কোভিড-১৯ ভাইরাস প্রকারণ: যা যা জানা প্রয়োজন

পাঠসংখ্যা: 👁️ 159

সারাবিশ্ব জুড়ে করোনা ভাইরাসের এই প্রকোপ চলাকালীন অনেকগুলো শব্দের সাথে আমরা পরিচিত হয়ে গেছি। এর মধ্যে একটি হলো ভাইরাসের স্ট্রেইন। নভেল করোনা ভাইরাসের ইউকে, সাউথ আফ্রিকা এবং ব্রাজিলিয়ানের পরে এখন ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট এর নামও শোনা যাচ্ছে। এই সম্পর্কে আলোচনা শুরুর আগে আমরা ভাইরাসের বিবর্তন, প্রকারণ এবং তাদের স্ট্রেইন কি সে সম্পর্কে জানবো। এর আগে করোনা ভাইরাসের আবিষ্কার সম্পর্কে জানতে চাইলে পড়ুনঃ করোনা ভাইরাস আবিষ্কারের নেপথ্যের রাণী জুন আলমেইডার গল্প

ভাইরাসের বিবর্তন, প্রকরণ এবং স্ট্রেইন

আমরা জানি ভাইরাস একটি পোষক দেহকে আক্রান্ত করে, পোষক দেহের অভ্যন্তরে তার প্রতিলিপিকরণ করে এবং তার সংখ্যাবৃদ্ধি করে। ভাইরাস যখন প্রতিলিপিকরণ করবে, তখন সর্বদাই সে হুবহু তার মতন দেখতে এমন ভাইরাস তৈরি করে না। কখনো কখনো জেনেটিক পরিবর্তনের কারনে ভাইরাসের কিছুটা বৈসাদৃশ্য দেখা যায়। জেনেটিক সিকুয়েন্সের কারনে তার এই পরিবর্তনকে ভাইরাসের মিউটেশন বা পরিব্যক্তি বলা হয়ে থাকে। যে ভাইরাস ভিন্ন ও নতুন পরিব্যক্তি বহন করে তাদের বলা হয় ভ্যারিয়েন্ট বা প্রকরণ। ভ্যারিয়েন্ট এক বা একাধিক মিউটেশনের জন্য হতে পারে। এখন একটি নতুন প্রকারণের ভাইরাস যদি কোন মূল ভাইরাস থেকে ফাংশনাল বা কার্যমূলক বৈশিষ্ট্যে ভিন্নতা প্রদর্শন করে এবং একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়ে, তখন তাকে বলা হয় মূল ভাইরাসের নতুন স্ট্রেইন । মূলকথা, সকল স্ট্রেইনকে আমরা ভ্যারিয়েন্ট বা প্রকরণ বলতে পারবো তবে সকল প্রকরণকে স্ট্রেইন বলা সম্ভব নয়। 

করোনাভাইরাসের জিনোম নকশা, ছবিঃ Nytimes.com

একটি ভাইরাস নতুন রূপে পরিবর্তিত হওয়ার কারণ কী?

ভাইরাসের অভ্যন্তরে অনেক ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র অণু থাকে যাদের আমরা বলি নিউক্লিওটাইড, যারা সুনির্দিষ্ট  অনুক্রমে যুক্ত হয়। এখানে আমরা একটি কম্বিনিশন তালার উদাহরণ দিতে পারি, যেখানে আমরা ০-৯ এর মধ্যে চারটি সংখ্যার সংমিশ্রনে তালা খুলে যাবে। নিউক্লিওটাইডের ক্ষেত্রে চারটি বিকল্প আছে: A, C, G, T (আরএনএ-র ক্ষেত্রে U) । আমরা করোনাভাইরাসের ক্ষেত্রে আলোচনা করলে, এদের সর্বমোট প্রায় ৩০ হাজার নিউক্লিওটাইড আছে, সেখানে ওই চারটি নিউক্লিওটাইডের যেকোনো একটি বসতে পারে। ভাইরাসের  সম্পূর্ণ জিনোম ক্রমটি নির্ধারণ করে এই ৩০ হাজার নিউক্লিওটাইড। ভাইরাস তার প্রতিলিপিকরণের মাধ্যমে সংখ্যাবৃদ্ধিকালে এই জিনোম ক্রমকে অনুলিপন করে। 

