মস্তিষ্কে পর্ণ আসক্তির প্রভাব

পাঠসংখ্যা: 👁️ 472

পর্ণ!

শব্দটা দেখে একটু ভ্যাবাচ্যাকা খেয়ে যাননি তো? যতই ভ্রু কুঁচকে যাক কিংবা দ্বিধায় আড়ষ্ট হোন না কেন, সমগ্র আলোচনা হবে পর্ণ আসক্তি নিয়ে। দ্বিধায় পড়ে গেলেন? পড়বেন নাকি পড়বেন না- এটা ভাবছেন? আরে, আমি জানি প্রথমে ভাবলেন পড়বেন না। পরক্ষণেই ভাবলেন, দেখি তো কি লিখেছে নিবন্ধে। হা হা!

এই যে কৌতুহলী হয়ে লেখাটা পড়া শুরু করলেন, পর্ণে আসক্তি ঠিক এভাবেই আসে ধীরে ধীরে। একটা ভিডিও দেখলে কিইবা এমন হবে! এই ভাবনা থেকেই শুরু করা হয় তারপর কখন যে সময় চলে যায়, খেয়ালই থাকে না।

সংকোচ যেহেতু ঝেড়েছেন এই নিবন্ধ পড়ার জন্য, ভনিতা বাদ দিয়ে মূল আলোচনায় চলে যাব এক্ষুনি। সোজা-সাপ্টা বাংলায় যতটুকু শালীন শব্দ ব্যবহার করে তরল করা যায় লেখনী, সেটুকু আমি চেষ্টা করব। কথা দিলাম তো!

পর্ণ আসক্তি

পর্ণ আসক্তি বলতে বুঝায়, পর্ণোগ্রাফির (Pornography) প্রতি বা সেক্সুয়াল ভিডিওর প্রতি একজন ব্যক্তির মাত্রাতিরিক্ত আসক্তি। এই অতিরিক্ত আসক্তি ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবন, সম্পর্কে, কাজকর্মে প্রভাব ফেলে। আমাদের সবারই কম বা বেশি যেকোন কিছুর প্রতি আসক্তি থাকে। এই যেমন ধরুন- খেলাধুলায়, সুস্বাদু খাবারে, বই পড়ায়, মুভি দেখায় ইত্যাদিতে।

কিন্তু কিছু আসক্তি আছে যা সচরাচর কেউ প্রকাশ করতে চায় না। এবার একটু ঝেড়ে কাশি চলুন-

সোজা কথায় বিড়ি, সিগারেট, মদ্যপানের প্রতি আসক্তি, পর্ণ আসক্তি।

তিনটার ক্ষেত্রেই সাময়িক আনন্দ পাওয়া যায় তবে এর দীর্ঘস্থায়ী ফলাফল ভয়াবহ। সিগারেট এবং মদ্যপান কিরকম প্রভাব ফেলে তা পূর্বের দুইটি নিবন্ধে আলোচনা করেছি। পড়তে চাইলে দেখুন-

১। নিকোটিন এবং মারিজুয়ানা যেভাবে মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে

২। মস্তিষ্কে অ্যালকোহলের প্রভাব

ডাক্তারদের মতে, পর্ণ আসক্তি এক ধরনের হাইপার সেক্সুয়াল ডিসঅর্ডার (hypersexual disorder) – যা ব্যক্তির আচরণকে নিয়ন্ত্রণ করে যেমনঃ- অতিরিক্ত হস্তমৈথুন (excessive masturbation)।

পর্ণ দেখার পরিসংখ্যান

শিরোনাম দেখে হাসছেন নাকি? ভাবছেন হয়তো, এ আবার কেমন হিসাব-নিকাশ!

