জিনোম সম্পাদনা

জিনোম সম্পাদনা
১. এমন যদি হতো জীবন্ত-প্রাণকে কম্পিউটার সফটওয়্যাররের মতো সহজে বদলানো যেতো? তাহলে আমরা খামারের পশু থেকে থেকে পেতাম চর্বিহীন মাংশপিন্ড। প্রকৌশলের মাধ্যমে গাছগাছালি থেকে রসালো ফল অথবা তীব্র জলবায়ুতে টিকে থাকার ক্ষমতা চালু করা যেত। চিকিৎসা গবেষণা বদলে যেত। মানব রোগ বোঝার জন্য আমরা মিউট্যান্ট প্রাণী তৈরি করতাম। কিংবা নতুন ঔষুধ-অণুর উৎস হিসেবে উদ্ভিদ-প্রকৌশল করা হতো। ঔষুধ তখন একেবারেই ভিন্ন প্রকৃতির হতো। সিস্টিক ফাইব্রোসিস বা মাসকুলার ডিসট্রফির মতো বংশগতির-রোগের দূর্ভোগে না ভূগে ডাক্তাররা হয়তো ক্ষতিগ্রস্থ…
বিস্তারিত পড়ুন ...

জেনেটিকের আদ্যোপান্ত

জেনেটিকের আদ্যোপান্ত
কখনো ভেবে দেখেছো কি তোমার চেহারা কেনো তোমার বাবা মায়ের সাথে মিলে? যমজ বাচ্চা দেখতে কতো কিউট ই না লাগে; যমজ হওয়ার পেছনে রহস্য টা কি? মানুষের ক্যান্সার হয় কেনো? কিছু কিছু মানুষের চুল লাল হয় কেনো? এই সব কিছুর পেছনে আছে জিনের প্রভাব। না, কোন জিন-ভুত না। ‘GENE’ হলো জীবন্ত প্রাণের বংশগতির আণবিক একক। আমাদের দেহ কোষ দিয়ে গঠিত। কোষের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গাণু ক্রোমোজোম, যা DNA দিয়ে গঠিত। এই DNA এর নির্দিষ্ট অংশ ই হলো…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?

ক্রিসপার-শিশুর জন্ম-বিতর্ক : পৃথিবী কি জিনোম-সম্পাদিত শিশুদের স্বাগত জানাবে?
তাদের নাম লুলু ও নানা। প্রকৃত নয়, ছদ্মনাম। ছদ্মনাম দেয়ার উদ্দেশ্য হলো এ দুই নবজাতকের প্রকৃত পরিচয় যাতে গোপন থাকে। কারণ তাদের জন্ম কোন সাধারণ জন্ম নয়, প্রকৃতির উপর বাড়াবাড়ি যেন, বিশ্ববাসীর কাছে একেবারেই অপ্রত্যাশিত । লুলু ও নানা পৃথিবীতে জন্ম নেয়া প্রথম শিশু যাদের জিনোম প্রকৃতির হাত থেকে ছিনিয়ে গবেষণাগারে সম্পাদিত করা হয়েছে। হে জিয়ানকুই নামক বিজ্ঞানী এ ঘোষণা দেয়ার পর সারা পৃথিবীর বিজ্ঞানী-মহল তো বটেই, সাধারণ মানুষের মাঝেও হুলস্থুল ও নাটকীয় বিতর্কের সৃষ্টি…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ফ্রেডরিক স্যাঙ্গারঃ কাজে বিশ্বাসী মানুষটি…

মেরী কুরি, জন বারডীন, লিনাস পলিং এবং ফ্রেডরিক স্যাঙ্গার। চারজন বিজ্ঞানী, নিজ নিজ ক্ষেত্রে অতুলনীয়। তবে তাদের মধ্যে একটা মিল হল, এই চারজনই দুই বার নোবেল পুরষ্কার অর্জনের বিরল সম্মানের অধিকারি। তবে এই লেখাটি শুধুই ফ্রেডরিক স্যাঙ্গারকে নিয়ে। সম্পুর্ন কর্মজীবন নিরলস ভাবে কাজ করে গেছেন এই বিজ্ঞানী। বাধ্যতামূলক অবসর গ্রহনের সময় আসার আগ পর্যন্ত নিজের কাজ ব্যাতীত অন্য কিছুতেই তার আকর্ষন ছিলোনা। প্রোটিন এবং ডিএনএ সিকোয়েন্সিং এ তার অবদান বৈপ্লবিক। আধুনিক প্রোটিওমিকস এবং জিনোমিকসের সবচেয়ে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অণুলেখা ২ঃ ডিএনএ ছাড়া জীবকোষ!