কিন্তু কখনো কখনো ভাইরাস সম্পূর্ন অনুলিপিকরণ করতে  ভুল করে। যদিও অধিকাংশ সময়ে ভাইরাসের এই সামান্য ভুল তার কাজে কোন পার্থক্য তৈরি করে না। তবে অনেকগুলো ভুল হলে তা ভাইরাসের উপর প্রভাব ফেলে, এমনকি নতুন একটি স্ট্রেইন তৈরি হতে পারে । এক্ষেত্রে আমরা তিনটি ফলাফল পেতে পারি, ভাইরাসটি দুর্বল হতে পারে, নতুন সৃষ্ট স্ট্রেইনটি বিলুপ্ত হয়ে পারে, কিংবা ভাইরাসটি আরও শক্তিশালী একটি হয়ে সংক্রমণ এর মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে। শক্তিশালী  হলে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থার প্রতি বেশি প্রতিরোধী হতে পারে। তবে আশার বানী হচ্ছে, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা দাবী মতে আমাদের ভ্যাক্সিনগুলো বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট এবং স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে কার্যকর। 

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে জানতে চাইলে পড়ুনঃ করোনা ভাইরাসের ক, খ

মূল ভাইরাস থেকে কি এই ভ্যারিয়েন্টগুলো বেশি বিপজ্জনক? 

প্রতিটি ভাইরাসেই বিবর্তন হয়। অধিকাংশ সময়ে তার প্রভাব না থাকলেও এই বিবর্তন ভাইরাসকে দুর্বল বা শক্তিশালী করে তুলতে পারে। সেক্ষেত্রে ভাইরাসটি বিপজ্জনক হবে কি না তা নির্ভর করে তার সম্ভাব্য পরিণতির উপর। সেগুলো হলঃ 

  • ভাইরাসের সংক্রমণের ধরনের পরিবর্তন
  • ভাইরাস সৃষ্ট রোগের তীব্রতার উপর
  • ভাইরাস সংক্রমণ সনাক্তকরণের জন্য ডায়াগনস্টিক যে পরিক্ষাগুলো করা হয় সেটা এই স্ট্রেইন এড়াতে পারে কি না তার উপর
  • ভাইরাস প্রতিরোধে চলমান চিকিৎসা পদ্ধতিগুলোর বিরুদ্ধে নিজেকে প্রতিরোধী করা
  • আমাদের স্বাভাবিক ইমিউন সিস্টেম এবং ভ্যাক্সিন দেবার পরেও কার্যকর থাকা

যদি নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর ভাইরাস এইসব কার্যকারিতা প্রদর্শন করে তবে অবশ্যই সেই ভাইরাস তার মূল ভাইরাস থেকে শক্তিশালী। আমরা করোনা ভাইরাসের স্ট্রেইন গুলো নিয়ে যদি পর্যালোচনা করি, দেখতে পাচ্ছি, নতুন বেশকিছু স্ট্রেইন মূল ভাইরাস থেকে অনেক বেশি শক্তিশালী (৪)। যেখানে আমাদের একমাত্র ভরসা হচ্ছে আমাদের ভ্যাক্সিনগুলোর এই স্ট্রেইনের বিরুদ্ধে উল্লেখযোগ্য কার্যকারিতা। 

ভ্যারিয়েন্টসগুলি কিভাবে চিহ্নিত করা যায়? 

