থাকে শুধু অন্ধকার

সায়েন্স ফিকশন উপন্যাসগুলোতে প্রায়ই দেখা যায় মহাকাশযানে চেপে মানুষকে দূর নক্ষত্রে পারি দিতে। কিন্তু উপন্যাসিকের কল্পনায় আঁকা মহাকাশযানের ভেতরের সত্যিকার বাস্তবতা কেমন তা মনে হয় এ বিষয়ে আগ্রহীদের না জানলেই নয়। তারই কিছুটা আভাষ পাওয়া যেতে যাবে “থাকে শুধু অন্ধকার” নামের বইটিতে। মহাকাশযানে চেপে দূর নক্ষত্রে পাড়ি দিতে কত যে জটিলতার মুখোমুখি হতে হবে, কত যে সীমাবদ্ধতা কাটিয়ে ওঠতে হবে তা নিয়ে তাক লাগানো কিছু আলোচনা করা হয়েছে এই বইটিতে। শক্তি ব্যবহারে আমাদের আজকের যে প্রযুক্তি সে প্রযুক্তিতে অতি কাছের নক্ষত্র প্রক্সিমা সেন্টারিতে যাত্রা করতে হলেও আরও দুইশো অপেক্ষা করতে হবে। সবচে কাছের একটা নক্ষত্রের দিকে মাত্র একটা যাত্রা করতেও বিস্তারিত

আমাদের বিজ্ঞান বইঃ তবুও স্বপ্ন দেখি

ইন্টারনেট ঘাটতে ঘাটতে ফোর্বস এর একটা আর্টিকেল পেয়ে গেলাম আজ, বিষয় – Dangerous Education in Developing Countries বা উন্নয়নশীল দেশগুলোতে বিপজ্জনক শিক্ষা। ওরা উন্নয়নশীল/দরিদ্র ২০ টা দেশের স্কুলের শিক্ষা ব্যাবস্থা এর উপর সার্ভে করেছিল একটা। তার একটা জিস্ট সেখানে দিয়েছে। সেখান থেকে কিছুটা অনুবাদ করছি। বিপজ্জনক শিক্ষার তালিকা তৈরি করা হলে যেটি সবার উপরে স্থান করে নিবে, সেই শিক্ষাটি হল, “শিক্ষকরা সব কিছুই জানেন”- এ ধারণাটা শিক্ষার্থীর মনে জাগিয়ে তোলা। শিশুরা মনে করে, শিক্ষকরা খুবই জ্ঞানী এবং তাঁরা মারাত্মক ক্ষমতাধর। এ ধারণার কারণে অনেকেই বিতর্কিত বিষয়গুলো যাচাই করে দেখার মানসিকতা ধীরে ধীরে হারিয়ে ফেলে। বিপজ্জনক শিক্ষার দ্বিতীয় পাঠটা সম্ভবত এই বিস্তারিত