স্বাস্থ্যকর যৌনজীবনের জন্য পর্ণ কিছু ক্ষেত্রে সহায়ক ভূমিকা রাখে। তবে এর মাত্রাতিরিক্ত প্রভাব জানতে হলে আপনাকে বুঝতে হবে, কিসের উপর ভিত্তি করে এটাকে খারাপ বলা হচ্ছে। সমীক্ষার রেজাল্ট বেশ ভাল রকমের শংকা জাগাবে আপনাকে। বিস্মিত হবেন- এতটুকু নিশ্চিত ভাবে বলতে পারি।

পর্ণ দেখার জন্য আপনাকে খুব বেশি একটা বেগ পেতে হবে না। স্মার্টফোনের নৌকায় বসে ইন্টারনেটের পাল তুলে ঠিক ঘুরাঘুরি করতে পারবেন আকাশে কিংবা অন্য কোথাও। হা হা!

ইন্টারনেটের সহজলভ্যতায় আঙুলের আলতো স্পর্শে খোঁচা দিলেই দেখা মিলবে হাজার খানেক পর্ণ ওয়েবসাইট।

পরিসংখ্যান মতে, ইন্টারনেট ব্যবহারকারীদের মধ্যে ৪-৪৬% মানুষ পর্ণ দেখার জন্য ইন্টারনেট ব্যবহার করে।

আরেকটু বিশদ ভাবে দেখানো যাক হিসেবটা-

  • ১৮-৩৯ বছর বয়সী ৪৬% পুরুষ এবং ১৬% মহিলা সপ্তাহে একবার পর্ণ দেখেন।
  • এক সমীক্ষায় দেখা যায়, ১৮-২৬ বছর বয়সী মানুষ; যার মধ্যে ৬৭% যুবক এবং ৪৯% যুবতী স্বীকার করেন যে- পর্ণ দেখা স্বাভাবিক এবং এটা গ্রহণযোগ্য ব্যাপার।
  • বয়স্কদের মধ্যে পর্ণ আসক্তি এবং মাস্টারবেশান বাড়ার সাথে সাথে তাদের যৌনমিলনের চাহিদা কমতে থাকে।

কিনসে ইন্সটিটিউটের (kinsey Institute) এক গবেষণায় দেখা গেছে যে-

  • ৬৬% পর্ণাসক্ত মানুষ মাসে ৫ ঘন্টা বা তার কম সময় পর্ণ দেখে থাকে।
  • ১৬% মানুষ মাসে ১৫ ঘন্টা বা তার কম সময় পর্ণ দেখে।
  • ৬% মানুষ মাসে ২৬ ঘন্টার বেশি সময় পর্ণ দেখে।
  • ৩% মানুষ মাসে ৫০ ঘন্টার বেশি সময় পর্ণ দেখে।

যদি আপনিও পর্ণ দেখেন, এবার পইপই করে হিসেব করুন তো- কোন দলে আছেন?

আরে মশাই রাগ করবেন না ! একটু মজা করছি আর কি। হা হা !

পর্ণ আসক্তির কারণ

পরিসংখ্যান দেখে চক্ষু ছানাবড়া হয়ে গেছে হয়ত। এই যে বিপুল জনগোষ্ঠী দল-মত নির্বিশেষে এই আসক্তিতে ঝুঁকছে- এর পেছনে কারণ তো অবশ্যই আছে। পর্ণ আসক্তির মূল কারণ উদঘাটন করায় বেশ কিছু বিতর্ক আছে। আগেই বলেছি, সোজ-সাপ্টা কথা হবে শুধু। তাই চলুন , সাধাসিধে কিন্তু তাৎপর্য্যপূর্ণ কিছু কারণ জেনে নিই-