প্রথমেই প্রশ্ন হচ্ছে কেন এই প্রকারণগুলোকে চিহ্নিত করতে হবে? বিবর্তনের মাধ্যমে ভাইরাস অনেক বেশি শক্তিশালী হলে ভাইরাসের সংক্রমণ ক্ষমতা, তীব্র রোগ সৃষ্টি করা, এবং চলমান চিকিৎসা ব্যবস্থার বিরুদ্ধে কার্যকর হলে ওই ভাইরাস ভ্যারিয়েন্ট অনেক বেশি বিপজ্জনক হয়ে উঠতে পারে। ১৯৮০ এর দশক থেকে প্রতিবছর ইনফ্লুয়েঞ্জা বা ফ্লু ভাইরাসের ভ্যাক্সিন তৈরি করার জন্য বিশ্বব্যাপী ফ্লু ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্স করে তার নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কে পর্যবেক্ষণ করা হয়। 

এখন প্রশ্ন হচ্ছে কিভাবে প্রকারণগুলোকে চিহ্নিত করা হয়? প্রথমে ভাইরাসের জিনোম সিকুয়েন্সিং করা হয় এবং ভাইরাসের এপিডেমিওলজিক্যাল ( একটি বিশাল জনগোষ্ঠীর উপর এই ভাইরাসের প্রভাব)  ও আক্রান্ত রোগীদের থেকে ভাইরাস সম্পর্কিত তথ্য নেয়া হয়। জিনোম সিকুয়েন্সের কোন পরিবর্তন এখানে লক্ষ্য করা হয়। কোন উল্লেখযোগ্য পরিবর্তন এবং সেই ভাইরাসের জনস্বাস্থ্যের উপর বিরুপ প্রভাব দেখা দিলে ভাইরাসটিকে একটি নতুন প্রকারণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয় এবং বিশ্বব্যাপী এই নতুন প্রকারণ সম্পর্কে সতর্ক করে ভাইরাসটিকে ছড়িয়ে পড়া থেকে রক্ষা করার জন্য উদ্যোগ নেয়া হয়। 

ভারতে কোভিড- ১৯ এর বিধ্বংশী রুপ, ছবিঃ Aljazeera.com

কোভিড-১৯ এর কিছু বিপজ্জনক ভ্যারিয়েন্ট

এখন পর্যন্ত কোভিড-১৯ যতগুলো প্রকারণ চিহ্নিত করা সম্ভব হয়েছে, সেগুলো হল B.1.1.7 ( ইউকে ভ্যারিয়েন্ট), B.1.351 ( সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট), P.1 ( ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্ট), B.1.427, B.1.429 ( ক্যালিফোর্নিয়া ভ্যারিয়েন্ট) এবং সবশেষ B.1.617 ( ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট)। 

