেবে উদ্ভিদ-প্রকৌশল করা হতো। ঔষুধ তখন একেবারেই ভিন্ন প্রকৃতির হতো। সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা মাসকুলার ডিসট্রফির মতো বংশগতির-রোগের দূর্ভোগে না ভূগে ডাক্তাররা হয়তো ক্ষতিগ্রস্থ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুজীবদের কি নৈতিকতা আছে?

অণুজীবদের কি নৈতিকতা আছে?
মানুষের বিবেক আছে। মানে আমরা কোন কিছু করার আগে ভালো মন্দ চিন্তা করি। তারপর আমাদের মানসিক অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নিই। খারাপ মানুষ হয়তো কারো ক্ষতি করার সিদ্ধান্ত নেয় আর ভালো মানুষ অন্যের উপকারের সিদ্ধান্ত নেয়। সেই হিসেবে আমরা কোন মানুষকে ভালো কিংবা খারাপ মানুষ বলি। তার কাজকেও আমরা ভালো কাজ কিংবা খারাপ কাজ বলতে পারি। যেসব জীব অতি ক্ষুদ্র আণুবীক্ষণিক তাদের কি এই বিবেক ও নৈতিকতা আছে। এখানে কথা বলছি অণুজীবদের নিয়ে।
বিস্তারিত পড়ুন ...

১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার

১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার
ক্যান্সার শব্দটি শুনলেই এর ভিতরটা কেমন যেন আঁতকে উঠে। কেননা ক্যান্সার হলো পৃথিবীর অন্যতম প্রধান মরণব্যধী। কোন কারণে  আমাদের দেহে স্বাভাবিক কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেলেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়। কোন নির্দিষ্ট একটা জায়গায় ক্যান্সার হওয়ার পর তা ধীরে ধীরে দেহের অন্যত্র ছড়িয়ে পরে। ২০১৫ সাল নাগাদ প্রায় ৯০.৫ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সার রোগে ভোগছে। প্রতিবছর প্রায় ১৪.১ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এবং ক্যান্সারের ফলে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৮.৮ মিলিয়ন। ২০১২ সালে প্রায় ১,৬৫,০০০ অনুর্ধ্ব…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জেনেটিকের আদ্যোপান্ত

জেনেটিকের আদ্যোপান্ত
কখনো ভেবে দেখেছো কি তোমার চেহারা কেনো তোমার বাবা মায়ের সাথে মিলে? যমজ বাচ্চা দেখতে কতো কিউট ই না লাগে; যমজ হওয়ার পেছনে রহস্য টা কি? মানুষের ক্যান্সার হয় কেনো? কিছু কিছু মানুষের চুল লাল হয় কেনো? এই সব কিছুর পেছনে আছে জিনের প্রভাব। না, কোন জিন-ভুত না। ‘GENE’ হলো জীবন্ত প্রাণের বংশগতির আণবিক একক। আমাদের দেহ কোষ দিয়ে গঠিত। কোষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু ক্রোমোজোম, যা DNA দিয়ে গঠিত। এই DNA এর নির্দিষ্ট অংশ ই হলো…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ও আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা

ব্যাক্টেরিয়ার সংক্রমণ ও আমাদের প্রতিরোধ ব্যবস্থা
আমাদের দেহের প্রতিরোধ ব্যবস্থাকে দুই ভাগে ভাগ করা যায়। অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা এবং অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা। বিবর্তনীয় সময়রেখায় আগে আসা অন্তর্নিহিত প্রতিরোধের ব্যাপ্তি গায়ের চামড়া, চোখের পানি, পেটের এসিড, নাকের মিউকাস এবং নানান রকম শ্বেতরক্তকণিকা পর্যন্ত বিস্তৃত। অন্যদিকে অভিযোজিত প্রতিরোধ ব্যবস্থার অংশ অ্যান্টিজেন, অ্যান্টিবডি, টি কোষ, বি কোষ সহ আরো সূক্ষ্ণ জিনিসপাতি। যদিও মানুষের মত বড়সর একটি প্রাণি যার আবার বংশবৃদ্ধির হার অতটা দ্রুত নয়, তাকে রক্ষা করার জন্য শুধু অন্তর্নিহিত প্রতিরোধ ব্যবস্থা যথেষ্ট না…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?

ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?
তাদের নাম লুলু ও নানা। প্রকৃত নয়, ছদ্মনাম। ছদ্মনাম দেয়ার উদ্দেশ্য হলো এ দুই নবজাতকের প্রকৃত পরিচয় যাতে গোপন থাকে। কারণ তাদের জন্ম কোন সাধারণ জন্ম নয়, প্রকৃতির উপর বাড়াবাড়ি যেন, বিশ্ববাসীর কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত । লুলু ও নানা পৃথিবীতে জন্ম নেয়া প্রথম শিশু যাদের জিনোম প্রকৃতির হাত থেকে ছিনিয়ে গবেষণাগারে সম্পাদিত করা হয়েছে। হে জিয়ানকুই নামক বিজ্ঞানী এ ঘোষণা দেয়ার পর সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানী-মহল তো বটেই, সাধারণ মানুষের মাঝেও হুলস্থুল ও নাটকীয় বিতর্কের সৃষ্টি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

X ক্রোমোসোম এর রহস্য উন্মোচন

X ক্রোমোসোম এর রহস্য উন্মোচন
ধরুন দুটি আইডেন্টিক্যাল জমজ বোন আছে। আইডেন্টিক্যাল জমজ মানে এরা দুইজন একটিমাত্র জাইগোট থেকে বৃদ্ধি লাভ করেছে। যেহেতু তারা সম্পূর্ণ একই রকম ডিএনএ বিশিষ্ট্য তাই তাদের চুলের রঙ, নাক, হাত, চোখের রঙ সহ প্রায় সব কিছুই হুবুহু একই রকম। কিন্তু আশ্চর্য করা বিষয় হল এদের মাঝে একজন সবুজ আলোর জন্য বর্ণান্ধ কিন্তু অন্যজন স্বাভাবিক। প্রশ্ন হলো ,একই রকম জিনোম বিশিষ্ট্য হলে দুই বোনের মাঝে এই ভিন্নতা কিভাবে সম্ভব হলো ? উত্তর লোকানো আছে তাদের জিনে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি

লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতি
কোন দম্পতির ক্ষেত্রে যখন স্ত্রী গর্ভবতী হয় তখন ঐ দম্পতিকে দেখলে সকলের একটি সাধারণ প্রশ্ন হলো “ছেলে হবে নাকি মেয়ে?”। এই প্রশ্নের কারণ হলো, সামাজিক জীবনের অভিজ্ঞতায় আমরা বলতে পারি যে ছেলে বা মেয়ে হওয়ার সম্ভাবনা ৫০/৫০। কিন্তু মানুষের ক্ষেত্রে মেয়ে বা ছেলে হওয়ার সম্ভাবনা কেনই বা ৫০/৫০ হলো? এই প্রশ্নের উত্তর লুকিয়ে আছে আমাদের লিঙ্গ নির্ধারণ পদ্ধতিতে। আমাদের এই প্রাণিজগতে নানা বৈচিত্রের জনন প্রক্রিয়া ও জীবনচক্র লক্ষ করা যায়। কোন প্রাণী অযৌন জনন, কোনটা…
বিস্তারিত পড়ুন ...