অাপেক্ষিকতার যথার্থ সময় – পর্ব ৩

প্রথম পর্ব —  দ্বিতীয় পর্ব [পুরোনো কথা দু’একটা বলে নেই। ভিন তারার গ্রহ থেকে স্বাতী তার খুব দ্রুতগামী নভোযান নিয়ে পৃথিবীতে বেড়াতে এসেছে। তার নভোযান খুব দ্রুত চলে। একবার সে আমার বাড়ির জানালার পাশ দিয়ে আলোর গতির অর্ধেক গতি নিয়ে উড়ে গেল। এই উড়ে যাবার মূহুর্তে আমার ঘরের ঘড়ি ০ সেকেন্ড দেখাল, অন্যদিকে স্বাতীও তার নভোযানের ঘড়ির মান ০ সেকেন্ড করে দিল। এই উড়ে যাওয়ার পর আমার ঘড়িতে যখন ২ সেকেন্ড সময় যাবে, তখন আমার কাঠামোতে স্বাতীর ঘড়িতে ১.৭৩ সেকেন্ড সময় দেখাবে। এইখানে ‘আমার কাঠামো’ কথাটা প্রয়োজনীয়, কারণ স্বাতীর কাঠামোতে ‘আমার ঐ সময়ে’ স্বাতী কি সময় দেখছে সেটা আমি জানতে পারব বিস্তারিত

আপেক্ষিকতায় যথার্থ সময় – পর্ব ২

[প্রথম পর্ব দেখুন এখানে] স্বাতীর সঙ্গে বলটার ব্যাপারে আমার মতের মিল হল, কিন্তু এর পরেই একটা ব্যাপারে আমাদের দুজনের তর্ক লেগে গেল। আমি বললাম, “তুমি তো আমার জানালার পাশ দিয়ে আলোর গতিবেগের অর্ধেক গতিতে (u = 0.5c) বেড়িয়ে গেলে। আমি দুরবিন দিয়ে দেখলাম তুমি ৩,০০,০০০ (তিন লক্ষ) কিলোমিটার দূরত্ব ২ সেকেন্ডে পার হয়ে গেলে। আলো যেহেতু সেকেন্ডে ৩,০০,০০০ কিলোমিটার যায়, তাই তোমার যান ঐ দূরত্ব পার হতে আমার ঘড়িতে ২ সেকেন্ড সময় নিয়েছে। তোমার ঘড়িতে তখন ক’টা বাজে?” স্বাতী বলল, “আশা করছি তুমি যে ২ সেকেন্ড সময় নির্ধারণ করেছ সেটা আমার আকাশযান যে তিন লক্ষ কিলোমিটার পার হয়েছে সেই খবরটা বিস্তারিত