  • স্ট্রেস (stress) বা মানসিক চাপ কমাতে অনেকেই পর্ণ ভিডিও দেখে থাকে।
  • যৌনতৃপ্তির অসম্পূর্ণতা থেকে ও পর্ণে আসক্তি জন্মায়।
  • ভিন্ন ধারার রুচির সাথে পরিচিত হবার আকাঙ্ক্ষা থেকেও মানুষ পর্ণ দেখে। অন্য একটা দেশের বা জাতির মানুষ যৌনমিলনের সময় কেমন অনুভব করে বা কিরকম করে থাকে তা জানার আগ্রহ থেকে অনেকে পর্ণ দেখে থাকে।
  • জৈবিক কারণ। কিছু বায়োলজিক্যাল ফ্যাক্টর আছে যা মস্তিষ্কের কার্যকলাপকে পরিবর্তিত করে পর্ণ দেখার সময়। আর এটা ধীরে ধীরে আসক্তির দিকে নিয়ে যায়।
  • যারা সামাজিক ভাবে বিচ্ছিন্ন জীবনযাপন করে থাকে। তারা একাকীত্ব থেকেও পর্ণে আসক্ত হয়ে পড়ে।
  • যৌনসঙ্গীরা ফ্যান্টাসি থেকে বা একে অন্যকে ভিন্ন মাত্রায় উষ্ণতা দিতে সম্পর্কে , পর্ণ দেখে থাকে। অনুশীলন করতে চায় যেমনটা মুভিতে করা হয়। এভাবে ধীরে ধীরে তারা ও আসক্ত হয়ে পড়ে।
  • ডিপ্রেশান কাটাতেও কেউ কেউ পর্ণোগ্রাফিতে মগ্ন থাকে।

এইতো গেল বেশকিছু কারণ জানা। এবার দেখি চলুন, শরীরে মূল ঘটনা কি হয় পর্ণ দেখার সময়।

পর্ণ যেভাবে মস্তিষ্কে প্রভাব ফেলে

পর্ণ দেখলে কম বেশি সবারই ভাল লাগে। বস্তুত ভাল লাগার জন্যে মানুষ পর্ণ মুভি দেখে থাকে। এই ভাল লাগার অনুভূতির জন্য দায়ী হচ্ছে এক চমৎকার হরমোন- নাম তার ডোপামিন। মস্তিষ্কের সংবেদনশীল কেন্দ্রের কাজই হচ্ছে সামান্য পজিটিভ উদ্দীপক কিছুর সংকেত পেলেই ডোপামিন হরমোনের প্লাবন ঘটানো শরীরে। পজিটিভ সংকেত বলতে ধরুন- সুস্বাদু খাবার খাওয়া, ব্যায়াম করা, প্রেমিকার চোখে চোখ রেখে অপলক তাকিয়ে থাকা, তার হাত ধরে একটুখানি পথচলা কিংবা জড়িয়ে ধরে চুমু খাওয়া- এই আর কি।

পর্ণ দেখার ক্ষেত্রেও মস্তিষ্কে সচেতন ভাবে একটি বার্তা চলে যায় এবং তা ডোপামিন হরমোন ক্ষরণের প্রক্রিয়াকে প্রভাবিত করে তোলে। কামের (lust) প্রভাবেই মানুষ পর্ণ দেখে থাকে বেশিরভাগ ক্ষেত্রে। তামাক বা মাদকের মতো, পর্ণ ও মস্তিষ্কের ক্ষুধাকে (craving) বাড়িয়ে তোলে। আর এই ক্রমবর্ধমান ক্ষুধা গ্রাহককে আরো বেশি পর্ণ, ইন্টারনেটে খুঁজতে বা দেখতে প্ররোচিত করে থাকে। উচ্চমাত্রার সংবেদনশীল বা হাইপার ফ্যান্টাসির ভিডিও সন্ধান করতে করতে ব্যক্তি পর্ণ জগতে ভ্রমণ চালিয়ে যায়। যত বার একজন মানুষ পর্ণ দেখে ঠিক তত বার এটা বারংবার দেখার জন্য মস্তিষ্ক প্রভাবিত করতে থাকে। কারণ মস্তিষ্ক তখন বিপুল সস্তা আনন্দের খোঁজ পায়।

এতটুকু পড়ে অনেকেই হয়তো ঘাবড়ে গেছেন। আরে, ঠিকই তো! আমার কি দোষ! আমার পাজি মস্তিষ্কই তো সব কলকাঠি নাড়ছে। হা হা !

