করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা কিছু জানা উচিত

করোনা ভাইরাস সম্পর্কে আপনার যা কিছু জানা উচিত
- ঘনঘন হাত ধুয়ে ফেলুন এবং একবারে কমপক্ষে ২০ সেকেন্ড ধরে হালকা গরম পানি এবং সাবান দিয়ে আপনার হাত ধুয়ে ফেলুন। ২০ সেকেন্ড সময় পার কার জন্য গান, দোআ, সূরা, লেখাপড়া মনে করা বা ক-খ, ABCD পড়তে পারেন । - আপনার হাত নোংরা হয়ে গেলে আপনার মুখ, চোখ, নাক স্পর্শ করবেন না। - আপনি অসুস্থবোধ করছেন অথবা সর্দি বা ফ্লুর লক্ষণ দেখা দেয় তহলে বাইরে যাবেন না। - কাশি বা হাঁচি দিচ্ছে এমন কারও থেকে কমপক্ষে ৩ ফুট দূরে অবস্থান করুন। [10] - আপনি নিজে যখনই হাঁচি বা কাশি দিচ্ছেন তখন আপনার কনুইয়ের ভিতর মুখ ঢেকে হাঁচি দিন। আপনার ব্যবহৃত টিস্যু যতদ্রত সম্ভব সঠিক স্থানে ফেলে দিন। - আপনি নিয়মিত স্পর্শ করা যে কোনও বস্তু পরিষ্কার করুন। ফোন, কম্পিউটার, বাসন, ডিশওয়্যার এবং ডোরকনবসের মতো বস্তুগুলিতে জীবাণুনাশক ব্যবহার করুন।
বিস্তারিত পড়ুন ...

১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার

১০ মিনিটে ক্যান্সার শনাক্তকরণ পদ্ধতি আবিষ্কার
ক্যান্সার শব্দটি শুনলেই এর ভিতরটা কেমন যেন আঁতকে উঠে। কেননা ক্যান্সার হলো পৃথিবীর অন্যতম প্রধান মরণব্যধী। কোন কারণে  আমাদের দেহে স্বাভাবিক কোষ বিভাজন প্রক্রিয়া নষ্ট হয়ে গেলেই ক্যান্সারের সৃষ্টি হয়। কোন নির্দিষ্ট একটা জায়গায় ক্যান্সার হওয়ার পর তা ধীরে ধীরে দেহের অন্যত্র ছড়িয়ে পরে। ২০১৫ সাল নাগাদ প্রায় ৯০.৫ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সার রোগে ভোগছে। প্রতিবছর প্রায় ১৪.১ মিলিয়ন মানুষ ক্যান্সারে আক্রান্ত হয় এবং ক্যান্সারের ফলে মৃত্যুর সংখ্যা প্রায় ৮.৮ মিলিয়ন। ২০১২ সালে প্রায় ১,৬৫,০০০ অনুর্ধ্ব…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ত্বকের কোষ থেকে সন্তান উৎপাদন

ত্বকের কোষ থেকে সন্তান উৎপাদন
বিজ্ঞান প্রতিনিয়তই এগিয়ে যাচ্ছে। কারণ আমাদের বিজ্ঞানীরা বসে নেই। তারা নিত্যনতুন চিন্তা ভাবনা করে চলেছেন। তবে মাঝে মাঝে এমন কিছু বৈজ্ঞানিক আবিষ্কার হয় যা আপনাকে থমকে দাঁড়াতে বাধ্য করে। প্রত্যেক জীবেরই প্রজনন হয়। আর প্রাণীদের ক্ষেত্রে সেই প্রজনন ঘটে শুক্রাণু এবং ডিম্বাণুর মাধ্যমে। যৌন ক্রিয়ার সময় শুক্রাণু ও ডিম্বাণু মিলিত হয় এবং নিষেকের পর ভ্রূণ গঠিত হয়। সেই ভ্রূণ পরিণত হয়ে পূর্ণাঙ্গ শিশুতে পরিণত হয়। এটাই প্রাণীর স্বাভাবিক প্রজননের সরল একটি বর্ণনা। কিন্তু বিজ্ঞান তো…
বিস্তারিত পড়ুন ...

এইডস থেকে মুক্তি

এইডস একটি প্রাণঘাতী মরণব্যাধি এ কথা কম বেশি সবার জানা। এর প্রতিষেধক আজও বিজ্ঞানীদের অজানা। প্রতিষেধক না থাকার কারণে এই রোগ থেকে সম্পূর্ণ মুক্তিলাভ আপাতদৃষ্টিতে সম্ভব নয়। তবে পুরো বিশ্বকে চমকে দিয়ে টিমোথি ব্রাউন নামের এইচআইভি আক্রান্ত এক ব্যক্তি সম্পূর্ণরূপে রোগমুক্ত হয়েছেন। বিশেষজ্ঞদের কাছে তিনি “বার্লিন রোগী” নামে পরিচিত। দীর্ঘ ১১ বছর এইচআইভি নিয়ে বসবাস করার পর ব্রাউন জানতে পারেন তিনি অ্যাকিউট মায়োলয়েড লিউকেমিয়ায় (অস্থিমজ্জার ক্যান্সার)আক্রান্ত (উল্লেখ্য এইচ আইভির সাথে লিউকেমিয়ার কোন যোগসূত্র নেই)। লিউকেমিয়ার…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অ্যান্টিবডির ইতিহাস ও গাঠনিক বৈচিত্র্য