B.1.1.7 ( ইউকে ভ্যারিয়েন্ট), সাধারণ কোভিড-১৯ থেকে ৫০ শতাংশ  পর্যন্ত বেশি সংক্রামক হতে পারে। ২০২০ সালের ডিসেম্বরে এই প্রকারণ চিহ্নিত হবার পর থেকে দেখা গিয়েছে এর সংক্রমনের মাত্রা  দ্বিগুন হয়েছে এবং বর্তমানে এই প্রকারণ যুক্তরাস্ট্রে প্রাধাণ্য বিস্তার করে আছে।  B.1.351 ( সাউথ আফ্রিকান ভ্যারিয়েন্ট) , প্রথম ২০২০ সালের ডিসেম্বরে সাউথ আফ্রিকায় চিহ্নিত হয়। এই প্রকারণের  বিরুদ্ধে বিভিন্ন ভ্যাক্সিন কম কার্যকরী বলে প্রতীয়মান হয়েছে।  P.1 ( ব্রাজিলিয়ান ভ্যারিয়েন্ট), ২০২০ সালের শেষের দিকে প্রথম জাপানে চারজন ব্রাজিল ফেরত মানুষের দেহে চিহ্নিত করা হয়। পরবর্তীতে এই ভ্যারিয়েন্ট পুরো দক্ষিন আমেরিকায় ছড়িয়ে পড়ে। কোভিড-১৯ এর অন্যন্য ভ্যারিয়েন্ট এর আক্রমনে শরীরে যে ইমিউন ব্যবস্থা গড়ে ওঠে তা এই ভ্যারিয়েন্ট পরাস্ত করে খুব সহজেই আক্রমণ করতে পারে। B.1.427, B.1.429 ( ক্যালিফোর্নিয়া ভ্যারিয়েন্ট), যুক্তরাস্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়াতে চিহ্নিত করা হয়। এই প্রকারণ ২০ শতাংশ পর্যন্ত বেশি সংক্রমন করতে পারে। B.1.617 ( ইন্ডিয়ান ভ্যারিয়েন্ট) যাকে ডাবল মিউটেশন ভ্যারিয়েন্টও বলা হয়ে থাকে। বয়ষ্কদের সাথে সাথে এই প্রকারণ যুবকদের শারীরিক প্রতিরক্ষা ব্যবস্থাকেও পরাস্ত করতে পারে। এই ভ্যারিয়েন্ট বিভিন্ন ভ্যাক্সিনের বিরুদ্ধে কতটুকু কার্যকর তা এখনও পরীক্ষাধীন থাকলেও ইন্ডিয়ান কোভ্যাক্সিন এই ভ্যারিয়েন্টের বিরুদ্ধে কার্যকর বলে প্রমান পেয়েছেন Institute of Genomics and Integrative Biology (IGIB) এর গবেষকেরা (৫)। 

কোভিড-১৯ এর ভ্যাক্সিনের উপর নতুন প্রকারণের প্রভাব কি? 

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা তাদের প্রতিবেদনে দাবী করেছে, কোভিড-১৯ এর জন্য যে ভ্যাক্সিনগুলো অনুমোদিত হয়েছে তারা নতুন প্রকারণগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর হবে কেননা  এই ভ্যাক্সিনগুলো অনেক বেশি সংখ্যক এন্টিবডি এবং কোষকে যুক্ত করে বেশি ইমিউনিটি প্রদর্শন করে । সেইসাথে ভাইরাসের পরিবর্তন বা বিবর্তন ভ্যাক্সিনকে সম্পূর্ন অকার্যকর করে তোলে না। তবে, কোন ভ্যাক্সিন যদি কোন ভ্যারিয়েন্ট এর বিরুদ্ধে অকার্যকর প্রমাণিত হয়, ভ্যাক্সিনের গঠনপ্রনালীর সংমিশ্রন পরিবর্তনের মাধ্যমে ভ্যারিয়েন্টগুলোর বিরুদ্ধে তাকে আবার কার্যকর করা সম্ভব। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এবং ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকারী প্রতিষ্ঠানগুলো নিয়মিত ভাবেই নতুন ভ্যারিয়েন্ট সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ এবং তা পর্যালোচনা করে থাকে। ভ্যাক্সিনের কার্যক্ষমতার উপর নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর প্রভাব প্রমাণিত হলে, ভ্যাক্সিনকে ভাইরাসের বিবর্তনের সাথে সামঞ্জস্যের প্রয়োজন পড়বে। সেক্ষেত্রে যা করা সম্ভবঃ 

  • ভ্যাক্সিন প্রস্তুতকালে একাধিক ভাইরাস স্ট্রেইন এর সাথে যুক্ত করা
  • বুস্টার ডোজ যুক্ত করা
  • ভ্যাক্সিনের গঠনগত পরিবর্তন করা

তবে এক্ষেত্রে ভ্যাক্সিনের নতুন করে ট্রায়াল আয়োজন করা এবং ট্রায়ালের ফল মূল্যায়ন করে ভ্যাক্সিনের কার্যক্ষমতা সম্পর্কে নিশ্চিত হতে হবে।

কোভিড-১৯ বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট প্রতিরোধে দরকার স্বাস্থ্য সচেতনতা, ছবিঃ who.int

আমাদের পক্ষে কি কোভিড-১৯ নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর উত্থান নিয়ন্ত্রন সম্ভব? 