থামুন মশাই। দোষারোপ দেয়া বন্ধ করুন তো এবার। মস্তিষ্কের আরো বেশ কিছু কার্যকরী অংশ আছে, তা ভুলে গেলে চলবে? আর এসব অনন্য অংশদের সময়োপযোগী হস্তক্ষেপের জন্যেই মানুষ অন্যান্য প্রাণীদের তুলনায় ব্যতিক্রম।

মস্তিষ্কের পুরস্কার কেন্দ্রের (reward center) অংশের কথা তো জানলেন- একটু উছিলা পেলেই সে শরীরে হরমোনের স্রোত বইয়ে একাকার করে দেয়। এবার চলুন জানি অন্য আরেকটি অংশকে নিয়ে। যার নাম প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স (prefrontal cortex)। মস্তিষ্কের পুরস্কার অংশ যখন পাগলা ঘোড়া হয়ে যায় মানে আরো আরো চাইতে থাকে, তখন স্পিডব্রেকার বা গতিরোধক হয় এই মাস্টারমশাই প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স অংশ। আচ্ছা, উদাহরণ দিয়ে একটু বোঝাই চলুন-

ধরুন, আপনি মুভি দেখছেন সন্ধ্যা থেকে। ভাল লাগছে। দেখতে দেখতে কখন যে মধ্যরাত হয়ে গেল! হুঁশ নেই। কারণ মুভি দেখায় আপনার ভাল লাগছে। মস্তিষ্ক ডোপামিন হরমোনের প্লাবনে ভুলিয়ে রেখেছে আপনাকে। ঠিক যখনি রাতের একটা বা দুইটা বেজে গেল, তখনি হাজির হবে মস্তিষ্কের প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স ঢাল তলোয়ার নিয়ে। হা হা! মানে সংকেত পাঠাবে আপনাকে এই বলেঃ- “এই যে আপনার আগামীকাল সকালে গুরুত্বপূর্ণ কাজ আছে অথবা অফিস আছে। এখনি যদি ঘুমাতে না যান তবে উঠতে পারবেন না ভোরে । তাই ঘুমানো প্রয়োজন সবকিছু বাদ দিয়ে।”

পর্ণ দেখার ক্ষেত্রেও ঠিক এমনিভাবে কাজ করে প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স। যাবতীয় যত বদ অভ্যাস এবং আসক্তিগুলোকে কঠোর নজরদারি করে এবং নিয়ন্ত্রণের জন্য যারপরনাই ব্যস্ত থাকে। পরাস্ত হয়ে গেলেই ভারী হয়ে যায় ক্ষতিকর পাল্লার দিক, আর জিতলে উপকার আপনারই।

  • পর্ণের প্রভাবে মস্তিষ্কের স্ট্রেইটাম অংশের (straitum) আয়তন কমে যায় এবং স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হয়।
  • স্ট্রেইটাম এবং প্রি-ফ্রন্টাল কর্টেক্স অংশের মধ্যে যোগাযোগ দূর্বল হয়ে পড়ে এবং যা পরবর্তীতে সিদ্ধান্তহীনতা, অনিয়ন্ত্রিত আচরণের দিকে ঠেলে দেয়।
  • পর্ণ আসক্তি ব্যক্তির আত্ম-নিয়ন্ত্রণকে মারাত্নক ভাবে প্রভাবিত করে।
  • পর্ণ আসক্তি মস্তিষ্কের নমনীয়তা বা সংবেদনশীলতাকে (plasticity)প্রভাবিত করে।
  • মাদক দ্রব্য বা নেশার মতো পর্ণ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রভাব ফেলে।

পর্ণ আসক্তির মানসিক প্রভাব

যৌন স্বাস্থ্যের উন্নয়নের কিছু ক্ষেত্রে পর্ণ ভূমিকা রাখে কিন্তু প্রায় ৯% দর্শক বলছেন, তারা পর্ণ দেখা থেকে নিজেদের বিরত রাখতে ব্যর্থ হচ্ছেন। ভাবুন তো, এমন এক অভ্যাস যা আপনি ফ্যান্টাসি থেকে শুরু করেছেন কিন্তু একটা সময় সেটাই আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করা শুরু করলো। কি ভয়াবহ !