মানুষের দেহের প্রায় সব কোষেই নিউক্লিয়াস থাকে। কোষের মধ্যখানে বলের মত যেখানে ডিএনএ একটা পর্দা দিয়ে আবৃত সেটাই নিউক্লিয়াস। শুধুমাত্র লোহিত রক্তকণিকা বা রেড ব্লাড সেল এ কোন নিউক্লিয়াস নাই, তাই ডিএনএ ও নাই। এই কোষটির কারনেই আমাদের রক্ত লাল। (রক্তের অন্য কোন রঙ হলে কেমন দেখাতো বলুন তো?) কিন্তু কেন এই কোষে কোন নিউক্লিয়াস নাই সেটা আলোচনা করি।   লোহিত রক্তকণিকা   লোহিত রক্তকণিকা একধরনের জীবকোষ যার কাজ হল রক্তের মাধ্যমে ফুসফুস থেকে দেহের…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ডিএনএ ইট: ন্যানোপ্রযুক্তি এবং জৈবযন্ত্র তৈরিতে উল্ল্যেখযোগ্য অগ্রগতি

সম্প্রতি গবেষকগণ ডিএনএ অণু ব্যবহার করে প্রায় ১০০ টির মত বিভিন্ন আকৃতির ত্রিমাত্রিক কাঠামো তৈরি করেছেন।এই প্রযুক্তি উদ্ভাবণের ফলে ভবিষ্যতে রোগ নিরাময়ে এবং জৈব প্রযুক্তির প্রয়োগে নতুনমাত্রা যোগ হবে বলে আশা করা যায়। তাছাড়া ডিএনএ ভিত্তিক তথ্য-প্রযুক্তির জগতেও এই উদ্ভাবন উল্ল্যেখযোগ্য অবদান রাখবে বলে ধরে নেওয়া যায়।   যেকোন কাঠামোর ভিত্তিহলো অনেকগুলো ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র ইউনিট যাদের কম্বিনেশনে একটি কাঠামো তৈরি হয়। কোনবিল্ডিং তৈরি করতে হলে দরকার হয় অনেক ইটের বিশেষ সজ্জা। একটির পর একটি ইট…
বিস্তারিত পড়ুন ...

তথ্যভান্ডার হিসেবে ডিএনএ

ইএমবিএল-ইবিআই(ইউরোপিয়ান মলেকিউলার বায়োলজি ল্যাবরেটরী-ইউরোপিয়ান বায়োইনফর্মেটিক্স ইন্স্টিটিউট) এর গবেষকরা তথ্যকে ডিএনএ হিসেবে জমা রাখার উপায় আবিস্কার করেছেন। এই নতুন পদ্ধতিটি বিখ্যাত বিজ্ঞান সাময়িকী ‘নেচার’ এ ২৩ জানুয়ারি,২০১৩ তে প্রকাশিত হয়েছে। এর মাধ্যমে অন্তত একশ মিলিয়ন ঘন্টার হাই ডেফিনিশান ভিডিওকে এক কাপ ডিএনএর মধ্যে জমা করে রাখা সম্ভব হবে। ডিজিটাল তথ্যে ভরে গেছে পৃথিবী। যার পরিমাণ প্রায় তিন হাজার বিলিয়ন বিলিয়ন বাইটস। প্রতিনিয়ত এতে যুক্ত হচ্ছে নতুন নতুন তথ্য। এ তথ্যগুলো সংরক্ষণের কাজে যারা নিয়োজিত তাদের জন্য…
বিস্তারিত পড়ুন ...

কৃত্রিম ডিএনএতে বিবর্তন পর্যবেক্ষণ: বিবর্তন প্রতিষ্ঠায় আরো একধাপ

বিবর্তন প্রতিষ্ঠার পথে আরো একধাপ এগিয়ে গেলো বিজ্ঞান। প্রথমবারের মত বিজ্ঞানীরা গবেষণাগারে বিবর্তনের রসায়ন পর্যায়ের পরীক্ষা চালিয়েছেন এবং আবিষ্কার করেছেন যে, রাসায়নিক ভাবেই বিবর্তন একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। এই গবেষণার মাধ্যমে বোঝা গেলো মহাবিশ্বের অন্যকোথায় প্রাণের বিকাশ ঘটলে সেখানেও স্বাভাবিক রাসায়নিক প্রক্রিয়ায় প্রাণের বংশবৃদ্ধি এবং বিবর্তন ঘটবে এবং তার জন্য পৃথিবীর অনুরূপ ডিএনএ বা আরএনএ-র দরকার হবে না। এই সংক্রান্ত গবেষণাপত্রটি অতিসম্প্রতি ‘সায়েন্স’ জার্নালে প্রকাশিত হয়েছে। এই গবেষণার নেতৃত্ব দিয়েছেন ক্যমব্রিজের MRC Laboratory of Molecular Biology…
বিস্তারিত পড়ুন ...