ভাইরাস যত বেশি ছড়িয়ে পড়বে, তত বেশি তার সংখ্যাবৃদ্ধি এবং বিবর্তন সম্ভব। ফলশ্রুতিতে ভাইরাসের নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর উত্থান হয়। ভাইরাসের বিস্তার রোধ করা সম্ভব হলে যেমন নতুন ভ্যারিয়েন্ট এর উত্থান রোধ করা সম্ভব, তেমনি মূল ভাইরাস হতে একটি বিশাল জনগোষ্ঠীকেও নিরাপদ রাখা সম্ভব। আর সেজন্য আমাদের সকল স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে, যেমন- হাত ধৌত করা, মাস্ক পরিধান করা, শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা, এবং ভীড় এড়িয়ে চলা। 

একইসাথে ভ্যাক্সিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানসমূহ তাদের ভ্যাক্সিন উৎপাদনের হার বৃদ্ধি করে এবং যত দ্রুত সম্ভব সবাইকে ভ্যাক্সিন প্রদান করতে পারলে এই ভ্যারিয়েন্ট এর উত্থান নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। 

করোনা ভাইরাসের নতুন প্রকরণ থাকলেও কেন ভ্যাক্সিন দেওয়া জরুরি?

কোভিড-১৯ এর বিরুদ্ধে এই যুদ্ধে ভ্যাক্সিনই হচ্ছে আমাদের একমাত্র অস্ত্র। ভ্যাক্সিনগুলো যেহেতু নতুন প্রকরণগুলোর বিরুদ্ধে কার্যকর, কিছু ক্ষেত্রে কম কার্যকরী, তবুও একমাত্র ভ্যাক্সিনের পক্ষে সম্ভব নতুন প্রকরণের বিস্তার রোধ করা। সেই সাথে ভ্যাক্সিন উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানগুলো যেহেতু নিয়মিতভাবেই তাদের ভ্যাক্সিনকে নতুন রূপ দেয়ার চেষ্টা করছে প্রকরণের সাথে তাল মিলিয়ে, ভ্যাক্সিন নতুন প্রকা রণগুলোকে পরাস্ত করতে সম্ভব হবে। আমাদের মনে রাখতে হবে, কোভিড-১৯ একটি সংক্রামক রোগ। অর্থ্যাৎ একজন মানুষ থেকে অপর মানুষে ছড়িয়ে যেতে পারে। তাই সবাই ভ্যাক্সিন না নেওয়া পর্যন্ত আমরা নিরাপদ নই। ভ্যাক্সিন গ্রহনকারী প্রতিটি ব্যাক্তি নিরাপদ। প্রত্যেকেই এভাবে সুরক্ষিত হতে পারলে পুরো জনগোষ্ঠির সুরক্ষা সম্ভব।

করোনার ভ্যাক্সিন এবং তাদের কার্যকারীতা সম্পর্কে জানতে পড়ুনঃ করোনার ভ্যাক্সিন: কার্যক্ষমতা কি একমাত্র মানদন্ড?

তথ্যসূত্র

১। The effects of virus variants on COVID-19 vaccines
২। An expert explains variants
৩।Transmission of SARS-CoV-2 Lineage B.1.1.7 in England: Insights from linking epidemiological and genetic data
৪। What’s the risk of dying from a fast-spreading COVID-19 variant?
৫। Covishield Covaxin effective against ‘Indian strain’ of coronavirus study suggests
৬। Coronavirus Variants and Mutations
৭। India’s Massive COVID Surge Puzzles Scientists

প্রচ্ছদ ছবি: বিভিন্ন ভ্যারিয়েন্ট ও ভ্যাক্সিন (প্রতিকী ছবি), সূত্র: who.int

বিজ্ঞাপন

Maksudur Rahman Shihab
I am a graduate student of Microbiology at Jagannath University. I like to read and write, enjoying explaining the hardest things in a simple way.