পর্ণের কারণে বেশ কিছু মানসিক সমস্যা দেখা দেয়। যেমন-

  • প্রায় অর্ধেক পুরুষ স্বীকার করে যে, মাত্রাতিরিক্ত পর্ণোগ্রাফি ভিডিও দেখা তাদের ব্যক্তিজীবনে সমস্যা সৃষ্টি করেছে। কিছু ক্ষেত্রে মানসিক এবং আচরণগত নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলেছিল তারা।
  • পীড়াদায়ক এবং উচ্চ-সংবেদনশীল পর্ণ ভিডিও দেখা দর্শকেরা পরবর্তীতে অনুশোচনা, পাপ বোধ, ডিপ্রেশান এবং আশংকায় ভুগে থাকে।
  • মানসিক অবসাদ দেখা দেয়। মেজাজ খিটখিটে হয়ে যায় কিছু ক্ষেত্রে।
  • মুড সুয়িং হয়।
  • সব সময় পর্ণ দেখার আগ্রহ বোধ করে। মাস্টারবেশান করার জন্য তাড়িত হয়।
  • যৌনসঙ্গীর সাথে ঘনিষ্ঠ হবার আগ্রহ কম অনুভব করে। বাস্তবে ঘনিষ্ঠ মুহূর্ত গুলোতে পর্ণ মুভির কল্পনার সাথে তাল মেলাতে পারে না।
  • ইনসোমনিয়া (insomnia) দেখা দেয়। রাতে ঘুম কম হওয়া স্বাভাবিক অভ্যাসে দাঁড়ায়।

পর্ণ আসক্তি থেকে পরিত্রাণের উপায়

সঠিক অর্থে বলতে গেলে সবার জন্য এক না এই উপায় গুলো। কেউ যেমন সাধারণ কিছু নিয়ম মেনে এ অভ্যাস ছাড়তে পারে আবার কেউ অনেক কঠোর বিধিনিষেধ মেনে ছাড়ে। সচরাচর কিছু বিষয় অনুসরণ করা যায়। যেমন –

  1. সুস্থ বিনোদনের উৎস খোঁজা।
  2. ইন্টারনেটের সঠিক ব্যবহার করা।
  3. নিয়মিত ব্যায়াম বা সুস্থ জীবনযাপনের পদ্ধতি অনুসরণ করা।
  4. অবসর সময়ে বই পড়া ।
  5. ধর্মীয় অনুশাসন মেনে চলা। পাপ বোধ সাধারণত ধর্মীয় ভয় থেকেই উদ্ভব হয়।
  6. সামাজিক ভাবে মিলেমিশে থাকা।
  7. একাকী না থেকে বন্ধু-বান্ধবীদের সাথে আবেগ শেয়ার করা।
  8. নিজেকে যতটুকু সম্ভব ব্যস্ত রাখা।

এইসব কোন নিয়ম নয় আদৌ। নিজের ব্যক্তিত্বকে উন্নত করলেই দেখবেন সব ঠিক হয়ে গেছে আপনা আপনি। সুস্থ চিন্তা চেতনায় পর্ণ আসক্তি বিঘ্ন ঘটায়। কাম থাকলেই যে তার যথেচ্ছাচার ব্যবহার করতে হবে, এমনটা কিন্ত নয়। জীবন আপনার, সময় আপনার। সিদ্ধান্ত নিতে হবে নিজেকেই -কি করলে মন, মনন এবং মস্তিষ্ক বিকশিত হবে !

তথ্যসূত্রঃ-

১। The Brain’s of Porn Addicts

২। What to know about porn addiction

৩। How Porn Can Affect The Brain Like A Drug

মূল ফিচার ছবিসূত্রঃ- How to Stop Porn Addiction with the Help of Technology

মিঠুন পাল
পড়াশোনা করছি অণুজীব নিয়ে। স্নাতক শেষ করেছি নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগে। একই বিভাগে স্নাতকোত্তরে অধ্যয়নরত আছি। কবিতা লিখি অবসরে। বই পড়ি। প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থঃ- বিমূর্ত বিজয়িনী(২০২০), প্রস্থানেই দেবো না বিদায়(২০২১)