প্রাচীন গ্রীকের একজন প্রখ্যাত ইতিহাসবিদ এবং সেনাপতি ছিলেন থুসিডাইডেস। স্পার্টান এবং এথেনিয়ানদের মধ্যে সংঘটিত যুদ্ধ নিয়ে তিনি লিখেছেন History of the Peloponnesian War যার জন্য তিনি অমর। ওনার এই ঐতিহাসিক সন্দর্ভটি নিয়ে প্রচুর পাঠ, গবেষণা, বিশ্লেষণ, আস্বাদনের মাধ্যমে থুসিডাইডেস এর চিন্তাধারা, মনন ও বিশ্বাসের কাঠামো সম্পর্কে ধারনা করা গেলেও, আধুনিক ইতিহাসবিদরা ব্যক্তি থুসিডাইডেসকে জানেননা বললেই চলে। সে যাই হোক, রোগ প্রতিরোধ ব্যবস্থা কি, সেটা জানার অনেক অনেক আগেই মানুষ জানতো তার মধ্যে এই জিনিসটা রয়েছে।…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ভ্যাকসিন, ব্যাকটেরিয়া এবং আমরা

বিশ্বজুড়ে পাবলিক হেলথের প্রধান অবলম্বন হল শিশুদের দেয়া ভ্যাকসিন । কিন্তু ভ্যাকসিন সব শিশুর ক্ষেত্রে সমানভাবে কার্যকর হয়না । কেন হয়না? অন্ত্রে বাস করা অনুজীব এক্ষেত্রে একটা বড় কারণ হতে পারে। ২০০৬ সালে ওরাল ভ্যাকসিন আবিষ্কারের আগে ব্যাপকভাবে বাচ্চাদের মধ্যে রোটাভাইরাস (Rotavirus) সংক্রমণ হত । এর ফলে বাচ্চাদের প্রচন্ড ডায়রিয়া হত। জীবনাশংকা সৃষ্টিকারী এই পানিশূণ্যতার কারণে সারাবিশ্বে এখনো প্রতিবছর সাড়ে চার লক্ষ্যের বেশি শিশু মারা যায়। বিশেষ করে এশিয়া ও আফ্রিকায়। কারণ ভ্যাকসিন সবসময় কাজে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

ক্যান্সার কথন

খ্রিস্টের জন্মের ৪০০ বছর আগে হিপোক্রেটস বলেছিলেন আমাদের দের চার ধরনের তরলে গঠিত। এই চার ধরনের তরলের মধ্যে সব সময় ভারসাম্য বজায় থাকে, যা নষ্ট হলেই নানা বিধ ব্যামোর আবির্ভাব হয়। এর মধ্যে ব্ল্যাক বাইল নামক তরলের পরিমান বেড়ে গেলে যেটা হয় তাকে কার্সিনোস এবং কার্সিনোমা বলে বলে ডাকতেন তিনি, যার উৎপত্তি গ্রীক 'Karkinos' থেকে, এর অর্থ হচ্ছে কাঁকড়া আক্রান্ত টিস্যু হতে চারপাশে রক্তনালীগুলোর ছড়িয়ে পড়া দেখতে অনেকটা কাঁকড়ার থাবার মত, তাই এই নামকরন। ধীরে…
বিস্তারিত পড়ুন ...

অমরত্বের মৃত্যু

১ ‘আমার ভেতরে একটা গুঁটলি বাসা বেঁধেছে।’- সান্ধ্যভোজ শেষে নিজের বিছানায় আরাম করে বসে বান্ধবীদের উদ্দেশ্যে হঠাৎ বলে বসলেন হেনরিয়েটা। ‘অ্যাঁ! কী বললি?’ চাচাতো বোন স্যাডি জিজ্ঞেস করল তাকে। ‘গুঁটলি... পিণ্ড,’ আবার বললেন হেনরিয়েটা। ‘এই যে এইদিকটাতে,’ বলে তলপেটের একটা নির্দিষ্ট অংশ দেখিয়ে দিলেন তিনি। ‘আর হঠাৎ হঠাৎ ব্যথা করে।’ ‘অ! ব্যাপারটা তো ভাল ঠেকছে না! কাউকে দেখা, হেনি। ডেল এর নতুন ভাইবোনও হতে পারে।’ ‘উমমমম... হুমমম,’ অন্যমনস্কভাবে উত্তর দিলেন হেনরিয়েটা। মাত্র কয়েক মাস আগে…
বিস্তারিত পড়ুন ...